অ্যাাপ্লিকেশন অংশ: জ্ঞান ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন
■ ৫৩টি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ■ ১৬টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন
■ লেখক-পরিচিতি
প্রশ্ন-১. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৩৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
প্রশ্ন-২. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
প্রশ্ন-৩. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কত সালে বিএ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন?
উত্তর: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৫৮ সালে বিএ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়।
প্রশ্ন-৪. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কোথা থেকে বিএ পাশ করেন?
উত্তর: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ পাশ করেন।
প্রশ্ন-৫. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কোন পদে চাকরি করেন?
উত্তর: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ও ডেপুটি কালেক্টর পদে চাকরি করেন।
প্রশ্ন-৬. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কোন ভাবাদর্শে বাংলা উপন্যাস রচনা করেন?
উত্তর: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পাশ্চাত্য ভাবাদর্শে বাংলা উপন্যাস রচনা করেন।
প্রশ্ন-৭. পাশ্চাত্য ভাবাদর্শে বাংলা উপন্যাস রচনার পথিকৃৎ বলা হয় কাকে?
উত্তর: পাশ্চাত্য ভাবাদর্শে বাংলা উপন্যাস রচনার পথিকৃৎ বলা হয় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে।
প্রশ্ন-৮. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাসের নাম কী?
উত্তর: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাসের নাম দুর্গেশনন্দিনী।
প্রশ্ন-৯. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস কত সালে প্রকাশিত হয়?
উত্তর: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয়।
প্রশ্ন-১০. 'কৃষ্ণচরিত্র' বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কোন ধরনের রচনা?
উত্তর: 'কৃষ্ণচরিত্র' বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত প্রবন্ধ।
প্রশ্ন-১১. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?
উত্তর: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৯৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
■ মূলপাঠ
প্রশ্ন-১২. 'ফুলের বিবাহ' রচনায় কত তারিখে বিয়ে হয়েছিল?
উত্তর: ফুলের বিবাহ রচনায় ১লা বৈশাখ বিয়ে হয়েছিল।
প্রশ্ন-১৩. কোন মাস বিবাহের মাস?
উত্তর: বৈশাখ মাস বিবাহের মাস।
প্রশ্ন-১৪. 'ফুলের বিবাহ' রচনায় কার বিয়ে হয়েছিল?
উত্তর: 'ফুলের বিবাহ' রচনায় মল্লিকা ফুলের বিয়ে হয়েছিল।
প্রশ্ন-১৫. 'ফুলের বিবাহ' রচনায় উদ্যানের রাজা কে?
উত্তর: 'ফুলের বিবাহ' রচনায় উদ্যানের রাজা স্থলপদ্ম।
প্রশ্ন-১৬. কে ভালো পাত্র কিন্তু দেমাগি?
উত্তর: গন্ধরাজ ভালো পাত্র কিন্তু দেমাগি।
প্রশ্ন-১৭. 'ফুলের বিবাহ' রচনায় ঘটকের নাম কী?
উত্তর: 'ফুলের বিবাহ' রচনায় ঘটকের নাম ভ্রমররাজ।
প্রশ্ন-১৮. ঘটক ভ্রমররাজ বৃক্ষসদনে এসে প্রথমে কী বললেন?
উত্তর: ঘটক ভ্রমররাজ মল্লিকা-বৃক্ষসদনে এসে প্রথমে বললেন 'গুণ! গুণ! গুণ মেয়ে আছে'।
প্রশ্ন-১৯. গোলাপের মহিমা কীর্তন কে করেছিলেন?
উত্তর: গোলাপের মহিমা কীর্তন কুলাচার্য মহাশয় করেছিলেন।
প্রশ্ন-২০. গোলাপের গৌরব অধিক কেন?
উত্তর: গোলাপের গৌরব অধিক কারণ গোলাপ বাঞ্ছামালির সন্তান।
প্রশ্ন-২১. ঘটক মল্লিকার বিয়ের সম্বন্ধ কার সঙ্গে ঠিক করলেন?
উত্তর: ঘটক মল্লিকার বিয়ের সম্বন্ধ ঠিক করলেন গোলাপ ফুলের সঙ্গে।
প্রশ্ন-২২. গোলাপ কন্যার বয়স জিজ্ঞাসা করলে ভ্রমর কী বললেন?
উত্তর: গোলাপ কন্যার বয়স জিজ্ঞাসা করলে ভ্রমর বললেন 'আজি কালি ফুটিবে'।
প্রশ্ন-২৩. সানাইয়ের বায়না নিয়েছিল কে?
উত্তর: সানাইয়ের বায়না নিয়েছিল মৌমাছি।
প্রশ্ন-২৪. রাতকানা বলে কে সঙ্গে যেতে পারল না?
উত্তর: রাতকানা বলে মৌমাছি সঙ্গে যেতে পারল না।
প্রশ্ন-২৫. গোলাপ কখন বিবাহ যাত্রার উদ্যোগ করল?
উত্তর: গোলাপ গোধূলিলগ্নে বিবাহ যাত্রার উদ্যোগ করল।
প্রশ্ন-২৬. কে নহবৎ বাজাতে আরম্ভ করল?
উত্তর: উচ্ছিঙ্গড়া নহবৎ বাজাতে আরম্ভ করল।
প্রশ্ন-২৭. অসুস্থ বলে এর যাত্রায় কে আসতে পারল না?
উত্তর: অসুস্থ বলে এর যাত্রায় রাজকুমার স্থলপদ্ম আসতে পারল না।
প্রশ্ন-২৮. বিয়েতে স্ববংশে এসেছিল কে?
উত্তর: বিয়েতে স্ববংশে এসেছিল জবা।
প্রশ্ন-২৯. গরদের জোড় পড়ে কে এসেছিল?
উত্তর: গরদের জোড় পড়ে এসেছিল চাপা।
প্রশ্ন-৩০. কে নীতবর হবে বলে সেজে এসেছিল?
উত্তর: সেঁজুতি নীতবর হবে বলে সেজে এসেছিল।
প্রশ্ন-৩১. বাহকের বায়না নিয়েছিল কে?
উত্তর: বাহকের বায়না নিয়েছিল বাতাস।
প্রশ্ন-৩২. বাহকের দায়িত্ব পালন করেন কে?
উত্তর: বাহকের দায়িত্ব পালন করেন কমলকাকা।
প্রশ্ন-৩৩. কার ফুল বাগানে বসে কমলকাকা বিয়ে অনুষ্ঠান দেখলেন?
উত্তর: নসী বাবুর ফুল বাগানে বসে কমলকাকা বিয়ের অনুষ্ঠান দেখলেন।
প্রশ্ন-৩৪. সুচ সুতা নিয়ে কে দাঁড়িয়েছিলেন?
উত্তর: সুচ সুতা নিয়ে দাঁড়িয়েছিল নসী বাবুর নবমবর্ষীয়া কন্যা কুসুমলতা।
প্রশ্ন-৩৫. কার রাঙামুখে হাসি ধরে না?
উত্তর: রঞ্জনের রাঙামুখে হাসি ধরে না।
প্রশ্ন-৩৬. কনের সই কে?
উত্তর: কনের সই হলো যুঁই (জুঁই)।
প্রশ্ন-৩৭. তাড়কা রাক্ষসী বলে বর কাকে তামাশা করল?
উত্তর: তাড়কা রাক্ষসী বলে বর রজনীগন্ধাকে তামাশা করল।
প্রশ্ন-৩৮. এককোণে গিয়ে চুপ করে বসে রইল কে?
উত্তর: এককোণে গিয়ে চুপ করে বসে রইল বকুল।
প্রশ্ন-৩৯. মোটা নীল শাড়ি ছড়িয়ে বসল কে?
উত্তর: মোটা নীল শাড়ি ছড়িয়ে বসল ঝুমকা ফুল।
প্রশ্ন-৪০. 'দূর পাগলি, আমি বিয়ে দিচ্ছিলাম।'- উক্তিটি কার?
উত্তর: 'দূর পাগলি, আমি বিয়ে দিচ্ছিলাম।'- উক্তিটি কমলকাকার।
প্রশ্ন-৪১. 'কার বিয়ে, কাকা?'- প্রশ্নটি কে করেছিল?
উত্তর: 'কার বিয়ে, কাকা?'- প্রশ্নটি করেছিল কুসুম।
প্রশ্ন-৪২. কন্যাভারগ্রস্ত কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
উত্তর: কন্যাভারগ্রস্ত বিবাহযোগ্য কন্যা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
প্রশ্ন-৪৩. সন্ধ্যাঠাকুরাণী (সন্ধ্যাঠাকুরাণী) দিদি বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: 'সন্ধ্যাঠাকুরাণী দিদি' বলতে সন্ধ্যাকালকে দিদি বলে সম্বোধন করা বোঝানো হয়েছে।
প্রশ্ন-৪৪. বাঞ্ছামালি কী?
উত্তর: বাঞ্ছামালি হলো যে মালি ইচ্ছামতো ফুল ফোটাতে পারেন।
■ শব্দার্থ ও টীকা
প্রশ্ন-৪৫. 'কন্যাকর্তা' শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: 'কন্যাকর্তা' শব্দের অর্থ কন্যার অভিভাবক।
প্রশ্ন-৪৬. পাতার উপরের আসনকে কী বলে?
উত্তর: পাতার উপরের আসনকে পত্রাসন বলে।
প্রশ্ন-৪৭. 'অবগুণ্ঠনবর্তী' শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: 'অবগুণ্ঠনবর্তী' শব্দের অর্থ ঘোমটা দেওয়া নারী।
প্রশ্ন-৪৮. 'পরিমল' শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: 'পরিমল' শব্দের অর্থ সুগন্ধ।
প্রশ্ন-৪৯. বংশের প্রধান পুরোহিতকে কী বলে?
উত্তর: বংশের প্রধান পুরোহিতকে বলে কুলাচার্য।
প্রশ্ন-৫০. 'খদ্যোত' শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: 'খদ্যোত' শব্দের অর্থ জোনাকি পোকা।
■ পাঠ-পরিচিতি
প্রশ্ন-৫১. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'ফুলের বিবাহ' রচনাটি কোন গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
উত্তর: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'ফুলের বিবাহ' রচনাটি 'কমলাকান্তের দপ্তর গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।
প্রশ্ন-৫২. কমলাকান্তের দপ্তর গ্রন্থের কত সংখ্যক লেখা 'ফুলের বিবাহ'?
উত্তর: কমলাকান্তের দপ্তর গ্রন্থের নবম সংখ্যক লেখা 'ফুলের বিবাহ'।
প্রশ্ন-৫৩. 'ফুলের বিবাহ' রচনায় লেখক কোনটিকে বাস্তব জীবনে উপস্থাপন করতে চেয়েছেন?
উত্তর: 'ফুলের বিবাহ' রচনায় লেখক প্রকৃতিকে বাস্তব জীবনে উপস্থাপন করতে চেয়েছেন।
■ অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন-১. 'ফুলের বিবাহ' রচনায় 'কন্যাভারগ্রস্ত' কথাটি ব্যবহার করা হয়েছে কেন?
উত্তর: বাঙালি সমাজের চিরপরিচিত দারিদ্র্যের কশাঘাত জর্জরিত একাধিক বিবাহযোগ্য কন্যার পিতার পরিস্থিতি বোঝাতে কথাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 'ফুলের বিবাহ' রচনায় হাস্য-কৌতুকের মাধ্যমে বিভিন্ন রকম ফুল, তাদের গন্ধ, ফোটার সময় উপস্থাপন করেছেন। পাশাপাশি বাঙালি সমাজের কন্যাদায়গ্রস্ত পিতার চিত্রও উপস্থাপন করেছেন। বিবাহযোগ্য কন্যা মল্লিকার বিয়ের জন্য পাত্র স্থির করতে না পারায় বৃদ্ধ বেশ চিন্তিত ছিল। কন্যার বয়স বেশি হলে বিয়ে দিতে সমস্যা হওয়া, আরও অনেক মেয়ের বিবাহযোগ্য হয়ে ওঠা, পাত্র না পাওয়া এই সব বিষয় তুলে ধরার মধ্যে দিয়ে লেখক সমাজের গভীর পর্যবেক্ষণের একটি ইঙ্গিত দিয়েছেন।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 'ফুলের বিবাহ' রচনায় হাস্য-কৌতুকের মাধ্যমে বিভিন্ন রকম ফুল, তাদের গন্ধ, ফোটার সময় উপস্থাপন করেছেন। পাশাপাশি বাঙালি সমাজের কন্যাদায়গ্রস্ত পিতার চিত্রও উপস্থাপন করেছেন। বিবাহযোগ্য কন্যা মল্লিকার বিয়ের জন্য পাত্র স্থির করতে না পারায় বৃদ্ধ বেশ চিন্তিত ছিল। কন্যার বয়স বেশি হলে বিয়ে দিতে সমস্যা হওয়া, আরও অনেক মেয়ের বিবাহযোগ্য হয়ে ওঠা, পাত্র না পাওয়া এই সব বিষয় তুলে ধরার মধ্যে দিয়ে লেখক সমাজের গভীর পর্যবেক্ষণের একটি ইঙ্গিত দিয়েছেন।
প্রশ্ন-২. 'সম্বন্ধের অনেক কথা হইতেছিল কিন্তু কোনটা স্থির হয় নাই'- উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
উত্তর: বিয়ের সম্বন্ধের জন্য অনেকগুলো পাত্র দেখা হলেও যথোপযুক্ত পাত্র না পাওয়ায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি করা হয়েছে।
মল্লিকা ফুলের বাবা ক্ষুদ্র বৃক্ষ, অর্থসম্পদও কম। এরই মধ্যে তার অনেকগুলো বিবাহযোগ্য কন্যা রয়েছে। মল্লিকার জন্য অনেকগুলো সম্বন্ধ আসলেও কোনো পাত্র স্থির হয় না। উদ্যানের রাজা স্থলপদ্ম ভালো পাত্র হলেও সে উঁচু ঘরের হওয়ায় নিচু ঘরে বিয়ে করতে রাজি হয় না। জবা রাগী হওয়ায় তার সাথে বিয়ে দিতে রাজি হয় না। গন্ধরাজ ভালো পাত্র হলেও দেমাগ বেশি থাকায় বাদ পড়ে যায়। তাই সুপাত্র পেতে বৃক্ষ পিতার সময় লাগছিল।
মল্লিকা ফুলের বাবা ক্ষুদ্র বৃক্ষ, অর্থসম্পদও কম। এরই মধ্যে তার অনেকগুলো বিবাহযোগ্য কন্যা রয়েছে। মল্লিকার জন্য অনেকগুলো সম্বন্ধ আসলেও কোনো পাত্র স্থির হয় না। উদ্যানের রাজা স্থলপদ্ম ভালো পাত্র হলেও সে উঁচু ঘরের হওয়ায় নিচু ঘরে বিয়ে করতে রাজি হয় না। জবা রাগী হওয়ায় তার সাথে বিয়ে দিতে রাজি হয় না। গন্ধরাজ ভালো পাত্র হলেও দেমাগ বেশি থাকায় বাদ পড়ে যায়। তাই সুপাত্র পেতে বৃক্ষ পিতার সময় লাগছিল।
প্রশ্ন-৩. 'আমার মেয়েগুলো বড়ো লাজুক। তুমি একটু অপেক্ষা কর আমি মুখ দেখাইতেছি।'- ক্ষুদ্র বৃক্ষ কথাটি কেন বললেন?
উত্তর: মল্লিকা ফুল ঘোমটা খুলে ঘটক ভ্রমররাজকে মুখ না দেখানোয় বৃদ্ধ পিতা প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেন।
মল্লিকা ফুলের জন্য তার বাবা সম্বন্ধ খুঁজছিল। কিন্তু পাত্র স্থির করতে পারছিললগ্ন। এই সময় ঘটক ভ্রমররাজ বিবাহযোগ্য মেয়ের সন্ধানে মল্লিকা-বৃক্ষসদনে এসে কলিকা-কন্যা মল্লিকার সন্ধান পায়। ভ্রমর মেয়ে দেখতে চাইলে বৃদ্ধ পিতা অবগুণ্ঠনবর্তী কন্যাকে নিয়ে আসেন। ভ্রমর মুখ দেখতে চাইলে সে লজ্জা পেয়ে ঘোমটা খোলে না। বৃদ্ধ পরিস্থিতি সামলে দিতে উল্লিখিত উক্তিটি করেন।
মল্লিকা ফুলের জন্য তার বাবা সম্বন্ধ খুঁজছিল। কিন্তু পাত্র স্থির করতে পারছিললগ্ন। এই সময় ঘটক ভ্রমররাজ বিবাহযোগ্য মেয়ের সন্ধানে মল্লিকা-বৃক্ষসদনে এসে কলিকা-কন্যা মল্লিকার সন্ধান পায়। ভ্রমর মেয়ে দেখতে চাইলে বৃদ্ধ পিতা অবগুণ্ঠনবর্তী কন্যাকে নিয়ে আসেন। ভ্রমর মুখ দেখতে চাইলে সে লজ্জা পেয়ে ঘোমটা খোলে না। বৃদ্ধ পরিস্থিতি সামলে দিতে উল্লিখিত উক্তিটি করেন।
প্রশ্ন-৪. 'ফুলের বিবাহ' রচনায় প্রকৃতপক্ষে সন্ধ্যাঠাকুরাণী-দিদি কে? বুঝিয়ে লেখো।
উত্তর: 'ফুলের বিবাহ' রচনায় প্রকৃতপক্ষে সন্ধ্যাকালকে সন্ধ্যাঠাকুরাণী-দিদি হিসেবে বোঝানো হয়েছে।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 'ফুলের বিবাহ' রচনায় পরোক্ষভাবে বুঝিয়েছেন সন্ধ্যা হলে মল্লিকা ফুল ফোটে। ভ্রমররাজকে চেহারা দেখাতে সন্ধ্যাঠাকুরাণী-দিদি এসে অনুনয় করে। সন্ধ্যার স্নিগ্ধ স্বভাবে মুগ্ধ হয়ে মল্লিকা তার ঘোমটা খোলে। এই সম্পূর্ণ ব্যাপারটি রূপকাশ্রয়ীভাবে দেখানো হয়েছে। সন্ধ্যায় মল্লিকা ফুলের পাপড়ি মেলায় সন্ধ্যাকে সন্ধ্যাঠাকুরাণী দিদি হিসেবে তুলে ধরেছেন লেখক।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 'ফুলের বিবাহ' রচনায় পরোক্ষভাবে বুঝিয়েছেন সন্ধ্যা হলে মল্লিকা ফুল ফোটে। ভ্রমররাজকে চেহারা দেখাতে সন্ধ্যাঠাকুরাণী-দিদি এসে অনুনয় করে। সন্ধ্যার স্নিগ্ধ স্বভাবে মুগ্ধ হয়ে মল্লিকা তার ঘোমটা খোলে। এই সম্পূর্ণ ব্যাপারটি রূপকাশ্রয়ীভাবে দেখানো হয়েছে। সন্ধ্যায় মল্লিকা ফুলের পাপড়ি মেলায় সন্ধ্যাকে সন্ধ্যাঠাকুরাণী দিদি হিসেবে তুলে ধরেছেন লেখক।
প্রশ্ন-৫. মল্লিকা অবশেষে কেন মুখ খুলল?
উত্তর: সন্ধ্যার স্নিগ্ধ স্বভাবে মুগ্ধ হয়ে মল্লিকা অবশেষে মুখ খোলে।
বিয়ের সম্বন্ধের জন্য ঘটক ভ্রমররাজ মল্লিকার মুখ দেখতে চান। কিন্তু লজ্জাবতী মল্লিকা অবগুণ্ঠন হয়ে থাকে; মুখ দেখায় না। সেই সময় সন্ধ্যাঠাকুরাণী দিদি এসে তাকে ঘোমটা খুলে মুখ দেখাতে অনুনয় করে। শেষ পর্যন্ত সন্ধ্যার মিষ্টি ব্যবহারে মল্লিকা ঘোমটা খুলে তার মুখ দেখায়। ভ্রমররাজ এসে কন্যার মুখ দেখে যান।
বিয়ের সম্বন্ধের জন্য ঘটক ভ্রমররাজ মল্লিকার মুখ দেখতে চান। কিন্তু লজ্জাবতী মল্লিকা অবগুণ্ঠন হয়ে থাকে; মুখ দেখায় না। সেই সময় সন্ধ্যাঠাকুরাণী দিদি এসে তাকে ঘোমটা খুলে মুখ দেখাতে অনুনয় করে। শেষ পর্যন্ত সন্ধ্যার মিষ্টি ব্যবহারে মল্লিকা ঘোমটা খুলে তার মুখ দেখায়। ভ্রমররাজ এসে কন্যার মুখ দেখে যান।
প্রশ্ন-৬. ক্ষুদ্র বৃক্ষটি বিরক্ত হয়েছিলেন কেন?
উত্তর: ঘটক ভ্রমররাজ অগ্রিম পারিশ্রমিক চাওয়ায় ক্ষুদ্র বৃক্ষটি বিরক্ত হয়েছিল।
কন্যাভারগ্রস্ত ক্ষুদ্র বৃক্ষের কন্যা মল্লিকার বিয়ের ঘটকালির দায়িত্ব নেন ভ্রমররাজ। ঘটকালির বিনিময়ে তিনি মধু চাইলে বৃক্ষ পিতা হিসাব অনুযায়ী দিতে রাজি হয়। তবে পাত্র সম্বন্ধে বৃক্ষকে ভ্রমর কোন কথা না বলে অগ্রিম পারিশ্রমিক হিসেবে কিছু মধু পেতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। বৃক্ষটি ভ্রমরের এই আকাঙ্ক্ষা শুনে বিরক্ত হয়েছিলেন।
কন্যাভারগ্রস্ত ক্ষুদ্র বৃক্ষের কন্যা মল্লিকার বিয়ের ঘটকালির দায়িত্ব নেন ভ্রমররাজ। ঘটকালির বিনিময়ে তিনি মধু চাইলে বৃক্ষ পিতা হিসাব অনুযায়ী দিতে রাজি হয়। তবে পাত্র সম্বন্ধে বৃক্ষকে ভ্রমর কোন কথা না বলে অগ্রিম পারিশ্রমিক হিসেবে কিছু মধু পেতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। বৃক্ষটি ভ্রমরের এই আকাঙ্ক্ষা শুনে বিরক্ত হয়েছিলেন।
প্রশ্ন-৭. 'আগে বরের কথা বল- বর কে?'- বৃক্ষ কথাটি কেন বললেন?
উত্তর: পাত্রের ব্যাপারে তথ্য দেওয়ার আগেই ঘটকালির জন্য ভ্রমররাজ অগ্রিম পারিশ্রমিক চাইলে বৃক্ষ প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি করেন।
ভ্রমর ঘটকালির উদ্দেশ্য বৃক্ষের কন্যা মল্লিকাকে দেখতে আসেন। মল্লিকার চেহারা দেখে মুগ্ধ হয়ে ঘটকালির জন্য পারিশ্রমিক চেয়ে বসেন। বৃক্ষও তার পারিশ্রমিক হিসাব অনুযায়ী দিতে চান। তবে ভ্রমর পাত্রের ব্যাপারে বৃক্ষকে কোনো খবর দেওয়ার আগে অগ্রিম পারিশ্রমিক হিসেবে কিছু মধু চান। এতে বৃক্ষ কিছুটা বিরক্ত হয়ে আগে পাত্রের ব্যাপারে তথ্য জানতে চান।
ভ্রমর ঘটকালির উদ্দেশ্য বৃক্ষের কন্যা মল্লিকাকে দেখতে আসেন। মল্লিকার চেহারা দেখে মুগ্ধ হয়ে ঘটকালির জন্য পারিশ্রমিক চেয়ে বসেন। বৃক্ষও তার পারিশ্রমিক হিসাব অনুযায়ী দিতে চান। তবে ভ্রমর পাত্রের ব্যাপারে বৃক্ষকে কোনো খবর দেওয়ার আগে অগ্রিম পারিশ্রমিক হিসেবে কিছু মধু চান। এতে বৃক্ষ কিছুটা বিরক্ত হয়ে আগে পাত্রের ব্যাপারে তথ্য জানতে চান।
প্রশ্ন-৮. 'আমি কেবল দিব্য কর্ণ পাইয়াই এ সকল শুনিতেছিলাম'- বুঝিয়ে লেখো।
উত্তর: উচ্চ মানসিক উপলব্ধি থেকে লেখক ফুল পাখিদের কথা শুনতে পারছিলেন।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 'ফুলের বিবাহ' রচনায় ফুল, পাখি, গাছ, বিভিন্ন প্রাণীর কথা শুনতে পাওয়ার কথা বলেছেন। তিনি আধ্যাত্মিক কল্পনাশক্তির মাধ্যমে রহস্যময় ঘটনা শুনতে ও দেখতে পায়। মল্লিকার বিয়ের সম্বন্ধ নিয়ে ঘটা সমস্ত ঘটনা অন্য মানুষ শুনতে না পেলেও তিনি শুনতে পেরেছিলেন। অতীন্দ্রিয় কল্পনাশক্তির কারণে কমল প্রকৃতির এই সূক্ষ্ম বিষয় শ্রবণ করতে পেরেছিলেন।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 'ফুলের বিবাহ' রচনায় ফুল, পাখি, গাছ, বিভিন্ন প্রাণীর কথা শুনতে পাওয়ার কথা বলেছেন। তিনি আধ্যাত্মিক কল্পনাশক্তির মাধ্যমে রহস্যময় ঘটনা শুনতে ও দেখতে পায়। মল্লিকার বিয়ের সম্বন্ধ নিয়ে ঘটা সমস্ত ঘটনা অন্য মানুষ শুনতে না পেলেও তিনি শুনতে পেরেছিলেন। অতীন্দ্রিয় কল্পনাশক্তির কারণে কমল প্রকৃতির এই সূক্ষ্ম বিষয় শ্রবণ করতে পেরেছিলেন।
প্রশ্ন-৯. কুলাচার্য মহাশয় গোলাপের মহিমা কীর্তন করছিলেন কেন?
উত্তর: মল্লিকা ফুলের পিতাকে মুগ্ধ করার জন্য ঘটক কুলাচার্য মহাশয় পাত্র গোলাপের মহিমা কীর্তন করছিলেন।
গোলাপের সাথে বিয়ের জন্য ঘটক ভ্রমররাজ মল্লিকাকে দেখতে আসেন। মল্লিকার রূপ দেখে পছন্দ হলে ঘটক ঘটকালির জন্য অগ্রিম মধু চেয়ে বসেন বৃক্ষ পিতার কাছে। পাত্র সম্পর্কে বৃক্ষ জানতে চাওয়ায় কুলাচার্য মহাশয় গোলাপের বংশের গৌরব সম্পর্কে বলতে থাকেন। যাতে প্রশংসা করে বৃক্ষ পিতাকে রাজি করিয়ে কিছু মধু অগ্রিম পারিশ্রমিক হিসেবে নিতে পারেন।
গোলাপের সাথে বিয়ের জন্য ঘটক ভ্রমররাজ মল্লিকাকে দেখতে আসেন। মল্লিকার রূপ দেখে পছন্দ হলে ঘটক ঘটকালির জন্য অগ্রিম মধু চেয়ে বসেন বৃক্ষ পিতার কাছে। পাত্র সম্পর্কে বৃক্ষ জানতে চাওয়ায় কুলাচার্য মহাশয় গোলাপের বংশের গৌরব সম্পর্কে বলতে থাকেন। যাতে প্রশংসা করে বৃক্ষ পিতাকে রাজি করিয়ে কিছু মধু অগ্রিম পারিশ্রমিক হিসেবে নিতে পারেন।
প্রশ্ন-১০. গোধূলিলগ্নে সবাই ব্যস্ত হয়ে উঠেছিল কেন?
উত্তর: গোলাপের সাথে বরযাত্রায় যেতে গোধূলিলগ্নে সবাই ব্যস্ত হয়ে উঠেছিল।
ঘটকরাজ মল্লিকা ফুলের সাথে গোলাপের বিয়ের সম্বন্ধ ঠিক করেন। তখন গোলাপের বিয়েতে বরযাত্রী যেতে তার সাথে সবাই ব্যস্ত হয়ে ওঠে। উচ্ছিঙ্গড়া নহবৎ বাজায়, খদ্যোতেরা ঝাড় ধরে, আকাশ তারাবাজি ফোটানো শুরু করে, কোকিল বাঁশি বাজানো শুরু করে। জবাগোষ্ঠী, করবী দল, সেঁজুতি, চাঁপা, গন্ধরাজ, অশোক, পিঁপড়া সবাই বিয়ের বিভিন্ন কাজের দায়িত্ব নিয়ে মেয়ে বাড়ি যাওয়ার জন্য গোধূলিলগ্নে প্রস্তুত হয়ে যায়।
ঘটকরাজ মল্লিকা ফুলের সাথে গোলাপের বিয়ের সম্বন্ধ ঠিক করেন। তখন গোলাপের বিয়েতে বরযাত্রী যেতে তার সাথে সবাই ব্যস্ত হয়ে ওঠে। উচ্ছিঙ্গড়া নহবৎ বাজায়, খদ্যোতেরা ঝাড় ধরে, আকাশ তারাবাজি ফোটানো শুরু করে, কোকিল বাঁশি বাজানো শুরু করে। জবাগোষ্ঠী, করবী দল, সেঁজুতি, চাঁপা, গন্ধরাজ, অশোক, পিঁপড়া সবাই বিয়ের বিভিন্ন কাজের দায়িত্ব নিয়ে মেয়ে বাড়ি যাওয়ার জন্য গোধূলিলগ্নে প্রস্তুত হয়ে যায়।
প্রশ্ন-১১. গোলাপের বরযাত্রায় বনের সবাই কীভাবে যাচ্ছিল?
উত্তর: গোলাপের বরযাত্রায় সবাই মহাসমারোহে বিভিন্ন দায়িত্ব নিয়ে যাচ্ছিল।
গোলাপের বিয়ের বরযাত্রায় যেতে গোধূলিলগ্নে সবাই চলে এসেছিল। উচ্ছিঙ্গড়া ঢাক বাজিয়ে, জোনাকিরা ঝাড় ধরে, কোকিল শিস বাজাতে বাজাতে যাত্রা শুরু করে। জবাগোষ্ঠীর সবাই আসে। করবীরা রাজাদের মতো উঁচু ডালে চড়ে আসে। সেঁজুতি, চাঁপা, গন্ধরাজেরা সেজেগুজে এসে নাচে-গন্ধে সবার মন মাতিয়ে চলছিল। অশোকের সাথে পিঁপড়াও আসে মোসাহেব সেজে বরযাত্রী যেতে।
গোলাপের বিয়ের বরযাত্রায় যেতে গোধূলিলগ্নে সবাই চলে এসেছিল। উচ্ছিঙ্গড়া ঢাক বাজিয়ে, জোনাকিরা ঝাড় ধরে, কোকিল শিস বাজাতে বাজাতে যাত্রা শুরু করে। জবাগোষ্ঠীর সবাই আসে। করবীরা রাজাদের মতো উঁচু ডালে চড়ে আসে। সেঁজুতি, চাঁপা, গন্ধরাজেরা সেজেগুজে এসে নাচে-গন্ধে সবার মন মাতিয়ে চলছিল। অশোকের সাথে পিঁপড়াও আসে মোসাহেব সেজে বরযাত্রী যেতে।
প্রশ্ন-১২. 'বরপক্ষের বড়ো বিপদ'- উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।
উত্তর: বরযাত্রীদের কনেবাড়ি নিয়ে যাওয়ার দায়িত্বে থাকা বাতাসের হঠাৎ খোঁজ না পাওয়ায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি করেছেন কমলকাকা।
মল্লিকার সাথে গোলাপের বিয়ের বরযাত্রী বহন করে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব নিয়েছিল বাতাস। প্রথমদিকে সে অনেক আগ্রহ দেখালেও যাত্রার সময় তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। এই দিকে বরযাত্রীরা তৈরি হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। যথাসময়ে বরযাত্রী না পৌঁছালে মল্লিকাদের সম্মানহানি ঘটতে পারে ভেবে তিনি উক্তিটি করেন। শেষে নিজেই বাহকের দায়িত্ব পালন করে বরপক্ষকে বিপদের হাত থেকে রক্ষা করেন।
মল্লিকার সাথে গোলাপের বিয়ের বরযাত্রী বহন করে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব নিয়েছিল বাতাস। প্রথমদিকে সে অনেক আগ্রহ দেখালেও যাত্রার সময় তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। এই দিকে বরযাত্রীরা তৈরি হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। যথাসময়ে বরযাত্রী না পৌঁছালে মল্লিকাদের সম্মানহানি ঘটতে পারে ভেবে তিনি উক্তিটি করেন। শেষে নিজেই বাহকের দায়িত্ব পালন করে বরপক্ষকে বিপদের হাত থেকে রক্ষা করেন।
প্রশ্ন-১৩. 'সুখের হাসি হাসিতেছে'- কারা এবং কেন ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: মল্লিকার বিয়ের আনন্দে মল্লিকাপুরের কন্যারা, বোনেরা সুখের হাসি হাসছিল।
মল্লিকার জন্য বৃক্ষ পিতা অনেক সম্বন্ধ দেখেছিলেন। তবে পাত্র স্থির করতে পারছিলেন না, শেষ পর্যন্ত গোলাপের সাথে বিয়ে ঠিক হয়। তাই বিয়ের উদ্দেশ্যে বরযাত্রী সেখানে গেলে মল্লিকাপুরে যেন আনন্দের জোয়ার বয়ে যায়। মল্লিকার বিয়েতে সকলে সেজেগুজে এসে আনন্দে সুখের হাসি হাসছিল। ঘোমটা খুলে, পরিমল ছুটিয়ে সুখের হাসি হাসছিল।
মল্লিকার জন্য বৃক্ষ পিতা অনেক সম্বন্ধ দেখেছিলেন। তবে পাত্র স্থির করতে পারছিলেন না, শেষ পর্যন্ত গোলাপের সাথে বিয়ে ঠিক হয়। তাই বিয়ের উদ্দেশ্যে বরযাত্রী সেখানে গেলে মল্লিকাপুরে যেন আনন্দের জোয়ার বয়ে যায়। মল্লিকার বিয়েতে সকলে সেজেগুজে এসে আনন্দে সুখের হাসি হাসছিল। ঘোমটা খুলে, পরিমল ছুটিয়ে সুখের হাসি হাসছিল।
প্রশ্ন-১৪. 'চমক হইলে, দেখিলাম কিছুই নাই'- একথা বলা হয়েছে কেন?
উত্তর: স্বপ্নের জগৎ থেকে বাস্তবতায় ফিরে আসায় কমলকাকা একথা বলেছেন।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'ফুলের বিবাহ' রচনার কমলকাকা গোলাপের সাথে মল্লিকার বিবাহ নিয়ে এক কল্পনাস্রুত ঘোর থেকে ফুলেদের কথা শোনেন। সকলে যা শুনতে পায় না, দেখতে পায় না তা সে শুনতে ও দেখতে পারছিলেন। হাস্যরসাত্মকভাবে তিনি এই অবাস্তব ঘটনা দেখছিলেন। কিন্তু কুসুমলতা তাকে ডাকতেই তিনি ঘোর থেকে বের হয়ে যান। তখন আর কিছু দেখতে না পাওয়ায় চমকে যান।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'ফুলের বিবাহ' রচনার কমলকাকা গোলাপের সাথে মল্লিকার বিবাহ নিয়ে এক কল্পনাস্রুত ঘোর থেকে ফুলেদের কথা শোনেন। সকলে যা শুনতে পায় না, দেখতে পায় না তা সে শুনতে ও দেখতে পারছিলেন। হাস্যরসাত্মকভাবে তিনি এই অবাস্তব ঘটনা দেখছিলেন। কিন্তু কুসুমলতা তাকে ডাকতেই তিনি ঘোর থেকে বের হয়ে যান। তখন আর কিছু দেখতে না পাওয়ায় চমকে যান।
প্রশ্ন-১৫. 'মনে করিলাম সংসার অনিত্যই বটে- এই আছে এই নাই।'- বুঝিয়ে লেখো।
উত্তর: জীবন ও বাস্তবতার গভীর উপলব্ধি থেকে কমলকাকা প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি করেছেন।
'ফুলের বিবাহ' গল্পের কমলকাকা ফুলসহ অন্য প্রাণীদের কথা শুনতে পারছিলেন। ফুলের বিবাহ ছিল তার কল্পনার ভাবনার প্রতিফলন। অবাস্তব জগতে চলে গিয়েছিলেন বিয়ের আয়োজনের মধ্যে দিয়ে। তবে কুসুমলতার ডাকে বাস্তবে ফিরে এসে আর কিছুই দেখতে ও শুনতে পান না। এই আকস্মিক পরিবর্তনের ফলে তার কাছে মনে হয় সংসার জীবন ক্ষণস্থায়ী। এক মুহূর্তে যা আছে পরে তা হারিয়ে যেতে পারে। মানুষের অলীক কল্পনাকে উপলব্ধি করা হয়েছে হাস্যরসের মাধ্যমে।
'ফুলের বিবাহ' গল্পের কমলকাকা ফুলসহ অন্য প্রাণীদের কথা শুনতে পারছিলেন। ফুলের বিবাহ ছিল তার কল্পনার ভাবনার প্রতিফলন। অবাস্তব জগতে চলে গিয়েছিলেন বিয়ের আয়োজনের মধ্যে দিয়ে। তবে কুসুমলতার ডাকে বাস্তবে ফিরে এসে আর কিছুই দেখতে ও শুনতে পান না। এই আকস্মিক পরিবর্তনের ফলে তার কাছে মনে হয় সংসার জীবন ক্ষণস্থায়ী। এক মুহূর্তে যা আছে পরে তা হারিয়ে যেতে পারে। মানুষের অলীক কল্পনাকে উপলব্ধি করা হয়েছে হাস্যরসের মাধ্যমে।
প্রশ্ন-১৬. 'ফুলের বিবাহ' রচনাটির মধ্য দিয়ে কী প্রস্ফুটিত হয়েছে?
উত্তর: 'ফুলের বিবাহ' রচনাটির মধ্য দিয়ে সমাজের বিভিন্ন বিষয়, অসঙ্গতি, ফুলের ধরন হাস্যরসের মাধ্যমে প্রস্ফুটিত হয়েছে।
এই রচনার মধ্য দিয়ে বাঙালি সমাজে বিয়ের সময় পাত্রী নির্বাচন, সামাজিক আলোচনা ও আনুষ্ঠানিকতার ব্যঙ্গাত্মক চিত্র পরোক্ষভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন ফুলের নাম, ফুলগুলোর গন্ধের তারতম্য, বর্ণ, ফোটার সময়সহ বিভিন্ন বিষয় ফুটে উঠেছে। অলীক কল্পনায় মানুষের ভাবনা কতটা বিশাল ও বিস্তৃতি হতে পারে তা পর্যবেক্ষণশীল দৃষ্টিতে ফুটে ওঠে ফুলের বিবাহ আয়োজনে। ফুল তুলে মিলিয়ে সুতায় গাঁথার এই সামান্য বিষয়টি অসামান্য হয়ে ওঠে 'ফুলের বিবাহ' রচনায়।
এই রচনার মধ্য দিয়ে বাঙালি সমাজে বিয়ের সময় পাত্রী নির্বাচন, সামাজিক আলোচনা ও আনুষ্ঠানিকতার ব্যঙ্গাত্মক চিত্র পরোক্ষভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন ফুলের নাম, ফুলগুলোর গন্ধের তারতম্য, বর্ণ, ফোটার সময়সহ বিভিন্ন বিষয় ফুটে উঠেছে। অলীক কল্পনায় মানুষের ভাবনা কতটা বিশাল ও বিস্তৃতি হতে পারে তা পর্যবেক্ষণশীল দৃষ্টিতে ফুটে ওঠে ফুলের বিবাহ আয়োজনে। ফুল তুলে মিলিয়ে সুতায় গাঁথার এই সামান্য বিষয়টি অসামান্য হয়ে ওঠে 'ফুলের বিবাহ' রচনায়।

0 Comments