প্রত্যুপকার
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর [১৮২০-১৮৯১]
'প্রত্যুপকার' গল্পটি খলিফা মামুনের একজন প্রিয়পাত্র আলী ইবনে আব্বাস নামক এক ব্যক্তির প্রতি-উপকারের কাহিনি। বহুকাল পূর্বে দামেস্কের জনৈক শাসনকর্তা পদচ্যুত হন। নতুন শাসনকর্তার সাহচর্যে গিয়েছিলেন আলী ইবনে আব্বাস। পদচ্যুত শাসনকর্তা তাঁদের উপর আক্রমণ করলে আলী ইবনে আব্বাস দামেস্কের স্থানীয় একজন সম্ভ্রান্ত ব্যক্তির কাছে আশ্রয়লাভ করে জীবন রক্ষা করেন। পরবর্তীকালে আলী ইবনে আব্বাসের সেই আশ্রয়দাতা খলিফা মামুনের সেনাদের হাতে বন্দি হন। খলিফার নির্দেশে আলী ইবনে আব্বাসের বাড়িতে তাঁকে বন্দি করে রাখা হয়। আলী ইবনে আব্বাস বন্দি ব্যক্তির পরিচয় জানতে পেরে উপকারীর উপকারের জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করেন। তাঁকে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিলেও আলী ইবনে আব্বাসের প্রাণনাশের আশঙ্কায় তিনি রাজি হননি। এরপর আলী ইবনে আব্বাস খলিফার কাছে তাঁর মুক্তির জন্য সুপারিশ করেন। আলী ইবনে আব্বাসের মুখে বন্দি ব্যক্তির উদারতার কথা শুনে খলিফা আল মামুন তাঁকে মুক্ত করে দিয়ে পুরস্কৃত করেন।
■ অধ্যায়টির শিখনফল
| শিখনফল | বোর্ড ও সাল | প্রশ্ন নম্বর |
|---|---|---|
| ★★ ১. নিঃস্বার্থ পরোপকারের স্বরূপ | - | ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২ |
| ★ ২. উপকারীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের স্বরূপ | - | ১, ১৩, ১৪ |
| ৩. উপকারীর উপকার করার স্বরূপ | - | ৪, ১৩ |
| ★★ ৪. মানবিক ও নৈতিক মূল্যবোধের স্বরূপ | - | ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২ |
| ৫. অন্যায়, অসত্য ও দুর্নীতিবিরোধী মানসিকতার ধারণা | - | ১ |
| ৬. সৌজন্য, সদাচার ও ন্যায়পরায়ণতার স্বরূপ | - | ১৪ |
● পাঠ বিশ্লেষণ | পৃষ্ঠা ৬
✓ পাঠ সহায়ক বিষয়বস্তু | পৃষ্ঠা ৬
✓ কুইজের উত্তরমালা | পৃষ্ঠা ৯
● সৃজনশীল বহুনির্বাচনি প্রশ্ন | পৃষ্ঠা ১০
✓ অনুশীলনীর প্রশ্ন ✓ মাস্টার ট্রেইনার প্রণীত প্রশ্ন
● জ্ঞান ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন | পৃষ্ঠা ১৮
● সৃজনশীল রচনামূলক প্রশ্ন | পৃষ্ঠা ২৩
✓ অনুশীলনীর প্রশ্ন ✓ মাস্টার ট্রেইনার প্রণীত প্রশ্ন
● নিজেকে যাচাই করি | পৃষ্ঠা ৩৫
✓ প্রশ্নব্যাংক | পৃষ্ঠা ৩৫
● অধ্যায়ভিত্তিক মডেল টেস্ট | পৃষ্ঠা ৩৭
✓ সৃজনশীল বহুনির্বাচনি অভীক্ষা | পৃষ্ঠা ৩৭
✓ সৃজনশীল রচনামূলক অভীক্ষা | পৃষ্ঠা ৩৮
অ্যানালাইসিস অংশ: পাঠ বিশ্লেষণ
■ কঠিন শব্দের অর্থ ও ব্যাখ্যা
|
অপরাহ্নে — বিকেলে ক্রুদ্ধ — রাগান্বিত শুভদৃষ্টি — সুনজর, কল্যাণকর দৃষ্টি অধিষ্ঠিত — অবস্থিত, উপস্থিত পদচ্যুত — পদ থেকে অপসারিত, কর্মচ্যুত আক্রমণ — অধিকার প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে কোনো দেশের উপর হামলা প্রবিষ্ট — প্রবেশ করেছে এমন উৎকৃষ্ট — উত্তম, শ্রেষ্ঠ কৃতজ্ঞতা — উপকারীর উপকার করার প্রবণতা দুরাচার — কদাচার দুরাত্মা — অত্যাচারী, নির্দয় |
অবিলম্বে — তাড়াতাড়ি, দেরি না করে সম্ভাষণ — আলাপ, কথাবার্তা মনস্কাম — মনের বাসনা, ইচ্ছা অশ্রুপূর্ণ — চোখের জলে ভরা তজ্জন্য — সে কারণে, সেজন্য গোচর — অবগতি প্রজ্বলিত — বিশেষভাবে জ্বলন, প্রদীपन প্রাণদণ্ড — অপরাধীকে প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ডের আদেশ কৃপা — করুণা, অনুগ্রহ উদ্ধত — গর্বিত সদ্বিবেচক — উত্তম বিবেচনাকারী দুষিত — বিষণ্ণ সাতিশয় — খুব বেশি |
■ বানান সতর্কতা
▶ পাঠ্য গল্পের বানান সতর্কতা: প্রত্যুপকার, ঈশ্বরচন্দ্র, অপরাহ্নে, তজ্জন্য, সম্মুখ, ক্রুদ্ধ, স্পষ্ট, সম্ভাষণ, সম্ভ্রান্ত, উৎকৃষ্ট, আহ্লাদিত, মর্মান্তিক, অবরুদ্ধ, দুরাত্মা, অশ্ব, উষ্ট্র, প্রসন্ন, মৌনাবলম্বন, কৃতজ্ঞতা।▶ পাঠ সহায়ক বানান সতর্কতা: আখ্যানমঞ্জরী, সংস্কৃত, পাণ্ডিত্য, সুশৃঙ্খল, পঞ্চবিংশতি, শকুন্তলা, ভ্রান্তিবিলাস, আজ্ঞা, শুভদৃষ্টি, আরম্ভ, অধিষ্ঠিত, প্রবিষ্ট, সুসজ্জিত, পৃষ্ঠে, আশ্রয়দাতা, নিরীক্ষণ, অশ্রুপূর্ণ, আলিঙ্গন, লৌহশৃঙ্খল, দুর্ঘটনাক্রমে, ব্যাঘ্র, অবরুদ্ধ, মুহূর্ত, স্নেহাস্পদ, মর্মান্তিক, জিজ্ঞাসা, প্রজ্বলিত, সত্বর, প্রীতি-প্রফুল্ললোচনে, সম্ভাষণ, প্রীতিপ্রাপ্ত, খচ্চর, দামাস্কাস।
■ লেখক-সম্পর্কিত তথ্য
| মূল নাম | ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় |
| জন্ম | ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে ১৮২০ সালের ২৬শে সেপ্টেম্বর। |
| শিক্ষা | তিনি কলকাতা সংস্কৃত কলেজের ছাত্র ছিলেন। তিনি প্রথমে সংস্কৃত ও পরে ইংরেজি ভাষায় পাণ্ডিত্য অর্জন করেন। |
| বিবিধ পরিচয় | ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর একাধারে পণ্ডিত, শিক্ষাবিদ, সমাজ-সংস্কারক ও খ্যাতনামা লেখক হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছিলেন। |
| সাহিত্যিক পরিচয় | বাংলা গদ্য সাহিত্যে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের পদচারণা ছিল বিস্ময়কর। সুশৃঙ্খল পদবিন্যাস, যথাযথভাবে যতিচিহ্ন প্রয়োগ এবং সাহিত্যিক গদ্য রচনার জন্য তাঁকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়। |
| উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ | বাংলা বর্ণমালাকে নতুন বিন্যাসে সাজিয়ে ১৮৫৫ সালে বিদ্যাসাগর প্রকাশ করেন শিশুপাঠ্য বই 'বর্ণপরিচয়'। তাঁর রচিত অন্যান্য বই 'বেতাল পঞ্চবিংশতি', 'ব্যাকরণ কৌমুদী', 'শকুন্তলা', 'সীতার বনবাস', 'ভ্রান্তিবিলাস' ইত্যাদি। |
| সমাজসংস্কার-বিষয়ক গ্রন্থ | 'বিধবা বিবাহ প্রচলিত হওয়া উচিত কি না এতদ্বিষয়ক প্রস্তাব', 'বহুবিবাহ রহিত হওয়া উচিত কি না এতদ্বিষয়ক প্রস্তাব' ইত্যাদি। |
| উপাধি | বিদ্যাসাগর (সংস্কৃত কলেজ থেকে দেওয়া হয়), দয়ার সাগর (দানশীলতার স্বীকৃতি), বাংলা গদ্যের জনক। |
| মৃত্যু | ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮৯১ সালের ২৯ শে জুলাই মৃত্যুবরণ করেন। |
কুইজ-১
১. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বংশীয় পদবি কী?২. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মেদিনীপুর জেলার কোন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন?
৩. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত ভাষা ব্যতীত অন্য কোন ভাষায় পাণ্ডিত্য অর্জন করেন?
৪. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?
৫. বাংলা গদ্যের সুশৃঙ্খল পদবিন্যাসের জন্য যতিচিহ্নের প্রয়োগ ঘটান কে?
৬. যতিচিহ্নের সফল প্রয়োগ ও সাহিত্যিক গদ্য সৃষ্টির জন্য ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে কী নামে অভিহিত করা হয়?
৭. বাংলা বর্ণমালাকে নতুন বিন্যাসে সাজিয়ে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কোন শিশুপাঠ্য বইটি প্রকাশ করেন?
৮. সংস্কৃত কলেজ থেকে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে কোন উপাধি দেওয়া হয়েছে?
■ গল্প বিশ্লেষণ
- ক. উৎস পরিচিতি: 'প্রত্যুপকার' গল্পটি 'আখ্যানমঞ্জরী' দ্বিতীয় ভাগ থেকে সংকলন করা হয়েছে।
- খ. পাঠের উদ্দেশ্য: শিক্ষার্থীদের মনে নিঃস্বার্থ উপকার ও উপকারীর প্রতি উপকার করার মানসিকতা জাগিয়ে তোলা।
- গ. গল্পের মূলবক্তব্য: উপকারীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধাবোধ, দায়বদ্ধতা ও প্রাণপণ চেষ্টা করে উপকারীর উপকার করার বিষয়টি সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে গল্পটিতে।
- ঘ. গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র: আলী ইবনে আব্বাস, গৃহস্বামী (আশ্রয়দাতা), খলিফা আল মামুন।
- ঙ. নামকরণ: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত 'প্রত্যুপকার' গল্পটির নামকরণ করা হয় উপকারীর উপকার করার দিকটি বিবেচনা করে।
- চ. রূপশ্রেণি: এটি ইতিহাস আশ্রিত গল্প।
- ছ. ভাষা: গল্পটি সাধু ভাষায় রচিত।
কুইজ-২
১. 'প্রত্যুপকার' রচনাটি কোন গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?২. 'প্রত্যুপকার' গল্পটি কাদের মনে উপকারীর উপকার করার মানসিকতা জাগিয়ে তুলবে?
৩. 'প্রত্যুপকার' গল্পটিতে কার প্রতি গভীর শ্রদ্ধাবোধ ও দায়বদ্ধতা ফুটে উঠেছে?
৪. কার আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আশ্রয় গ্রহণ করেন আলী ইবনে আব্বাস?
৫. আলী ইবনে আব্বাস আশ্রয়দাতার গৃহে কত দিন ছিলেন?
৬. আলী ইবনে আব্বাসের স্বদেশ কোথায় ছিল?
৭. আলী ইবনে আব্বাস কার প্রিয় পাত্র ছিলেন?
৮. কোন ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও আলী ইবনে আব্বাস বন্দির মুক্তির কথা বলেন?
■ চরিত্র বিশ্লেষণ
- আলী ইবনে আব্বাস: আলী ইবনে আব্বাস 'প্রত্যুপকার' গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র। তিনি বাগদাদের খলিফা আল মামুনের প্রিয়পাত্র ছিলেন। তিনি নিঃস্বার্থ পরোপকারী এবং কৃতজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তি।
- খলিফা আল মামুন: 'প্রত্যুপকার' গল্পের অন্যতম একটি চরিত্র খলিফা আল মামুন। তাঁর পূর্ণ নাম আবুল আব্বাস আবদুল্লাহ আল মামুন। তিনি ছিলেন সপ্তম আব্বাসীয় খলিফা এবং খলিফা হারুনর রশীদের দ্বিতীয় পুত্র। তিনি মহামতি ও অতি উন্নতচিত্ত পুরুষ ছিলেন।
- গৃহ স্বামী/আশ্রয়দাতা: 'প্রত্যুপকার' গল্পের একটি উল্লেখযোগ্য চরিত্র হলেন আলী ইবনে আব্বাসের আশ্রয়দাতা। তাঁর জন্মস্থান দামেস্কে। তিনি বিপন্নকে আশ্রয় দেন এবং নিঃস্বার্থ উপকারের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।
কুইজ-৩
১. 'প্রত্যুপকার' গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র কে?২. 'প্রত্যুপকার' গল্পে কার চরিত্রে প্রত্যুপকারের দিক উন্মোচিত হয়েছে?
৩. কে প্রাণভয়ে স্থানীয় এক সম্ভ্রান্তলোকের বাড়িতে আশ্রয় লাভ করেন?
৪. কে মহামতি ও অতি উন্নতচিত্ত পুরুষ ছিলেন?
৫. আলী ইবনে আব্বাস তাঁর মনের আশা পূরণ করার জন্য কার উপকার করেন?
৬. কে সপ্তম আব্বাসীয় খলিফা এবং খলিফা হারুনর রশীদের দ্বিতীয় পুত্র ছিলেন?
৭. গৃহস্বামী বা আশ্রয়দাতার জন্মস্থান কোথায়?
৮. নিঃস্বার্থ পরোপকারী ব্যক্তি ছিলেন কে?
■ জটিল প্রসঙ্গের ব্যাখ্যা
১. আপনি কৃপা করিয়া আমার প্রাণ রক্ষা করুন।
বহু বছর পূর্বে দামেস্কের শাসনকর্তা পদচ্যুত হলে সেখানকার নতুন শাসনকর্তার সাহচর্যে গিয়েছিলেন আলী ইবনে আব্বাস। সেখানে পদচ্যুত শাসনকর্তা সৈন্যদের নিয়ে তাঁদের উপর আক্রমণ চালালে আলী ইবনে আব্বাস প্রাণভয়ে পালিয়ে গিয়ে এক সম্ভ্রান্ত ব্যক্তির বাড়িতে প্রবেশ করে গৃহস্বামীর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করেন।
২. লজ্জাবশত তাহার নিকট আমি সে কথা ব্যক্ত করিতে পারিলাম না।
আলী ইবনে আব্বাস দামেস্কের পদচ্যুত শাসকের সৈন্যদল কর্তৃক আক্রমণের শিকার হলে প্রাণভয়ে স্থানীয় এক সম্ভ্রান্ত লোকের বাড়িতে আশ্রয় গ্রহণ করেন। নিজের দেশ বাগদাদে ফিরে যাওয়ার মতো অর্থ তাঁর কাছে ছিল না। তাই তিনি লজ্জায় চুপ করে রইলেন।
৩. তাহা হইলে মৃত্যুকালে আমার কোনো ক্ষোভ থাকে না।
আলী ইবনে আব্বাস বন্দি ব্যক্তির পরিচয় জানার পর দেখেন তিনি তাঁরই এক সময়ের প্রাণ রক্ষাকারী আশ্রয়দাতা। তখন আলী ইবনে আব্বাস বন্দির বিষয়ে সব সত্য কথা খুলে বললে খলিফা মামুন বন্দিকে প্রাণদণ্ড হতে অব্যাহতি দেন।
কুইজ-৪
১. কার কাছে বাগদাদে ফিরে যাওয়ার মতো অর্থ ছিল না?২. কে আলী ইবনে আব্বাসের যাওয়ার জন্য সমস্ত উদ্যোগ গ্রহণ করে রেখেছিলেন?
৩. আলী ইবনে আব্বাস দুঃখ প্রকাশ করে কাকে তাঁর দয়াময় আশ্রয়দাতার কথা বলেছিলেন?
৪. একদিন বিকেলে আলী ইবনে আব্বাস কার সাথে বসে ছিলেন?
৫. আলী ইবনে আব্বাস কার জন্য খলিফা মামুনের কাছে সুপারিশ করেন?
৬. কার সৈন্যদল কর্তৃক এক ব্যক্তি বন্দি হয়?
৭. আলী ইবনে আব্বাস বন্দি ব্যক্তির সাথে কথা বলার সময় কার প্রশংসা করেন?
৮. আশ্রয়দাতার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রদর্শনের সুযোগ পেলে মৃত্যুর সময় কার কোনো ক্ষোভ থাকবে না?
■ কুইজের উত্তরমালা
| কুইজ-১ | ১। বন্দ্যোপাধ্যায়; ২। বীরসিংহ; ৩। ইংরেজি; ৪। ১৮৯১ সালে; ৫। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর; ৬। বাংলা গদ্যের জনক; ৭। বর্ণপরিচয়; ৮। বিদ্যাসাগর |
| কুইজ-২ | ১। 'আখ্যানমঞ্জরী' দ্বিতীয় ভাগ; ২। শিক্ষার্থীদের; ৩। উপকারীর প্রতি; ৪। পদচ্যুত সৈন্যদের; ৫। এক মাস; ৬। বাগদাদে; ৭। খলিফা মামুনের; ৮। মৃত্যু ঝুঁকি |
| কুইজ-৩ | ১। আলী ইবনে আব্বাস; ২। আলী ইবনে আব্বাসের; ৩। আলী ইবনে আব্বাস; ৪। খলিফা মামুন; ৫। উপকারীর; ৬। খলিফা মামুন; ৭। দামেস্কে; ৮। গৃহস্বামী |
| কুইজ-৪ | ১। আলী ইবনে আব্বাসের; ২। আশ্রয়দাতা; ৩। বন্দি ব্যক্তিকে; ৪। খলিফা মামুনের; ৫। তাঁর আশ্রয়দাতার; ৬। খলিফা মামুনের; ৭। তাঁর আশ্রয়দাতার; ৮। আলী ইবনে আব্বাসের |

0 Comments