প্রশ্ন ১
মৌরী একদিন বাবার কাছে বায়না ধরে বোটানিক্যাল গার্ডেনে বেড়াতে যাবে। বাবা একদিন তাকে নিয়ে বেড়াতে গেলে সে ভীষণ খুশি হয়। নানা জাতের ফুল-ফলের গাছের সমারোহ দেখে অভিভূত হয়ে যায়। দীর্ঘদিন সে যেসব ফুল-ফলের নাম শুনেছে সেগুলো আজ নিজ চোখে দেখে খুবই আনন্দিত হয়। অবশেষে সিদ্ধান্ত নেয়— বাড়ির আঙিনায় ছোট্ট একটা বাগান করবে।
- ক. 'ফুলের বিবাহ' গল্পে কে ঘটকের দায়িত্ব পালন করে?
- খ. ক্ষুদ্র বৃক্ষটি কেন বিরক্ত হয়েছিল?
- গ. উদ্দীপকের মৌরীর ভালোলাগার বিষয়ের সঙ্গে 'ফুলের বিবাহ' গল্পের সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা করো।
- ঘ. "মৌরীর মাঝে সৃষ্ট প্রতিক্রিয়াই যেন 'ফুলের বিবাহ' গল্পের মূল চেতনা।" — যুক্তিসহ বুঝিয়ে লেখো।
১ নম্বর প্রশ্নের উত্তর
ক. 'ফুলের বিবাহ' গল্পে ভ্রমররাজ ঘটকের দায়িত্ব পালন করেন।
খ. ভ্রমররাজ অগ্রিম পারিশ্রমিক চাওয়ায় ক্ষুদ্র বৃক্ষটি বিরক্ত হয়েছিল।
কন্যাভারগ্রস্ত ক্ষুদ্র বৃক্ষটির কন্যার বিয়ের ঘটকালির দায়িত্ব নিয়েছিলেন ভ্রমররাজ। ঘটকালির বিনিময়ে ভ্রমররাজ ক্ষুদ্র বৃক্ষটির নিকট আগাম মধু চেয়েছিলেন। ঘটকালি শুরুর পূর্বেই ভ্রমররাজের পারিশ্রমিক চাওয়ার বিষয়টি ক্ষুদ্র বৃক্ষ ইতিবাচক হিসেবে নেয়নি।
কন্যাভারগ্রস্ত ক্ষুদ্র বৃক্ষটির কন্যার বিয়ের ঘটকালির দায়িত্ব নিয়েছিলেন ভ্রমররাজ। ঘটকালির বিনিময়ে ভ্রমররাজ ক্ষুদ্র বৃক্ষটির নিকট আগাম মধু চেয়েছিলেন। ঘটকালি শুরুর পূর্বেই ভ্রমররাজের পারিশ্রমিক চাওয়ার বিষয়টি ক্ষুদ্র বৃক্ষ ইতিবাচক হিসেবে নেয়নি।
উত্তরের সারবস্তু: অগ্রিম পারিশ্রমিক চাওয়ায় ভ্রমরের উপর ক্ষুদ্র বৃক্ষটি বিরক্ত হয়েছিল।
গ. ফুল ভালো লাগার দিকটিই 'ফুলের বিবাহ' গল্পের সাথে উদ্দীপকের সাদৃশ্য স্থাপন করে।
'ফুলের বিবাহ' গল্পে কমলাকান্ত কল্পনায় ফুলের বিবাহ দেখেছিলেন। তার কল্পনায় নানা রকম ফুল এসেছে। সেই ফুলগুলোর নাম, গন্ধের তারতম্য, বর্ণের রকমফের বর্ণনা ফুল ভালো লাগার দিকটিকেই সুস্পষ্টভাবে প্রকাশ করে। উদ্দীপকের মৌরী বাবার সাথে বোটানিক্যাল গার্ডেনে গিয়ে রংবেরঙের নানাজাতের ফুল দেখে অভিভূত হয়ে পড়ে।
'ফুলের বিবাহ' গল্পে কমলাকান্ত কল্পনায় ফুলের বিবাহ দেখেছিলেন। তার কল্পনায় নানা রকম ফুল এসেছে। সেই ফুলগুলোর নাম, গন্ধের তারতম্য, বর্ণের রকমফের বর্ণনা ফুল ভালো লাগার দিকটিকেই সুস্পষ্টভাবে প্রকাশ করে। উদ্দীপকের মৌরী বাবার সাথে বোটানিক্যাল গার্ডেনে গিয়ে রংবেরঙের নানাজাতের ফুল দেখে অভিভূত হয়ে পড়ে।
উত্তরের সারবস্তু: ফুল ভালো লাগার বিষয়টি উদ্দীপক ও আলোচ্য গল্পকে সাদৃশ্যপূর্ণ করে তুলেছে।
ঘ. উদ্দীপকের মৌরীর মাঝে ফুলের প্রতি কৌতূহল ও ভালোবাসা সৃষ্টি হওয়ায় বলা যায় যে, তার প্রতিক্রিয়া আলোচ্য গল্পের কাঙ্ক্ষিত মূল চেতনা।
আলোচ্য গল্পটি প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য ফুলের প্রতি মানুষের কৌতূহলী ও পর্যবেক্ষণমূলক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করতে সক্ষম। উদ্দীপকের মৌরীও বোটানিক্যাল গার্ডেনে গিয়ে নানা ধরনের ফুল দেখে মুগ্ধ হয়। তার মাঝেও ফুলের প্রতি তথা সৌন্দর্যের প্রতি মুগ্ধতার চেতনা সৃষ্টি হয়। তাই সে বাগান করার সিদ্ধান্ত নেয়।
আলোচ্য গল্পটি প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য ফুলের প্রতি মানুষের কৌতূহলী ও পর্যবেক্ষণমূলক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করতে সক্ষম। উদ্দীপকের মৌরীও বোটানিক্যাল গার্ডেনে গিয়ে নানা ধরনের ফুল দেখে মুগ্ধ হয়। তার মাঝেও ফুলের প্রতি তথা সৌন্দর্যের প্রতি মুগ্ধতার চেতনা সৃষ্টি হয়। তাই সে বাগান করার সিদ্ধান্ত নেয়।
উত্তরের সারবস্তু: মৌরীর মাঝে সৃষ্ট প্রতিক্রিয়া অর্থাৎ ফুলের প্রতি কৌতূহল ও ভালোবাসা সৃষ্টি হওয়ার দিকটিই যেন আলোচ্য গল্পের মূল চেতনা।
প্রশ্ন ২
সুন্দর সাজানো-গোছানো বাগানে খেলা করছে প্রজাপতির দল। চারদিকে বিচিত্র রকমের দেশি-বিদেশি ফুল, ফল ও ঔষধি গাছ। কেউ কেউ একটু থেমে গিয়ে দুই চোখ ভরে সৌন্দর্য উপভোগ করছেন, কেউবা আবার মুঠোফোনে বাগানের সৌন্দর্য ফ্রেমবন্দি করছেন। এমনই নান্দনিক দৃশ্য চোখে পড়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ প্রাঙ্গণে।
- ক. 'খদ্যোত' শব্দের অর্থ কী?
- খ. গোলাপের গৌরব অধিক কেন?
- গ. উদ্দীপকের সাথে 'ফুলের বিবাহ' রচনার সাদৃশ্য বর্ণনা করো।
- ঘ. উদ্দীপকটি কি 'ফুলের বিবাহ' রচনার মূল চেতনা ধারণ করে? উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।
২ নম্বর প্রশ্নের উত্তর
ক. 'খদ্যোত' শব্দের অর্থ জোনাকি পোকা।
খ. গোলাপ সাক্ষাৎ বাঞ্ছামালির সন্তান বলে তার গৌরব অধিক।
কুলীন বংশের হওয়ার কারণে গোলাপের গৌরবের শেষ নেই। কারণ গোলাপ 'ফুলে' মেল। বলতে গেলে সকল ফুলই ফুলে, তবুও গোলাপের অধিক গৌরব রয়েছে।
কুলীন বংশের হওয়ার কারণে গোলাপের গৌরবের শেষ নেই। কারণ গোলাপ 'ফুলে' মেল। বলতে গেলে সকল ফুলই ফুলে, তবুও গোলাপের অধিক গৌরব রয়েছে।
উত্তরের সারবস্তু: গোলাপ কুলীন বংশের হওয়ায় তার গৌরব বেশি।
গ. ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করার দিক থেকে উদ্দীপক এবং 'ফুলের বিবাহ' রচনাটি সাদৃশ্যপূর্ণ।
'ফুলের বিবাহ' রচনার কমলাকান্ত নসী বাবুর ফুল বাগানে বসে ফুলের সৌন্দর্য অন্তর দিয়ে উপলব্ধির প্রয়াস চালিয়েছেন। উদ্দীপকেও দেখা যায় সুন্দর সাজানো-গোছানো বাগানে খেলা করছে প্রজাপতির দল।
'ফুলের বিবাহ' রচনার কমলাকান্ত নসী বাবুর ফুল বাগানে বসে ফুলের সৌন্দর্য অন্তর দিয়ে উপলব্ধির প্রয়াস চালিয়েছেন। উদ্দীপকেও দেখা যায় সুন্দর সাজানো-গোছানো বাগানে খেলা করছে প্রজাপতির দল।
উত্তরের সারবস্তু: ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করার দিক থেকে উদ্দীপক এবং 'ফুলের বিবাহ' রচনাটি সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ. উদ্দীপকটিতে কৌতূহলী ও পর্যবেক্ষণশীল দৃষ্টিভঙ্গি এবং বিবাহের প্রসঙ্গ না থাকায় তা 'ফুলের বিবাহ' রচনার মূল চেতনা ধারণ করে না।
'ফুলের বিবাহ' রচনায় প্রথমে ফুলের সৌন্দর্য ও বিবাহের বর্ণনা করা হলেও শেষ পর্যায়ে এসে সবকিছুর অন্তিম পরিণতি ধ্বংস এই উপলব্ধির মাধ্যমে রচনার ইতি টানা হয়। কিন্তু উদ্দীপকে শুধু ফুলের সৌন্দর্যের প্রশংসা থাকলেও শেষ পরিণতির কথা উল্লেখ না থাকায় উদ্দীপকটি মূল চেতনা ধারণ করে না।
'ফুলের বিবাহ' রচনায় প্রথমে ফুলের সৌন্দর্য ও বিবাহের বর্ণনা করা হলেও শেষ পর্যায়ে এসে সবকিছুর অন্তিম পরিণতি ধ্বংস এই উপলব্ধির মাধ্যমে রচনার ইতি টানা হয়। কিন্তু উদ্দীপকে শুধু ফুলের সৌন্দর্যের প্রশংসা থাকলেও শেষ পরিণতির কথা উল্লেখ না থাকায় উদ্দীপকটি মূল চেতনা ধারণ করে না।
উত্তরের সারবস্তু: কৌতূহলী ও পর্যবেক্ষণশীল দৃষ্টিভঙ্গি এবং বিবাহের প্রসঙ্গ না থাকায় তা আলোচ্য রচনার মূল চেতনা ধারণ করে না।
প্রশ্ন ৩
কাশেম মণ্ডল তার ছেলে সবুজকে বাগানের আয়োজন করতে দেখে তেলে-বেগুনে জ্বলে উঠলেন। 'ভাত জোটে না, আবার ফুলবাগান' এরূপ নানা বাক্যবাণে জর্জরিত করলেন ছেলেকে। তারপরও সবুজ তার বাগানটাকে ধীরে ধীরে সমৃদ্ধ করতে থাকল। নানারকম ফুলের সমারোহে সেই বাগানটা এক সময় ভরে উঠল। কাশেম মণ্ডলও তখন বাগানের সৌন্দর্য দেখে অপলক চোখে সেদিকে তাকিয়ে থাকেন। একদিন ছেলেকে কাছে ডেকে নিয়ে তিনি বলেন— 'বাবারে, বাগানটা করে তুই ভালোই করেছিস।'
- ক. নেশায় লাল হয়ে উপস্থিত হলো কে?
- খ. কুলাচার্য মহাশয় গোলাপের মহিমা কীর্তন করেছিলেন কেন?
- গ. উদ্দীপকের সাথে 'ফুলের বিবাহ' রচনার সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা করো।
- ঘ. উদ্দীপকটি 'ফুলের বিবাহ' রচনার সমগ্র ভাব ধারণ করে কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
৩ নম্বর প্রশ্নের উত্তর
ক. নেশায় লাল হয়ে উপস্থিত হলো অশোক।
খ. কন্যাকর্তাকে মুগ্ধ করে নিজের কার্যসিদ্ধির জন্য কুলাচার্য মহাশয় গোলাপের মহিমা কীর্তন করেছিলেন।
ঘটকরাজ অগ্রিম হিসেবে নগদ কিছু চাওয়ায় কন্যাকর্তা বিরক্ত হয়ে তার আগে বরের পরিচয় জানতে চান। ঘটকরাজ তখন বরকে অতি সুপাত্র ও গুণী বলে উল্লেখ করে তার মহিমা কীর্তন শুরু করেন।
ঘটকরাজ অগ্রিম হিসেবে নগদ কিছু চাওয়ায় কন্যাকর্তা বিরক্ত হয়ে তার আগে বরের পরিচয় জানতে চান। ঘটকরাজ তখন বরকে অতি সুপাত্র ও গুণী বলে উল্লেখ করে তার মহিমা কীর্তন শুরু করেন।
উত্তরের সারবস্তু: 'ফুলের বিবাহ' রচনায় কন্যাকর্তাকে মুগ্ধ করে নিজের কার্যসিদ্ধির জন্যই কুলাচার্য মহাশয় গোলাপের মহিমা কীর্তন করেছিলেন।
গ. ফুলের মধ্য দিয়ে সৌন্দর্য প্রকাশের দিক থেকে উদ্দীপক ও 'ফুলের বিবাহ' রচনার মধ্যে সাদৃশ্য রয়েছে।
'ফুলের বিবাহ' রচনায় কমলাকান্ত নসী বাবুর ফুল বাগানে বসে ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করছিলেন। উদ্দীপকে দেখা যায়, দারিদ্র্যের কারণে কাশেম মণ্ডল প্রথমদিকে তার ছেলে সবুজকে ফুলের বাগান করতে নিরুৎসাহিত করলেও পরে তিনি তার অবস্থান পরিবর্তন করেন।
'ফুলের বিবাহ' রচনায় কমলাকান্ত নসী বাবুর ফুল বাগানে বসে ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করছিলেন। উদ্দীপকে দেখা যায়, দারিদ্র্যের কারণে কাশেম মণ্ডল প্রথমদিকে তার ছেলে সবুজকে ফুলের বাগান করতে নিরুৎসাহিত করলেও পরে তিনি তার অবস্থান পরিবর্তন করেন।
উত্তরের সারবস্তু: ফুলের সৌন্দর্য প্রকাশের দিক থেকে উদ্দীপক ও 'ফুলের বিবাহ' রচনার মধ্যে সাদৃশ্য রয়েছে।
ঘ. ফুলের সৌন্দর্য ও মানুষের সৌন্দর্যবোধ ছাড়া অন্য কিছুর মিল না থাকায় উদ্দীপকটি 'ফুলের বিবাহ' রচনার সমগ্র ভাব ধারণ করে না।
উদ্দীপকের কাশেম মণ্ডল দারিদ্র্যের কারণে প্রথমদিকে তার ছেলে সবুজকে ফুলের বাগান করতে নিরুৎসাহিত করেন। এখানে পিতা-পুত্রের মতভেদ, তাদের সৌন্দর্যবোধ এবং বাগানের সৌন্দর্য ফুটে উঠেছে। তবে নসী বাবুর ফুল বাগানে বসে কমলাকান্তর ফুলদের বিয়ে ও তার নানা আয়োজন প্রত্যক্ষ করার বিষয়টি উদ্দীপকে একেবারেই অনুপস্থিত।
উদ্দীপকের কাশেম মণ্ডল দারিদ্র্যের কারণে প্রথমদিকে তার ছেলে সবুজকে ফুলের বাগান করতে নিরুৎসাহিত করেন। এখানে পিতা-পুত্রের মতভেদ, তাদের সৌন্দর্যবোধ এবং বাগানের সৌন্দর্য ফুটে উঠেছে। তবে নসী বাবুর ফুল বাগানে বসে কমলাকান্তর ফুলদের বিয়ে ও তার নানা আয়োজন প্রত্যক্ষ করার বিষয়টি উদ্দীপকে একেবারেই অনুপস্থিত।
উত্তরের সারবস্তু: ফুলের সৌন্দর্য ও মানুষের সৌন্দর্যবোধ ছাড়া অন্য কিছুর মিল না থাকায় উদ্দীপকটি 'ফুলের বিবাহ' রচনার সমগ্র ভাব ধারণ করে না।
প্রশ্ন ৪
হরিশ কানপুরে কাজ করে। তার বন্ধু অনুপমের বিয়ের ঘটকালি করতে কল্যাণীর বিয়ের সম্বন্ধ নিয়ে যায় অনুপমের মামার কাছে। সবকিছু শুনে মামার পছন্দ হলে হরিশকে জিজ্ঞেস করে, মেয়ের বয়স কত? হরিশ তখন বলে পনেরো।
- ক. 'ওঠ না কি কচ্ছো?' — কথাটি কে বলেছিল?
- খ. 'নগদ দান বড়ো গুণ—গুণ গুণ গুণ।'— কথাটি ভ্রমররাজ কোন প্রসঙ্গে বলেছেন?
- গ. উদ্দীপকটি 'ফুলের বিবাহ' রচনার কোনটির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? বর্ণনা করো।
- ঘ. "উদ্দীপকটি 'ফুলের বিবাহ' রচনার সামগ্রিক ভাবকে প্রতিনিধিত্ব করে না।" — মন্তব্যটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।
৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তর
ক. 'ওঠ না কি কচ্ছো?' কথাটি বলেছিল কুসুম।
খ. ঘটকালির টাকা আগাম দেওয়া প্রসঙ্গে ভ্রমররাজ কথাটি বলেছেন।
মল্লিকা ও গোলাপের বিয়ের ঘটকালি করছেন ভ্রমররাজ। কন্যা কর্তা আশ্বাস দেন যে, পারিশ্রমিক কড়ায় গণ্ডায়ই বুঝিয়ে দেবেন। কিন্তু ভ্রমররাজ নগদ নিতে আগ্রহী।
মল্লিকা ও গোলাপের বিয়ের ঘটকালি করছেন ভ্রমররাজ। কন্যা কর্তা আশ্বাস দেন যে, পারিশ্রমিক কড়ায় গণ্ডায়ই বুঝিয়ে দেবেন। কিন্তু ভ্রমররাজ নগদ নিতে আগ্রহী।
উত্তরের সারবস্তু: ঘটকালির টাকা অগ্রিম দেওয়ার গুরুত্ব বোঝাতে ভ্রমররাজ কথাটি বলেন।
গ. উদ্দীপকটি 'ফুলের বিবাহ' রচনার বিয়ে সম্পর্কে ঘটকরাজ ভ্রমর ও গোলাপের কথোপকথনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
গোলাপ বিয়ের কথা শুনে আহ্লাদিত হয়ে ঘটকরাজ ভ্রমরকে কন্যার বয়স সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। তখন ভ্রমর জানান কন্যার বয়স প্রায় বিবাহ উপযোগী। উদ্দীপকেও একই রকম ঘটনা লক্ষ করা যায়।
গোলাপ বিয়ের কথা শুনে আহ্লাদিত হয়ে ঘটকরাজ ভ্রমরকে কন্যার বয়স সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। তখন ভ্রমর জানান কন্যার বয়স প্রায় বিবাহ উপযোগী। উদ্দীপকেও একই রকম ঘটনা লক্ষ করা যায়।
উত্তরের সারবস্তু: বিয়ে সম্পর্কিত কথোপকথনের দিক থেকে উদ্দীপক এবং আলোচ্য রচনাটি সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ. উদ্দীপককে শুধু 'ফুলের বিবাহ' রচনার ঘটকালির দিকটি তুলে ধরায় তা আলোচ্য রচনার সামগ্রিক ভাবের প্রতিনিধিত্ব করে না।
'ফুলের বিবাহ' রচনায় যেমন হাস্যরসের মাধ্যমে বিভিন্ন ফুলের নাম, গন্ধের তারতম্য, বর্ণের রকমফের অত্যন্ত সংবেদনশীলতার সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে। উদ্দীপকে শুধু বিয়েবাড়ির আয়োজন নিয়ে ঘটক এবং পাত্রের বাড়ির লোকজনের কথোপকথনের একটি ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে।
'ফুলের বিবাহ' রচনায় যেমন হাস্যরসের মাধ্যমে বিভিন্ন ফুলের নাম, গন্ধের তারতম্য, বর্ণের রকমফের অত্যন্ত সংবেদনশীলতার সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে। উদ্দীপকে শুধু বিয়েবাড়ির আয়োজন নিয়ে ঘটক এবং পাত্রের বাড়ির লোকজনের কথোপকথনের একটি ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে।
উত্তরের সারবস্তু: উদ্দীপকে শুধু 'ফুলের বিবাহ' রচনার একটি দিক ব্যক্ত হওয়ায় প্রশ্নোক্ত উক্তিটি যথার্থ।
প্রশ্ন ৫
- ক. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা প্রথম উপন্যাস কোনটি?
- খ. সম্বন্ধের অনেক কথা হলেও কোনোটিই স্থির হয়নি কেন?
- গ. উদ্দীপকের ছবিটি কোন দিক থেকে 'ফুলের বিবাহ' গল্পের সাথে সংগতিপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ. "উদ্দীপকটি 'ফুলের বিবাহ' গল্পের আংশিক ভাবকে ধারণ করে।" — মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
৫ নম্বর প্রশ্নের উত্তর
ক. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা প্রথম উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী'।
খ. কন্যার পিতার দারিদ্র্য এবং পাত্রপক্ষের সাথে কথায় বনিবনা না হওয়ায় সম্বন্ধের অনেক কথা হলেও কোনোটিই স্থির হয়নি।
বেশ কয়েকটি পাত্রের সন্ধান মিলেছে, পাত্র হিসেবে তারা গ্রহণযোগ্য বটে কিন্তু পাত্রীর বাবা দরিদ্র হওয়ায় অধিকাংশ পাত্রপক্ষই অনাগ্রহী।
বেশ কয়েকটি পাত্রের সন্ধান মিলেছে, পাত্র হিসেবে তারা গ্রহণযোগ্য বটে কিন্তু পাত্রীর বাবা দরিদ্র হওয়ায় অধিকাংশ পাত্রপক্ষই অনাগ্রহী।
উত্তরের সারবস্তু: সামাজিক রীতি-নীতি অনুযায়ী কন্যার বাবার যেসব বিষয়ে প্রস্তুতি থাকা দরকার সেসব বিষয়ে দারিদ্র্যের কারণে বনিবনা না হওয়ায় অনেক সম্বন্ধের আলোচনা হলেও কোনোটিই স্থির হয়নি।
গ. শিয়াল-শিয়ালির মতো প্রাণীর বিয়ে হওয়ার ব্যতিক্রমী ঘটনা 'ফুলের বিবাহ' গল্পের মল্লিকা ও গোলাপ ফুলের বিবাহের সাথে সংগতিপূর্ণ।
আমাদের সমাজের সাধারণত নারী-পুরুষ তথা মানুষের বিয়ে হয়ে থাকে। কিন্তু 'ফুলের বিবাহ' গল্পে আমরা মল্লিকা ও গোলাপ ফুলের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা দেখতে পাই। উদ্দীপকের ছবিতে দেখা যাচ্ছে শিয়াল-শিয়ালির বিয়ের চিত্র।
আমাদের সমাজের সাধারণত নারী-পুরুষ তথা মানুষের বিয়ে হয়ে থাকে। কিন্তু 'ফুলের বিবাহ' গল্পে আমরা মল্লিকা ও গোলাপ ফুলের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা দেখতে পাই। উদ্দীপকের ছবিতে দেখা যাচ্ছে শিয়াল-শিয়ালির বিয়ের চিত্র।
উত্তরের সারবস্তু: সাধারণত মানুষের মাঝে বিয়ে ও এ সম্পর্কিত অনুষ্ঠান দেখা গেলেও উদ্দীপক ও আলোচ্য গল্পে যথাক্রমে শিয়াল-শিয়ালি ও ফুলের বিয়ের অনুষ্ঠান সংঘটিত হয়েছে।
ঘ. উদ্দীপকে শুধু বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা উঠে আসায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
উদ্দীপকের ছবিতে শিয়াল-শিয়ালির বিয়ের দৃশ্য ফুটে উঠেছে। বিয়ের বর-কনে হিসেবে উপস্থিত শিয়াল-শিয়ালিদ্বয় পরিপূর্ণ বিয়ের সাজে একে অপরের সাথে দৃষ্টি বিনিময় করছে। তবে কনে দেখা পর্ব, পানচিনির পর্ব, বিয়ের ঘটকালিসহ অনেক বিষয় গল্পে উঠে এলেও উদ্দীপকের সামান্য পরিসরে তা উঠে আসেনি।
উদ্দীপকের ছবিতে শিয়াল-শিয়ালির বিয়ের দৃশ্য ফুটে উঠেছে। বিয়ের বর-কনে হিসেবে উপস্থিত শিয়াল-শিয়ালিদ্বয় পরিপূর্ণ বিয়ের সাজে একে অপরের সাথে দৃষ্টি বিনিময় করছে। তবে কনে দেখা পর্ব, পানচিনির পর্ব, বিয়ের ঘটকালিসহ অনেক বিষয় গল্পে উঠে এলেও উদ্দীপকের সামান্য পরিসরে তা উঠে আসেনি।
উত্তরের সারবস্তু: 'ফুলের বিবাহ' গল্পে বিয়ের সার্বিক আয়োজন বর্ণিত হলেও উদ্দীপকের ছবিতে শুধু অনুষ্ঠানের অংশবিশেষ চিহ্নিত হয়েছে। তাই আলোচ্য মন্তব্যটি যথার্থ।
প্রশ্ন ৬
দিনভর খাওয়াদাওয়া, নাচগান আর হৈ-হুল্লোরে মুখরিত থাকে বিয়েবাড়ি। ভাই-বোন, বন্ধুবান্ধব এবং আত্মীয়স্বজনদের আনাগোনা লেগেই থাকে এই সময়। একই সাথে জাঁকজমকপূর্ণ ব্যান্ড, বাঁশি, শঙ্খের কনসার্ট ইত্যাদি সাথে নিয়ে বিয়ের বরযাত্রী চলে কনের বাড়ির উদ্দেশে।
- ক. কে সানাইয়ের বায়না নিয়েছিল?
- খ. 'ঠানুদিদি, তুই যা!'— কথাটি কে, কেন বলেছিল? ব্যাখ্যা করো।
- গ. উদ্দীপকের কোন দিকটির সাথে 'ফুলের বিবাহ' রচনার সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ. 'বিয়েতে বর-কনে কেন্দ্রে থাকলেও বিশেষভাবে যুক্ত থাকেন আত্মীয়স্বজন।'— উদ্দীপক এবং 'ফুলের বিবাহ' রচনার আলোকে উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
৬ নম্বর প্রশ্নের উত্তর
ক. মৌমাছি সানাইয়ের বায়না নিয়েছিল।
খ. সন্ধ্যাঠাকুরাণী দিদি ঘোমটা খুলতে বললে মল্লিকা ফুল তা এড়িয়ে যাওয়ার জন্য তাকে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছিল।
লক্ষ্মী আমার, চাঁদ আমার, সোনা আমার ইত্যাদি বলে যখন সন্ধ্যাঠাকুরাণী তাকে ঘোমটা খোলাতে সম্মত করাতে চায় তখন দিদির সেই প্রস্তাব এড়িয়ে যেতেই মল্লিকা ফুল প্রশ্নোক্ত কথাটি বলে।
লক্ষ্মী আমার, চাঁদ আমার, সোনা আমার ইত্যাদি বলে যখন সন্ধ্যাঠাকুরাণী তাকে ঘোমটা খোলাতে সম্মত করাতে চায় তখন দিদির সেই প্রস্তাব এড়িয়ে যেতেই মল্লিকা ফুল প্রশ্নোক্ত কথাটি বলে।
উত্তরের সারবস্তু: সন্ধ্যাঠাকুরাণী দিদি ঘোমটা খুলতে বললে মল্লিকা ফুল তা এড়িয়ে যাওয়ার জন্য তাকে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছিল।
গ. বিয়ে বাড়ির আনন্দ উল্লাসের দিকটির সাথে উদ্দীপক ও 'ফুলের বিবাহ' রচনার সাদৃশ্য রয়েছে।
'ফুলের বিবাহ' রচনায় গোলাপ ও মল্লিকা ফুলের বিয়ে উপলক্ষ্যে নানারকম আয়োজন করা হয়। উদ্দীপকেও দেখা যায় দিনভর খাওয়াদাওয়া, নাচগান আর হৈ-হুল্লোরে মুখরিত থাকে বিয়েবাড়ি।
'ফুলের বিবাহ' রচনায় গোলাপ ও মল্লিকা ফুলের বিয়ে উপলক্ষ্যে নানারকম আয়োজন করা হয়। উদ্দীপকেও দেখা যায় দিনভর খাওয়াদাওয়া, নাচগান আর হৈ-হুল্লোরে মুখরিত থাকে বিয়েবাড়ি।
উত্তরের সারবস্তু: উদ্দীপকটির বিয়েকে কেন্দ্রিক আয়োজনের সাথে, 'ফুলের বিবাহ' রচনার সাদৃশ্য রয়েছে।
ঘ. পিতামাতা থেকে শুরু করে আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবরা বিয়ের নানা আয়োজনের সাথে যুক্ত থাকেন বলে প্রশ্নোক্ত উক্তিটি খুবই যথার্থ।
উদ্দীপকে দেখা যায় বিয়ের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবদের দিনভর খাওয়াদাওয়া, নাচগান আর হৈ-হুল্লোরে মুখরিত থাকে বিয়েবাড়ি। 'ফুলের বিবাহ' রচনায় মল্লিকা ফুল ও গোলাপের বিয়েতে যেভাবে কন্যার সই, সন্ধ্যাঠাকুরাণী দিদি এবং ঘটক থেকে শুরু করে অনেকেই যুক্ত ছিলেন উদ্দীপকেও ঠিক তাই দেখা যায়।
উদ্দীপকে দেখা যায় বিয়ের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবদের দিনভর খাওয়াদাওয়া, নাচগান আর হৈ-হুল্লোরে মুখরিত থাকে বিয়েবাড়ি। 'ফুলের বিবাহ' রচনায় মল্লিকা ফুল ও গোলাপের বিয়েতে যেভাবে কন্যার সই, সন্ধ্যাঠাকুরাণী দিদি এবং ঘটক থেকে শুরু করে অনেকেই যুক্ত ছিলেন উদ্দীপকেও ঠিক তাই দেখা যায়।
উত্তরের সারবস্তু: 'বিয়েতে বর-কনে কেন্দ্রে থাকলেও বিশেষভাবে যুক্ত থাকেন তাদের আত্মীয়স্বজন।'— উক্তিটি যথার্থ।
প্রশ্ন ৭
নেহা আর নয়নের বিয়েতে সবাই আনন্দে মেতে উঠেছে। বিয়েবাড়িতে নয়নকে ঘিরে রেখেছে তার সুন্দরী শ্যালিকারা। তারা সবাই মিলে মজা করার জন্য নয়নকে এক সময় মরিচের গুঁড়া মেশানো শরবত খেতে দেয়। এরপর নয়নও তার শ্যালিকাদের "শাকচুন্নি" বলে মজা করলে সবাই হাসতে হাসতে গড়িয়ে পড়ে।
- ক. 'ফুলের বিবাহ' রচনায় মোসাহেব কারা?
- খ. 'মনে করিলাম, সংসার অনিত্যই বটে'— এই আছে এই নাই' বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- গ. উদ্দীপকের ঘটনাটি 'ফুলের বিবাহ' রচনার কোন ঘটনার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ তা ব্যাখ্যা করো।
- ঘ. উদ্দীপকটি কি 'ফুলের বিবাহ' রচনার সামগ্রিক ভাবকে ধারণ করে? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
৭ নম্বর প্রশ্নের উত্তর
ক. 'ফুলের বিবাহ' রচনার মোসাহেব হলো একপাল পিঁপড়া।
খ. 'মনে করিলাম সংসার অনিত্যই বটে— এই আছে এই নাই'— কথাটি দ্বারা পৃথিবীর কোনোকিছুই যে চিরস্থায়ী নয়, এর সবকিছুই যে নশ্বর সে বিষয়টিই বোঝানো হয়েছে।
একসময় কুসুমের ডাকে বোধোদয় হয় কমলাকান্তর। বাস্তবজগতে ফিরে এসে তিনি দেখেন সবকিছুই ছিল তার কল্পনা।
একসময় কুসুমের ডাকে বোধোদয় হয় কমলাকান্তর। বাস্তবজগতে ফিরে এসে তিনি দেখেন সবকিছুই ছিল তার কল্পনা।
উত্তরের সারবস্তু: পৃথিবীর কোনো কিছুই যে অবিনশ্বর নয় প্রশ্নোক্ত কথাটি দিয়ে সেটিই বোঝানো হয়েছে।
গ. উদ্দীপকের ঘটনাটি 'ফুলের বিবাহ' রচনার মল্লিকা ও গোলাপ ফুলের বিয়ের সময় বরকে বাসর ঘরে নিয়ে কন্যার সই ও আত্মীয়স্বজনদের রসিকতা করার ঘটনাটির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
'ফুলের বিবাহ' রচনায় দেখা যায় বরকে বাসরঘরে নেওয়ার পর অনেক রসময়ী ও মধুময়ী সুন্দরী তাকে ঘিরে বসে রইলো। প্রাচীনা ঠাকুরাণী দিদি টগর তার সাথে রসিকতা শুরু করল।
'ফুলের বিবাহ' রচনায় দেখা যায় বরকে বাসরঘরে নেওয়ার পর অনেক রসময়ী ও মধুময়ী সুন্দরী তাকে ঘিরে বসে রইলো। প্রাচীনা ঠাকুরাণী দিদি টগর তার সাথে রসিকতা শুরু করল।
উত্তরের সারবস্তু: উদ্দীপকের ঘটনাটি 'ফুলের বিবাহ' রচনায় মল্লিকা ও গোলাপ ফুলের বিয়ের সময় বাসর ঘরে বর গোলাপকে নিয়ে কন্যার সখী ও তার আত্মীয়স্বজনদের রসিকতা করার ঘটনাটির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ. বর-কনের বিয়ের দিকটি ছাড়া অন্যান্য দিক অনুপস্থিত থাকায় উদ্দীপকটি 'ফুলের বিবাহ' রচনার সামগ্রিক ভাবকে ধারণ করে না।
উদ্দীপকে শুধু একটি বিয়ের ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে। যেখানে বিয়েবাড়ির সবাই আনন্দে মেতে উঠেছে। 'ফুলের বিবাহ' রচনায় যেমন বিভিন্ন ফুলের নাম, তাদের গন্ধের তারতম্য, বর্ণের রকমফের ও ফোটার সময়সহ বিয়ের বিস্তারিত আয়োজন বর্ণিত হয়েছে উদ্দীপকে তেমনটি বলা হয়নি।
উদ্দীপকে শুধু একটি বিয়ের ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে। যেখানে বিয়েবাড়ির সবাই আনন্দে মেতে উঠেছে। 'ফুলের বিবাহ' রচনায় যেমন বিভিন্ন ফুলের নাম, তাদের গন্ধের তারতম্য, বর্ণের রকমফের ও ফোটার সময়সহ বিয়ের বিস্তারিত আয়োজন বর্ণিত হয়েছে উদ্দীপকে তেমনটি বলা হয়নি।
উত্তরের সারবস্তু: 'ফুলের বিবাহ' রচনায় গোলাপ ও মল্লিকা ফুলের বিবাহের পাশাপাশি কমলাকান্ত নসী বাবুর ফুল বাগানে বসে বিভিন্ন ফুলের বৈচিত্র্য গন্ধ, বর্ণ ইত্যাদির মাধ্যমে ফুলের সৌন্দর্যবোধের সৃষ্টি করা হয় কিন্তু উদ্দীপকে এটার প্রকাশ না থাকায় উদ্দীপকটি সমগ্র ভাব ধারণ করে না।
প্রশ্ন ৮
রহিম মিয়ার চার মেয়ে লতিকা, কণিকা, নিশিতা ও কবিতা। তারা সবাই বিবাহযোগ্য হলেও অভাবের সংসারে তিনি তাদের বিয়ে দিতে পারছেন না। বিয়ের সম্বন্ধ আসলেও পাত্রপক্ষের চাহিদামতো যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় রহিম মিয়া এখন চরম হতাশায় ভুগছেন।
- ক. 'ফুলের বিবাহ' রচনার ঘটক কে?
- খ. 'আজি কালি ফুটিবে'— কথাটি বুঝিয়ে লেখো।
- গ. উদ্দীপকের সাথে 'ফুলের বিবাহ' রচনার সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি তুলে ধরো।
- ঘ. "'ফুলের বিবাহ' রচনায় হাস্যরসের মাধ্যমে সমাজের এক কঠিন বাস্তবকে তুলে ধরা হয়েছে।" — উদ্দীপকের আলোকে উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
৮ নম্বর প্রশ্নের উত্তর
ক. 'ফুলের বিবাহ' রচনার ঘটক হলেন ভ্রমর।
খ. কনে মল্লিকা ফুলের বয়স সম্পর্কে সঠিক ধারণা দেওয়ার জন্যই প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে।
ঘটক কনের বয়স সম্পর্কিত প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়েই প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি মূলত কনের বয়স যে খুব বেশি নয় সে ব্যাপারে গোলাপকে আশ্বস্ত করেন।
ঘটক কনের বয়স সম্পর্কিত প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়েই প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি মূলত কনের বয়স যে খুব বেশি নয় সে ব্যাপারে গোলাপকে আশ্বস্ত করেন।
উত্তরের সারবস্তু: কনে মল্লিকা ফুলের বয়স যে খুব বেশি নয় সে ব্যাপারে গোলাপকে আশ্বস্ত করতেই প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে।
গ. কন্যাভারগ্রস্ত পিতৃদের দিক থেকে উদ্দীপকের রহিম মিয়ার সাথে 'ফুলের বিবাহ' রচনার মল্লিকা ফুলের পিতার সাদৃশ্য রয়েছে।
মল্লিকার পিতা ছিলেন খুবই দরিদ্র এবং কন্যাভারগ্রস্ত এক ক্ষুদ্র বৃক্ষ। অনেকের সাথে কন্যার বিয়ের কথা হলেও তার কোনোটিই স্থির হচ্ছিল না। উদ্দীপকের রহিম মিয়ার লতিকা, কণিকা, নিশিতা ও কবিতা নামের চারজন মেয়ে রয়েছে।
মল্লিকার পিতা ছিলেন খুবই দরিদ্র এবং কন্যাভারগ্রস্ত এক ক্ষুদ্র বৃক্ষ। অনেকের সাথে কন্যার বিয়ের কথা হলেও তার কোনোটিই স্থির হচ্ছিল না। উদ্দীপকের রহিম মিয়ার লতিকা, কণিকা, নিশিতা ও কবিতা নামের চারজন মেয়ে রয়েছে।
উত্তরের সারবস্তু: কন্যাভারগ্রস্ত পিতৃদের দিক থেকে উদ্দীপকের রহিম মিয়ার সাথে 'ফুলের বিবাহ' রচনার মল্লিকা ফুলের পিতার সাদৃশ্য রয়েছে।
ঘ. 'ফুলের বিবাহ' রচনায় হাস্যরসের মাধ্যমে কন্যাভারগ্রস্ত পিতাদের অসহনীয় বিড়ম্বনার মতো সমাজের এক কঠিন বাস্তবতা তুলে ধরা হয়েছে।
কন্যার বিয়ে নিয়ে তিনিও বেশ উদ্বিগ্ন। যথাসময়ে কন্যাদের বিয়ে দিতে না পারলে সামাজিকভাবে একজন পিতাকে নানা বিড়ম্বনার মুখোমুখি হতে হয়। উদ্দীপক ও 'ফুলের বিবাহ' রচনায় অভিন্নভাবে কন্যাভারগ্রস্ত পিতাদের এই বিড়ম্বনার চিত্রটি ফুটে উঠেছে।
কন্যার বিয়ে নিয়ে তিনিও বেশ উদ্বিগ্ন। যথাসময়ে কন্যাদের বিয়ে দিতে না পারলে সামাজিকভাবে একজন পিতাকে নানা বিড়ম্বনার মুখোমুখি হতে হয়। উদ্দীপক ও 'ফুলের বিবাহ' রচনায় অভিন্নভাবে কন্যাভারগ্রস্ত পিতাদের এই বিড়ম্বনার চিত্রটি ফুটে উঠেছে।
উত্তরের সারবস্তু: 'ফুলের বিবাহ' রচনায় হাস্যরসের মাধ্যমে উদ্দীপকে বর্ণিত সমাজের এক কঠিন বাস্তবতা তুলে ধরা হয়েছে।
প্রশ্ন ৯
বট-পাকুড়ের বিয়ে টোপর মাথায় দিয়ে!
বাসুনিয়াপট্টিতে আজ দেখছে সবাই গিয়ে।
বট হয়েছে কনে এবং পাকুড় গাছটি বর
পাড়াপড়শি দেয় সাজিয়ে তাদের বাসর ঘর।
বাসুনিয়াপট্টিতে আজ দেখছে সবাই গিয়ে।
বট হয়েছে কনে এবং পাকুড় গাছটি বর
পাড়াপড়শি দেয় সাজিয়ে তাদের বাসর ঘর।
- ক. 'খদ্যোত' অর্থ কী?
- খ. 'বর অতি সুপাত্র'— কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
- গ. উদ্দীপকের সাথে 'ফুলের বিবাহ' রচনার বৈসাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা করো।
- ঘ. 'বিয়ে কেবল আনুষ্ঠানিকতা নয়, তা এক ধরনের সামাজিক উৎসবও।'— উদ্দীপক ও 'ফুলের বিবাহ' রচনার আলোকে উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।
৯ নম্বর প্রশ্নের উত্তর
ক. 'খদ্যোত' অর্থ জোনাকি পোকা।
খ. 'বর অতি সুপাত্র'— কথাটি দ্বারা গোলাপের বংশ গৌরব ও কৌলীন্যের বিষয়টি বোঝানো হয়েছে।
পাত্র গোলাপ। বাঞ্ছামালির সন্তান গোলাপ বংশগৌরবে বড়ো কুলীন। বাঞ্ছামালি নিজ হাতে তাকে রোপণ করেছেন।
পাত্র গোলাপ। বাঞ্ছামালির সন্তান গোলাপ বংশগৌরবে বড়ো কুলীন। বাঞ্ছামালি নিজ হাতে তাকে রোপণ করেছেন।
উত্তরের সারবস্তু: 'বর অতি সুপাত্র'— কথাটি দ্বারা গোলাপের বংশগৌরব ও কৌলীন্যের বিষয়টি বোঝানো হয়েছে।
গ. পাত্র-পাত্রী ও অংশগ্রহণকারীদের দিক দিয়ে উদ্দীপকের সাথে 'ফুলের বিবাহ' রচনার গোলাপ ও মল্লিকার বিয়ের দিকটি বৈসাদৃশ্যপূর্ণ।
উদ্দীপকেও এ ধরনের একটি বিয়ের কথা বলা হয়েছে। সেখানেও মানুষের পরিবর্তে বিয়ের পাত্র-পাত্রী একটি বট ও একটি পাকুড় গাছ। তবে তাদের বিয়ের আয়োজনে সমজাতীয় কোনো বৃক্ষ অংশ নেয়নি। সেখানে মানুষজনই অংশ নিয়েছে।
উদ্দীপকেও এ ধরনের একটি বিয়ের কথা বলা হয়েছে। সেখানেও মানুষের পরিবর্তে বিয়ের পাত্র-পাত্রী একটি বট ও একটি পাকুড় গাছ। তবে তাদের বিয়ের আয়োজনে সমজাতীয় কোনো বৃক্ষ অংশ নেয়নি। সেখানে মানুষজনই অংশ নিয়েছে।
উত্তরের সারবস্তু: পাত্র-পাত্রী ও অংশগ্রহণকারীদের দিক দিয়ে উদ্দীপকের সাথে 'ফুলের বিবাহ' রচনার গোলাপ ও মল্লিকার বিয়ের দিকটি বৈসাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ. 'বিয়ে কেবল আনুষ্ঠানিকতা নয়, তা এক ধরনের সামাজিক উৎসবও।'— উদ্দীপক ও 'ফুলের বিবাহ' রচনার আলোকে উক্তিটি যথার্থ।
উদ্দীপকে বাসুনিয়াপট্টিতে বট ও পাকুড় গাছের বিয়ে সংঘটিত হয়েছে। এটাও একটি ব্যতিক্রমধর্মী বিয়ে। এখানে সমজাতীয় অন্য কোনো গাছের অংশগ্রহণ দৃশ্যমান না হলেও মানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণ ছিল।
উদ্দীপকে বাসুনিয়াপট্টিতে বট ও পাকুড় গাছের বিয়ে সংঘটিত হয়েছে। এটাও একটি ব্যতিক্রমধর্মী বিয়ে। এখানে সমজাতীয় অন্য কোনো গাছের অংশগ্রহণ দৃশ্যমান না হলেও মানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণ ছিল।
উত্তরের সারবস্তু: 'বিয়ে কেবল আনুষ্ঠানিকতা নয়, তা এক ধরনের সামাজিক উৎসবও।'— উক্তিটি যথার্থ।
প্রশ্ন ১০
ঠাকুরদাস মুখুজ্যের বর্ষীয়সী স্ত্রী সাতদিনের জ্বরে মারা গেলেন। বৃদ্ধ মুখোপাধ্যায় মহাশয় ধানের কারবারে অতিশয় সংগতিপন্ন। তাঁর চার ছেলে, তিন মেয়ে, ছেলেমেয়েদের ছেলেপুলে হইয়াছে, জামাইরা-প্রতিবেশীর দল, চাকর-বাকর— সে যেন একটা উৎসব বাধিয়া গেল। সমস্ত গ্রামের লোক ধুমধামের শবযাত্রা ভিড় করিয়া দেখিতে আসিল।
- ক. 'ফুলের বিবাহ' রচনাটি কোন গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
- খ. 'সর্বত্রই তিনি যাতায়াত করেন এবং কিছু কিছু মধু পাইয়া থাকেন।'— ব্যাখ্যা করো।
- গ. উদ্দীপকটি কোন দিক থেকে 'ফুলের বিবাহ' রচনার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ. "বাহ্যিক সাদৃশ্য থাকলেও উদ্দীপকের সাথে 'ফুলের বিবাহ' রচনার অন্তর্গত বৈসাদৃশ্য বিদ্যমান।" — বিশ্লেষণ করো।
১০ নম্বর প্রশ্নের উত্তর
ক. 'ফুলের বিবাহ' রচনাটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কমলাকান্তের দপ্তর' গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে।
খ. বিয়ের ঘটক ভ্রমরের সর্বত্র অবাধ যাতায়াত ও দক্ষিণা প্রাপ্তির বিষয়টি বোঝাতেই প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে।
কনে ও বর উভয় পক্ষের সেতুবন্ধ হিসেবে কাজ করায় তিনি সবখানেই যান এবং দক্ষিণাও পান।
কনে ও বর উভয় পক্ষের সেতুবন্ধ হিসেবে কাজ করায় তিনি সবখানেই যান এবং দক্ষিণাও পান।
উত্তরের সারবস্তু: ঘটকরাজ ভ্রমরের সর্বত্র অবাধ যাতায়াত ও দক্ষিণা প্রাপ্তির বিষয়টি বোঝাতেই প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে।
গ. মহাসমারোহের সহিত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার দিক থেকে উদ্দীপকটি 'ফুলের বিবাহ' রচনার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
উদ্দীপকে ঠাকুরদাস মুখুজ্যের স্ত্রী মারা গেলে তার শেষকৃত্য অনুষ্ঠান এক মহোৎসবে পরিণত হয়। 'ফুলের বিবাহ' রচনায় মল্লিকা ও গোলাপের বিয়ে উপলক্ষেও এমনই আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন দেখা যায়।
উদ্দীপকে ঠাকুরদাস মুখুজ্যের স্ত্রী মারা গেলে তার শেষকৃত্য অনুষ্ঠান এক মহোৎসবে পরিণত হয়। 'ফুলের বিবাহ' রচনায় মল্লিকা ও গোলাপের বিয়ে উপলক্ষেও এমনই আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন দেখা যায়।
উত্তরের সারবস্তু: আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের দিক থেকে উদ্দীপকটি 'ফুলের বিবাহ' রচনার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ. উৎসবের আমেজ দৃশ্যমান হলেও উদ্দীপকে শোকানুষ্ঠান পালিত হওয়ায় আলোচ্য মন্তব্যটি যথার্থ।
উদ্দীপক ও 'ফুলের বিবাহ' রচনায় যুগপৎভাবে মহাসমারোহ আয়োজনের চিত্র দুইটির মাঝে বিরাট ব্যবধান বিদ্যমান। কেননা, রচনার আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠান আনন্দোৎসব হলেও উদ্দীপকের আয়োজন মূলত স্বজন হারানোর বেদনা-সংশ্লিষ্ট অনুষ্ঠান।
উদ্দীপক ও 'ফুলের বিবাহ' রচনায় যুগপৎভাবে মহাসমারোহ আয়োজনের চিত্র দুইটির মাঝে বিরাট ব্যবধান বিদ্যমান। কেননা, রচনার আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠান আনন্দোৎসব হলেও উদ্দীপকের আয়োজন মূলত স্বজন হারানোর বেদনা-সংশ্লিষ্ট অনুষ্ঠান।
উত্তরের সারবস্তু: বাহ্যিক সাদৃশ্য থাকলেও উদ্দীপকের সাথে 'ফুলের বিবাহ' রচনার অন্তর্গত বৈসাদৃশ্য বিদ্যমান।
প্রশ্ন ১১
২০-২৫ বছর আগেও জেলার হাটবাজারে দেশি জাতের কই, মাগুর, শিং, বোয়াল, মলা, পাবদা, চেলা, চিতল, খলিশা, আইড়, বাঘাড়, রিঠা, বাউস, টাকি, টেংরা, ভেদা, বেলেসহ প্রায় ২৫০ জাতের দেশি ও সুস্বাদু মাছ পাওয়া যেত। দেশি জাতের এই মাছগুলো খালবিল, নদীনালয় বেশি পাওয়া যেত।
- ক. 'কুলাচার্য' শব্দের অর্থ কী?
- খ. সে রম্য বাসর কোথায় গেল?— কথাটি দিয়ে কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- গ. উদ্দীপকের কোন দিকটি 'ফুলের বিবাহ' রচনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ. "পর্যবেক্ষণশীল দৃষ্টিভঙ্গির দিক থেকে উদ্দীপক এবং 'ফুলের বিবাহ' রচনাটি একই সূত্রে গাঁথা।" উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
১১ নম্বর প্রশ্নের উত্তর
ক. 'কুলাচার্য' শব্দের অর্থ বংশের প্রধান পুরোহিত।
খ. প্রশ্নোক্ত কথাটি দ্বারা বাস্তব এবং কল্পনার মধ্যে যে বেশ পার্থক্য রয়েছে, সেটিই বোঝানো হয়েছে।
বাস্তব জগতে ফিরে এসে যখন তিনি সম্পূর্ণ ভিন্ন এক জগৎ দেখতে পান তখন নিজের সেই অনুভূতি ব্যক্ত করতেই তিনি বলে ওঠেন, সে রম্য বাসর কোথায় গেল।
বাস্তব জগতে ফিরে এসে যখন তিনি সম্পূর্ণ ভিন্ন এক জগৎ দেখতে পান তখন নিজের সেই অনুভূতি ব্যক্ত করতেই তিনি বলে ওঠেন, সে রম্য বাসর কোথায় গেল।
উত্তরের সারবস্তু: বাস্তব ও কল্পনার মধ্যে যে বিস্তর পার্থক্য রয়েছে, সেটি বোঝাতেই কমলাকান্তর জবানিতে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে।
গ. উদ্দীপকের প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র্যের দিকটিই 'ফুলের বিবাহ' রচনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
উদ্দীপকে কই, মাগুর, শিং, বোয়ালসহ দেশি জাতের বিভিন্ন মাছের কথা বলা হয়েছে। বিভিন্ন জাতের মাছের মাধ্যমে এখানে যেমন জীববৈচিত্র্যের বিষয়টি ফুটে উঠেছে, অনুরূপভাবে 'ফুলের বিবাহ' রচনাতেও বিভিন্ন রকম ফুলের মাধ্যমে জীববৈচিত্র্যের বিষয়টি ফুটে উঠেছে।
উদ্দীপকে কই, মাগুর, শিং, বোয়ালসহ দেশি জাতের বিভিন্ন মাছের কথা বলা হয়েছে। বিভিন্ন জাতের মাছের মাধ্যমে এখানে যেমন জীববৈচিত্র্যের বিষয়টি ফুটে উঠেছে, অনুরূপভাবে 'ফুলের বিবাহ' রচনাতেও বিভিন্ন রকম ফুলের মাধ্যমে জীববৈচিত্র্যের বিষয়টি ফুটে উঠেছে।
উত্তরের সারবস্তু: উদ্দীপকের প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র্যের দিকটিই 'ফুলের বিবাহ' রচনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ. "পর্যবেক্ষণশীল দৃষ্টিভঙ্গির দিক থেকে উদ্দীপক এবং 'ফুলের বিবাহ' রচনাটি একই সূত্রে গাঁথা।"— উক্তিটি যথার্থ।
'ফুলের বিবাহ' রচনায় কমলাকান্ত যেমন করে অতি সূক্ষ্মভাবে নানা জাতের ফুলের নাম, তার গন্ধের তারতম্য ও বর্ণের রকমফেরের সাথে কোন ফুল কখন ফুটে তা তুলে ধরেছেন অনুরূপভাবে উদ্দীপকেও নানা জাতের মাছের নাম, কোন মাসে কোন মাছ সবচেয়ে বেশি ধরা পড়ে সেটাও তুলে ধরা হয়েছে।
'ফুলের বিবাহ' রচনায় কমলাকান্ত যেমন করে অতি সূক্ষ্মভাবে নানা জাতের ফুলের নাম, তার গন্ধের তারতম্য ও বর্ণের রকমফেরের সাথে কোন ফুল কখন ফুটে তা তুলে ধরেছেন অনুরূপভাবে উদ্দীপকেও নানা জাতের মাছের নাম, কোন মাসে কোন মাছ সবচেয়ে বেশি ধরা পড়ে সেটাও তুলে ধরা হয়েছে।
উত্তরের সারবস্তু: পর্যবেক্ষণশীল দৃষ্টিভঙ্গির দিক থেকে উদ্দীপক এবং 'ফুলের বিবাহ' রচনাটি একই সূত্রে গাঁথা।
প্রশ্ন ১২
পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাজু দারিদ্র্যের কারণে ঘড়ি কিনতে পারেনি। তাই সে তার বাড়ির উঠানে একটি 'নয়টা ফুলে'র গাছ লাগিয়েছে। ফুলটির ভালো নাম তার জানা নেই। প্রতিদিন সকাল নয়টার দিকে ফুলগুলো ফোটে, যা দেখে সে স্কুলে যায়। প্রথমদিকে শুধু 'নয়টা ফুলের গাছ' থাকলেও পরে ফুলের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে সে মোরগঝুঁটি, ঘাসফুল ও গাঁদাসহ আরও বেশ কয়েক প্রজাতির নতুন ফুলের গাছ লাগিয়েছে।
- ক. 'ফুলের বিবাহ' রচনায় পাত্রী কে?
- খ. কন্যাভারগ্রস্ত বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- গ. উদ্দীপকে 'ফুলের বিবাহ' রচনার যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা করো।
- ঘ. উদ্দীপক এবং 'ফুলের বিবাহ' রচনার মর্মবস্তু একই সরলরেখায় চলেছে কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তিপূর্ণ আলোচনা করো।
১২ নম্বর প্রশ্নের উত্তর
ক. 'ফুলের বিবাহ' রচনায় পাত্রী হলো 'মল্লিকা ফুল'।
খ. কন্যাভারগ্রস্ত বলতে একসাথে অনেক ফুল ফোটা মল্লিকা গাছকে বোঝানো হয়েছে।
সাধারণত কোনো পিতার একাধিক বিবাহযোগ্য কন্যা থাকলে তাকে কন্যাভারগ্রস্ত পিতা বলে অভিহিত করা হয়।
সাধারণত কোনো পিতার একাধিক বিবাহযোগ্য কন্যা থাকলে তাকে কন্যাভারগ্রস্ত পিতা বলে অভিহিত করা হয়।
উত্তরের সারবস্তু: কন্যাভারগ্রস্ত বলতে একসাথে অনেক ফুল ফোটা মল্লিকা গাছকে বোঝানো হয়েছে।
গ. উদ্দীপকে 'ফুলের বিবাহ' রচনায় বর্ণিত ফুলের বৈচিত্র্য ও ফুল ফোটার কাল সম্পর্কিত সূক্ষ্ম পর্যবেক্ষণের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
উদ্দীপকের সাজু নিজের প্রয়োজনেই ফুল ফোটার বিষয়টিকে বেশ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করে। সে লক্ষ করে, প্রতিদিন সকাল নয়টার দিকে 'নয়টা ফুল' নামক এক ধরনের বিশেষ ফুল ফোটে।
উদ্দীপকের সাজু নিজের প্রয়োজনেই ফুল ফোটার বিষয়টিকে বেশ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করে। সে লক্ষ করে, প্রতিদিন সকাল নয়টার দিকে 'নয়টা ফুল' নামক এক ধরনের বিশেষ ফুল ফোটে।
উত্তরের সারবস্তু: উদ্দীপকে 'ফুলের বিবাহ' রচনায় বর্ণিত ফুলের বৈচিত্র্য ও ফুল ফোটার কাল সম্পর্কিত পর্যবেক্ষণের দিকটিই ফুটে উঠেছে।
ঘ. বিভিন্ন ধরনের ফুলের সাথে পরিচয়ের দিক থেকে উদ্দীপক এবং 'ফুলের বিবাহ' রচনার মর্মবস্তু একই সরল রেখায় চলেছে।
উদ্দীপকের সাজু দারিদ্র্যের কারণে ঘড়ি কিনতে পারেনি। তাই সঠিক সময়ে স্কুলে যাওয়ার জন্য সে তার বাড়ির উঠানে একটি 'নয়টা ফুলে'র গাছ লাগায়। এখানে সাজুর ভিতরে লুকিয়ে থাকা সৌন্দর্যবোধ যেমন ফুটে উঠেছে, ঠিক তেমনিভাবে ফুটে উঠেছে তার গভীর পর্যবেক্ষণশীলতাও।
উদ্দীপকের সাজু দারিদ্র্যের কারণে ঘড়ি কিনতে পারেনি। তাই সঠিক সময়ে স্কুলে যাওয়ার জন্য সে তার বাড়ির উঠানে একটি 'নয়টা ফুলে'র গাছ লাগায়। এখানে সাজুর ভিতরে লুকিয়ে থাকা সৌন্দর্যবোধ যেমন ফুটে উঠেছে, ঠিক তেমনিভাবে ফুটে উঠেছে তার গভীর পর্যবেক্ষণশীলতাও।
উত্তরের সারবস্তু: বিভিন্ন ধরনের ফুলের পরিচয় আর তার বৈশিষ্ট্য প্রকাশের দিক থেকে উদ্দীপক এবং 'ফুলের বিবাহ' রচনার মর্মবস্তু একই সরলরেখায় চলেছে।
প্রশ্ন ১৩
রূপবাজ এক সাহসী কিশোর কঙ্কন। সে দেখে কল্পনা নামক এক পরি তাকে নিয়ে গেছে সমুদ্রের তলদেশে, চাঁদের দেশে ও মঙ্গলগ্রহে। একপর্যায়ে তার গৃহকর্মী এসে ঘুম ভাঙিয়ে দিলে কঙ্কন বাস্তবে ফিরে আসে।
- ক. 'ইয়ারকি' শব্দের অর্থ কী?
- খ. 'ওঃ পোড়া কপাল, ফুলের?' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- গ. উদ্দীপকের কঙ্কন চরিত্রের সাথে 'ফুলের বিবাহ' রচনার সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রটি ব্যাখ্যা করো।
- ঘ. 'সংসার অনিত্যই বটে— এই আছে এই নাই।'— কথাটি উদ্দীপক এবং 'ফুলের বিবাহ' রচনার আলোকে মূল্যায়ন করো।
১৩ নম্বর প্রশ্নের উত্তর
ক. 'ইয়ারকি' শব্দের অর্থ রসিকতা; ফাজলামি।
খ. কুসুম ফুলের বিয়ের কথা শুনে কুসুম অবাক হয়ে প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করে।
কমলাকান্ত ফুলের বিয়ে দেওয়ার কথা বললে, কুসুম অবাক হয়ে প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করে।
কমলাকান্ত ফুলের বিয়ে দেওয়ার কথা বললে, কুসুম অবাক হয়ে প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করে।
উত্তরের সারবস্তু: প্রশ্নোক্ত উক্তিটি দ্বারা ফুলের বিয়ে হওয়ার প্রসঙ্গে বিস্ময় প্রকাশিত হয়েছে।
গ. কল্পনার জগতে মগ্ন হওয়ার দিক থেকে উদ্দীপকের কঙ্কন চরিত্রের সাথে 'ফুলের বিবাহ' রচনার সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রটি হলো কমলাকান্ত।
উদ্দীপকে রূপবাজ এক সাহসী কিশোর কঙ্কন। সে দেখে কল্পনা নামক এক পরি তাকে নিয়ে গেছে সমুদ্রের তলদেশে, চাঁদের দেশে ও মঙ্গলগ্রহে। একপর্যায়ে গৃহকর্মী এসে ঘুম ভাঙিয়ে দিলে কঙ্কন বাস্তবে ফিরে আসে।
উদ্দীপকে রূপবাজ এক সাহসী কিশোর কঙ্কন। সে দেখে কল্পনা নামক এক পরি তাকে নিয়ে গেছে সমুদ্রের তলদেশে, চাঁদের দেশে ও মঙ্গলগ্রহে। একপর্যায়ে গৃহকর্মী এসে ঘুম ভাঙিয়ে দিলে কঙ্কন বাস্তবে ফিরে আসে।
উত্তরের সারবস্তু: কাল্পনিক ভাবনায় দিক থেকে কঙ্কন চরিত্রের সাথে আলোচ্য রচনার কমলাকান্তর সাদৃশ্য রয়েছে।
ঘ. প্রশ্নোক্ত কথাটি দ্বারা বোঝায় পৃথিবীর কোনো কিছুই চিরস্থায়ী নয়; সবকিছুর পরিণতিই ধ্বংস, যা উদ্দীপক এবং 'ফুলের বিবাহ' রচনার আলোকে যথার্থ।
'ফুলের বিবাহ' রচনায়ও কমলাকান্তর ভাবনা চৈতন্য পাওয়ার সাথে সাথেই হারিয়ে যায়। এই বাস্তবতার সাথে মিল রেখে কমলাকান্তর ভাবনায় ফুটে উঠেছে, পৃথিবীর সবকিছুই একদিন ধ্বংস হবে। উদ্দীপকের কিশোর কঙ্কনের মনে একই উপলব্ধি লক্ষ করা যায়।
'ফুলের বিবাহ' রচনায়ও কমলাকান্তর ভাবনা চৈতন্য পাওয়ার সাথে সাথেই হারিয়ে যায়। এই বাস্তবতার সাথে মিল রেখে কমলাকান্তর ভাবনায় ফুটে উঠেছে, পৃথিবীর সবকিছুই একদিন ধ্বংস হবে। উদ্দীপকের কিশোর কঙ্কনের মনে একই উপলব্ধি লক্ষ করা যায়।
উত্তরের সারবস্তু: কল্পনায় বিলীন হওয়ার দিক থেকে প্রশ্নোক্ত উক্তিটি উদ্দীপক এবং 'ফুলের বিবাহ' রচনার আলোকে যথাযথ।

0 Comments