জীবনীশক্তি ও কোষীয় শ্বসন
এসএসসি (SSC) জীববিজ্ঞান - চতুর্থ অধ্যায়ের সম্পূর্ণ হ্যান্ডনোট
📖 ১ম অংশ: এটিপি (ATP) ও জৈবমুদ্রার ধারণা
📌 অ্যাডিনোসিন ও এর গঠন
- ➮ অ্যাডেনিন ➔ N বেস বা ক্ষারক (যা DNA/RNA তে থাকে)
- ➮ অ্যাডেনিন + পাঁচ কার্বনবিশিষ্ট রাইবোজ সুগার ➔ অ্যাডিনোসিন
- ↳ 5C + H + O (একটি জটিল জৈব যৌগ)
- ➮ AMP/ADP/ATP এই তিনটা তৈরি করতে অপরিহার্য উপাদান হলো = অ্যাডেনিন।
⚡ AMP, ADP এবং ATP এর রূপান্তর
- *** অ্যাডিনোসিন অণু + ১টি অজৈব ফসফেট (Pᵢ) ➔ AMP (অ্যাডিনোসিন মনো ফসফেট)
- *** অ্যাডিনোসিন অণু + 2P ➔ ADP এতে বাইরে থেকে শক্তি দিতে হয়।
- *** অ্যাডিনোসিন অণু + 3P ➔ ATP এতে বাইরে থেকে শক্তি দিতে হয়।
🔄 ফসফোরাইলেশন ও ডিফসফোরাইলেশন
- ➮ অ্যাডিনোসিন + ফসফেট (বন্ধন তৈরি) = פסফোরাইলেশন কোষে শক্তি প্রদান/সঞ্চয়
- ➮ অ্যাডিনোসিন — ফসফেট (বন্ধন ভাঙা) = ডিফসফোরাইলেশন কোষ থেকে শক্তি নির্গমন
- ✴ শক্তির পরিমাণ: প্রতি মোল ATP অণুর প্রান্তীয় ফসফেট গ্রুপ ভাঙলে ৭.৩ কিলোক্যালরি / প্রায় ৩০.৫৫ কিলোজুল শক্তি নির্গত বা সঞ্চিত হয়।
🔋 রিচার্জেবল ব্যাটারী ও জৈব মুদ্রা (Energy Coin)
- ➮ পরিবেশ থেকে শক্তি সংগ্রহ করে শক্তিকে কোষের ব্যবহার উপযোগী করার কাজটি সম্পন্ন করে প্লাস্টিড ও মাইটোকন্ড্রিয়া।
- ➮ প্লাস্টিড ও মাইটোকন্ড্রিয়ায় থাকে e- ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম (ETS) নামক জৈব অণু।
- ↳ কাজ: পুষ্টি উপাদান (গ্লুকোজ) ও অন্তর্বর্তীকালীন অণু (Protein + fat) এর শক্তিকে ATP এর ফসফেট গ্রুপের বন্ধনশক্তি হিসেবে জমা করা।
- ➮ ATP এর ভাঙা-গড়া হলো রিচার্জেবল ব্যাটারীর মতো। এর রাসায়নিক বন্ধন ভেঙে প্রাপ্ত শক্তি জীবদেহের জৈবনিক কাজ সম্পাদন করে।
- *** ATP শক্তি জমা রাখে ও প্রয়োজন অনুসারে তা খরচ করে বলে ATP হলো জৈব মুদ্রা / Energy Coin।
- *** ফোটন: সৌরশক্তির যে অংশ উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণে ব্যয় করে, তাই ফোটন।
📖 ২য় অংশ: সালোকসংশ্লেষণ (Photosynthesis)
🌿 সালোকসংশ্লেষণ পরিচিতি ও সংজ্ঞা
- ➮ Photosynthesis শব্দটি বিজ্ঞানী বার্নেস প্রথম ব্যবহার করেন।
[Photo (আলো) + synthesis (তৈরি করা) ➔ আলোর উপস্থিতিতে কিছু তৈরি করা] - ⇒ সংজ্ঞা: যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সবুজ উদ্ভিদ সূর্যালোকের উপস্থিতিতে CO2 ও পানি থেকে শর্করা (কার্বোহাইড্রেট) জাতীয় খাদ্য তৈরি করে, তাই সালোকসংশ্লেষণ।
- ➮ এটি একটি জারণ-বিজারণ প্রক্রিয়া। এতে আলোকশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয় এবং এটি প্রধানত পত্ররন্ধ্র দিয়ে সম্পন্ন হয়।
- ➮ উৎপাদিত খাদ্যের ব্যবহার: উদ্ভিদের বিপাকীয় কাজে ব্যবহৃত হয় এবং অবশিষ্ট খাদ্য ফলমূল, কাণ্ড ও পাতায় জমা থাকে যা মানবজাতি ও অন্যান্য জীবের অস্তিত্ব রক্ষা করে।
🧪 উপাদান ও জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়া
| প্রধান অঙ্গ | সবুজ পাতা | যন্ত্রপাতি | প্লাস্টিড (ক্লোরোপ্লাস্ট) |
| কাঁচামাল | CO2, পানি, আলো, ক্লোরোফিল | প্রধান স্থান | পাতার মেসোফিল টিস্যু |
সালোকসংশ্লেষণের সামগ্রিক রাসায়নিক সমীকরণ:
বিজারণ
+
6CO2
12H2O
জারণআলো (বেগুনী, নীল, কমলা, লাল)
ক্লোরোফিল
ক্লোরোফিল
C6H12O6
উপজাত
6H2O + 6O2
💧 কাঁচামাল গ্রহণ ও CO₂ এর প্রভাব
- ➮ স্থলজ উদ্ভিদ: মাটি থেকে মূল দ্বারা पानी শোষণ করে মেসোফিল টিস্যুর ক্লোরোপ্লাস্টে পাঠায় এবং বায়ু থেকে CO₂ গ্রহণ করে।
- ➮ জলজ উদ্ভিদ: পানিতে দ্রবীভূত CO₂ গ্রহণ করে।
- ✴ CO₂ এর পরিমাণ: বায়ুমণ্ডলে 0.03% এবং পানিতে 0.3%। এ কারণে জলজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণের হার বেশি।
☀️ সালোকসংশ্লেষণের পর্যায়সমূহ (বিজ্ঞানী ব্ল্যাকম্যান)
সালোকসংশ্লেষণ একটি জটিল ও দীর্ঘ প্রক্রিয়া। ১৯০৫ সালে বিজ্ঞানী ব্ল্যাকম্যান একে দুটি পর্যায়ে ভাগ করেন:
১. আলোক নির্ভর পর্যায় (Light Dependent Stage)
- ➔ ক্লোরোপ্লাস্টের গ্রানামে (Thylakoid) সম্পন্ন হয়। এখানে আলো অত্যাবশ্যক।
- ➔ সৌরশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে ATP, NADPH ও H⁺ উৎপন্ন করে। এদেরকে একত্রে আত্তীকরণ শক্তি (Assimilatory Power) বলে।
- ➔ ফটোফসফোরাইলেশন: ক্লোরোফিল ফোটন শোষণ করে ADP + Pᵢ এর সাহায্যে ATP তৈরি করে।
- ➔ Photolysis (পানির ফটোলাইসিস): আলোর উপস্থিতিতে পানি বিয়োজিত হয়ে ওটিজেন (O₂), হাইড্রোজেন (H⁺) ও ইলেকট্রন (e⁻) উৎপন্ন হওয়ার প্রক্রিয়া।
২. আলোক নিরপেক্ষ পর্যায় (Light Independent Stage)
- ➔ ক্লোরোপ্লাস্টের স্ট্রোমাতে সম্পন্ন হয়। আলোর সরাসরি প্রয়োজন নেই।
- ➔ আলোক পর্যায়ে তৈরি আত্তীকরণ শক্তি (ATP ও NADPH) ব্যবহার করে CO₂ বিজারিত হয়ে কার্বোহাইড্রেট তৈরি করে।
- ➔ কার্বন বিজারণের গতিপথ ৩টি: ক্যালভিন চক্র (C₃), হ্যাচ ও স্ল্যাক চক্র (C₄) এবং CAM।
🔄 C₃ চক্র, C₄ চক্র এবং CAM
ক্যালভিন চক্র (C₃ Cycle):
- ➮ প্রায় ৯৯% উদ্ভিদে কার্বন বিজারণ এই চক্রে ঘটে। কম তাপমাত্রা ও কম CO₂ ঘনত্বের উপযোগী।
- ➮ প্রথম স্থায়ী পদার্থ: ৩-কার্বন বিশিষ্ট ৩-ফসফোগ্লিসারিক এসিড (3-PGA)। CO₂ গ্রহীতা: রাইবুলোজ ১,৫-ডাইফসফেট (RuDP) রুবিস্কো এনজাইমের উপস্থিতিতে।
- ➮ আবিষ্কারক: মেলভিন ক্যালভিন (১৯৬১ সালে নোবেল পুরস্কার পান)।
হ্যাচ ও স্ল্যাক চক্র (C₄ Cycle):
- ➮ প্রথম স্থায়ী পদার্থ: ৪-কার্বন বিশিষ্ট অক্সালো অ্যাসিটিক এসিড (OAA)। CO₂ গ্রহীতা: ফসফোইনল পাইরুভিক এসিড (PEP)।
- ➮ সুবিধাজনক তাপমাত্রা: ৩০-৪৫°C। আবিষ্কারক: M.D. Hatch ও C.R. Slack (১৯৬৬)। C₄ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণের হার ও উৎপাদন বেশি।
💡 C₄ উদ্ভিদ মনে রাখার শর্টকাট টেকনিক
"আমাদের আঁখি মুনকে দুইবার ছুঁয়া চিঠি দেয়"
আমাদেরঅ্যামারেনথাস
আঁখিআখ
মুনকেমুথাগাছ / নটশাক
দুইবারদুর্বাঘাস
ছুঁয়াভুট্টা
চিঠিচিনাবাদাম
CAM (ক্রাসুলোসিয়ান এসিড মেটাবলিজম):
➮ সাধারণত মরুভূমির উদ্ভিদে (ক্যাকটাস জাতীয়) পানি বাঁচানোর জন্য এই প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরি ঘটে।
☀️ সালোকসংশ্লেষণে আলো ও ক্লোরোফিলের ভূমিকা
- 🌿 ক্লোরোফিল: ক্লোরোপ্লাস্ট সৃষ্টির হার বাড়লে সালোকসংশ্লেষণ বাড়ে ↑। কিন্তু খুব বেশি ক্লোরোফিল হলে এনজাইমের অভাব ঘটে এবং হার কমে ↓।
- ☀️ আলোর বর্ণালী: সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে ভালো হয় আলোর লাল, নীল, কমলা ও বেগুনি অংশে। সবুজ ও হলুদ আলোতে ভালো হয় না।
- ✴ তরঙ্গদৈর্ঘ্য: ৪00 nm থেকে ৬৮0 nm তরঙ্গদৈর্ঘ্য বিশিষ্ট আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে বেশি হয়।
- ⚠️ আলোর পরিমাণ অত্যাধিক বৃদ্ধি পেলে পাতার এনজাইম নষ্ট হয়ে ক্লোরোফিল উৎপাদন কমে যায় এবং সালোকসংশ্লেষণের হার হ্রাস পায়।
📊 সালোকসংশ্লেষণের প্রভাবকসমূহ
🌍 বাহ্যিক প্রভাবক:
- ১. আলো: আলো বাড়লে সালোকসংশ্লেষণ বাড়ে ↑।
- ২. CO₂: CO₂ বাড়লে হার বাড়ে, তবে খুব বেশি বাড়লে মেসোফিল টিস্যুর অম্লত্ব বেড়ে পত্ররন্ধ্র বন্ধ হয়ে যায়।
- ৩. তাপমাত্রা: পরিমিত তাপমাত্রা ২২°C - ৩৫°C। ০°C এর কাছাকাছি বা ৪৫°C এর উপরে এই প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়।
- ৪. পানি: পানির ঘাটতি হলে পত্ররন্ধ্র বন্ধ হয়ে যায়, ফলে হার কমে ↓।
- ৫. ওটিজেন (O₂): O₂ এর ঘনত্ব বাড়লে সালোকসংশ্লেষণের হার কমে ↓।
- ৬. খনিজ ও রাসায়নিক পদার্থ: খনিজ বা ভিটামিনের অভাব হলে হার কমে।
🧬 অভ্যন্তরীণ প্রভাবক:
- ১. শর্করা: শর্করার পরিমাণ বাড়লে সালোকসংশ্লেষণ কমে ↓ (বিকেলে শর্করা বেশি জমে তাই হার কমে)।
- ২. পটাশিয়াম (K): এটি অনুঘটক হিসেবে কাজ করে, অভাব হলে হার কমে ↓।
- ৩. পাতার বয়স ও সংখ্যা: মাঝারি বয়সী পাতায় সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে বেশি হয়। পাতার সংখ্যা বাড়লে হার বাড়ে ↑।
- ৪. অন্যান্য: পাতার অন্তর্গঠন, ক্লোরোফিলের পরিমাণ, প্রোটোপ্লাজম এবং প্রয়োজনীয় এনজাইম।
📖 ৩য় অংশ: কোষীয় শ্বসন (Respiration)
📌 শ্বসন পরিচিতি ও প্রকারভেদ
- ➮ সংজ্ঞা: জীবদেহে সঞ্চিত জটিল খাদ্যবস্তু (শর্করা, প্রোটিন, লিপিড) ভেঙে সহজ উপাদানে পরিণত হওয়া এবং শক্তি উৎপাদনের জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়াই হলো শ্বসন।
- ➮ স্থান ও সময়: কোষের সাইটোপ্লাজম ও মাইটোকন্ড্রিয়ায় জীবন্ত কোষে ২৪ ঘণ্টাই শ্বসন প্রক্রিয়া চলে।
খাদ্যগ্রহণ ➔ খাদ্য থেকে শক্তি সঞ্চারণের মূল প্রক্রিয়াই হলো শ্বসন
কার্বোহাইড্রেট/প্রোটিন/ফ্যাট ➔ গ্লুকোজ/অ্যামাইনো এসিড/ফ্যাটি এসিড ➔ রাসায়নিক শক্তি (ATP)⚡ সবাত শ্বসনের পর্যায় ও শক্তি উৎপাদন (Aerobic Respiration)
অক্সিজেনের উপস্থিতিতে যে শ্বসন হয় তাকে সবাত শ্বসন বলে। এটি ৪টি ধাপে সম্পন্ন হয়:
১. গ্লাইকোলাইসিস
➔
২. অ্যাসিটাইল কো-এ সৃষ্টি
➔
৩. ক্রেবস চক্র
➔
৪. ইলেকট্রন প্রবাহতন্ত্র
| শ্বসনের পর্যায় | সম্পন্ন স্থান | উৎপাদিত মোট বস্তু | নিট শক্তি উৎপাদন হিসাব |
|---|---|---|---|
| গ্লাইকোলাইসিস | সাইটোপ্লাজম | ২ অণু পাইরুভিক এসিড, ২ অণু NADH+H⁺, ৪ অণু ATP | ৮ ATP (২ অণু ATP ব্যয় হয়) |
| অ্যাসিটাইল Co-A | সাইটোপ্লাজম | ২ অণু অ্যাসিটাইল Co-A, ২ অণু CO₂, ২ অণু NADH+H⁺ | ৬ ATP |
| ক্রেবস চক্র | মাইটোকন্ড্রিয়া | ৪ অণু CO₂, ৬ অণু NADH+H⁺, ২ অণু FADH₂, ২ অণু GTP | ২৪ ATP |
| সর্বমোট নিট উৎপাদন: | ৩৮ অণু ATP + ৬ অণু CO₂ | ||
🚫 অবাত শ্বসন (Anaerobic Respiration)
অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে যে শ্বসন হয় তাকে অবাত শ্বসন বলে। এটি প্রধানত ব্যাকটেরিয়া ও ইস্টে ঘটে।
- ✴ শক্তির পরিমাণ: অবাত শ্বসনে মাত্র ২ অণু ATP বা ৫৬ kcal/mol শক্তি উৎপন্ন হয়।
📊 শ্বসনের প্রভাবকসমূহ
🌍 বাহ্যিক প্রভাবক:
- ১. তাপমাত্রা: শ্বসনের জন্য উত্তম তাপমাত্রা ২০°C থেকে ৪৫°C।
- ২. ওটিজেন (O₂): সবাত শ্বসনের জন্য ওটিজেন অত্যাবশ্যক।
🌟 জীবজগতে শ্বসনের গুরুত্ব
- ✔ বেকারি ও দুগ্ধ শিল্প: ইস্টের অবাত শ্বসনের ফলে তৈরি CO₂ এর চাপে রুটি ফোলে। ল্যাকটিক এসিড ফার্মেন্টেশনের মাধ্যমে দই ও পনির তৈরি হয়।
⚖️ ৪র্থ অংশ: তুলনামূলক পার্থক্যসমূহ
১. সবাত শ্বসন বনাম অবাত শ্বসনের পার্থক্য
| বৈশিষ্ট্য | সবাত শ্বসন (Aerobic) | অবাত শ্বসন (Anaerobic) |
|---|---|---|
| ১. অক্সিজেন | অক্সিজেনের উপস্থিতি অপরিহার্য। | অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে ঘটে। |
| ২. উৎপাদিত শক্তি | বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয় (৩৮ ATP)। | সামান্য শক্তি উৎপন্ন হয় (২ ATP)। |
| ৩. রাসায়নিক সংকেত | C₆H₁₂O₆ + 6O₂ ➔ 6CO₂ + 6H₂O + ৬৮৬ kcal | C₆H₁₂O₆ ➔ 2C₂H₅OH + 2CO₂ + ৫৬ kcal |
২. সালোকসংশ্লেষণ বনাম শ্বসনের তুলনামূলক পার্থক্য
| তুলনীয় বিষয় | সালোকসংশ্লেষণ (Photosynthesis) | শ্বসন (Respiration) |
|---|---|---|
| ১. বিপাকীয় প্রক্রিয়া | উপচিতিমূলক প্রক্রিয়া (দেহের শুষ্ক ওজন বাড়ে)। | অপচিতিমূলক প্রক্রিয়া (দেহের শুষ্ক ওজন কমে)। |
| ২. সংঘটন স্থান | কোষের ক্লোরোপ্লাস্টে ঘটে। | কোষের সাইটোপ্লাজম ও মাইটোকন্ড্রিয়ায় ঘটে। |

0 Comments