১০.১ আধান বা চার্জ
▸ পাঠ্যবই, পৃষ্ঠা ২৭২
প্রশ্ন ১। আধান বলতে কী বুঝ? ব্যাখ্যা করো।
[নোয়াখালী জিলা স্কুল; পাঠ্যবই পৃ.-২৭২]
উত্তর : পদার্থ সৃষ্টিকারী মৌলিক কণাসমূহের যেমন– ইলেকট্রন ও প্রোটনের মৌলিক ও বৈশিষ্ট্যমূলক ধর্মই চার্জ বা আধান। ইলেকট্রন ও প্রোটনের আধান ভিন্ন। ইলেকট্রন নেগেটিভ এবং প্রোটন পজিটিভ চার্জ বহন করে। চার্জের উপস্থিতি বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র এবং বৈদ্যুতিক শক্তি সৃষ্টি করে। এটি পদার্থের মৌলিক বৈশিষ্ট্যগুলোর একটি।
প্রশ্ন ২। চার্জের ক্ষুদ্রতম একটি মান আছে, সেটি হচ্ছে $1.6 \times 10^{-19}\text{ C}$ এ রকম কি ভরের একটি ক্ষুদ্রতম মান আছে?
[পাঠ্যবই পৃ.-২৭২]
উত্তর : চার্জের ক্ষুদ্রতম একটি মান আছে কিন্তু ভরের এরকম কোনো ক্ষুদ্রতম মান নেই। কোনো পদার্থের ক্ষুদ্রতম অংশ হচ্ছে এর পরমাণু। এক এক পদার্থের পরমাণুর ভর এক এক। এ কারণে ভরের কোনো ক্ষুদ্রতম মান নেই।
প্রশ্ন ৩। সমধর্মী চার্জ হওয়া সত্ত্বেও প্রোটনগুলো কিভাবে নিউক্লিয়াস গঠন করে?
[পাঠ্যবই পৃ.-২৭৩]
উত্তর : নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন সবল নিউক্লিয় বলের দ্বারা আবদ্ধ থাকে। প্রচন্ড বলে আটকে থাকার কারণে এদের মাঝে অনেক বিভবশক্তি জমা থাকে। এই আকর্ষণ বলের মান প্রোটন-প্রোটন বিকর্ষণ বলের চেয়ে অনেক বেশি হয়। তাই সমধর্মী চার্জ হওয়া সত্ত্বেও প্রোটনগুলো একত্রিত হয়ে সবল নিউক্লিয় বলের মাধ্যমে নিউক্লিয়াস গঠন করে।
১০.২ ঘর্ষণে স্থির বিদ্যুৎ তৈরি
▸ পাঠ্যবই, পৃষ্ঠা ২৭৪
প্রশ্ন ৪। ইলেকট্রন আসক্তির ভিন্নতা কিভাবে স্থির তড়িৎ উৎপন্ন করে?– ব্যাখ্যা করো।
[পাঠ্যবই পৃ.-২৭৪]
উত্তর : সকল পদার্থের ইলেকট্রন আসক্তি সমান নয়। একাধিক বস্তুকে পরস্পরের সাথে ঘষা হলে যে বস্তুর ইলেকট্রন আসক্তি বেশি সে ইলেকট্রন গ্রহণ করে ঋণাত্মক আধানে আহিত হয় এবং অপর বস্তু ধনাত্মক আধানে আহিত হয়। এভাবে ইলেকট্রন আসক্তির ভিন্নতার কারণে স্থির তড়িৎ উৎপন্ন হয়।
প্রশ্ন ৫। কাচকে ঋণাত্মক চার্জে চার্জিত করা যায় না কেন? ব্যাখ্যা করো।
[রা. বো., ’২৬ | পাঠ্যবই পৃ.-২৭৪]
উত্তর : কাচের ইলেকট্রন আসক্তি খুব কম। অর্থাৎ কাচ সহজে অন্য বস্তু থেকে ইলেকট্রন গ্রহণ করতে চায় না। ঘর্ষণের সময় কাচ বরং নিজের ইলেকট্রন ত্যাগ করে অন্য বস্তুকে দেয়। ফলে কাচে ইলেকট্রনের ঘাটতি সৃষ্টি হয় এবং এটি ধনাত্মক চার্জিত হয়। ঋণাত্মক চার্জিত হতে হলে কাচকে অতিরিক্ত ইলেকট্রন গ্রহণ করতে হতো, কিন্তু কম ইলেকট্রন আসক্তির কারণে তা সহজে সম্ভব হয় না। তাই সাধারণ অবস্থায় কাচকে ঋণাত্মক চার্জে চার্জিত করা যায় না।
প্রশ্ন ৬। একটি কাচদণ্ডকে সিল্ক দ্বারা ঘষলে কোনটি কোন চার্জে চার্জিত হয়? ব্যাখ্যা করো।
[পাঠ্যবই পৃ.-২৭৪]
[পাবনা জিলা স্কুল; বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ]
উত্তর : স্বাভাবিক অবস্থায় পরমাণুতে ইলেকট্রন ও প্রোটন সমপরিমাণে থাকলেও প্রত্যেক পরমাণুরই প্রয়োজনের অতিরিক্ত ইলেকট্রনের প্রতি আসক্তি থাকে। সিল্কের ইলেকট্রন আসক্তি কাচের চেয়ে বেশি বলে কাচদণ্ডকে সিল্ক দ্বারা ঘষলে কাচ থেকে ইলেকট্রন সিল্কে চলে যায়, ফলে সিল্ক ঋণাত্মক আধানে এবং কাচদণ্ড ধনাত্মক আধানে আহিত হয়।
প্রশ্ন ৭। ঘর্ষণ এর ফলে স্থির বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
[ম. বো. ’২৬ | পাঠ্যবই পৃ.-২৭৪]
উত্তর : সকল পদার্থের ইলেকট্রন আসক্তি সমান নয়। একাধিক বস্তুকে পরস্পরের সাথে ঘষা হলে যে বস্তুর ইলেকট্রন আসক্তি বেশি সে ইলেকট্রন গ্রহণ করে ঋণাত্মক আধানে আহিত হয় এবং অপর বস্তু ধনাত্মক আধানে আহিত হয়। এভাবে ইলেকট্রন আসক্তির ভিন্নতার কারণে ঘর্ষণের ফলে স্থির বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়।
প্রশ্ন ৮। কলম দিয়ে চুলে ঘর্ষণের পর ছোটো ছোটো কাগজের টুকরোকে কলম আকর্ষণ করে কেন? ব্যাখ্যা করো।
[চ. বো. ’২৬ | পাঠ্যবই পৃ.-২৭৪]
উত্তর : কলমকে চুলের সঙ্গে ঘর্ষণ করলে ঘর্ষণের কারণে কলমে স্থির বৈদ্যুতিক আধান সৃষ্টি হয়। সাধারণত কলম ঋণাত্মক আধানযুক্ত হয়ে যায়। ছোটো ছোটো কাগজের টুকরা প্রথমে নিরপেক্ষ অবস্থায় থাকে। আধানযুক্ত কলম কাগজের মধ্যে বিপরীত আধানের প্রভাব সৃষ্টি করে, যাকে তড়িৎ আবেশ বলে। ফলে কাগজের টুকরাগুলো কলমের দিকে আকর্ষিত হয়। তাই ঘর্ষণের পর কলম ছোটো ছোটো কাগজের টুকরাকে আকর্ষণ করে।
প্রশ্ন ৯। প্লাস্টিককে ফ্লানেল বা পশমি কাপড় দিয়ে ঘষলে কে ঋণাত্মক আধানে আহিত হবে?– ব্যাখ্যা করো।
[পাঠ্যবই পৃ.-২৭৪]
উত্তর : প্লাস্টিককে ফ্লানেল বা পশমি কাপড় দিয়ে ঘষলে প্লাস্টিক ঋণাত্মক আধানে আহিত হবে। কেননা প্লাস্টিকের ইলেকট্রন আসক্তি ফ্লানেলের থেকে বেশি। ইলেকট্রন আসক্তি বেশি হওয়ার কারণে ফ্লানেল থেকে ইলেকট্রন প্লাস্টিকে চলে আসে এবং প্লাস্টিক ঋণাত্মক আধানে আহিত হয়।
১০.৩ বৈদ্যুতিক আবেশ
▸ পাঠ্যবই, পৃষ্ঠা ২৭৫
প্রশ্ন ১০। বৈদ্যুতিক আবেশ বলতে কী বুঝায়?
[পাঠ্যবই পৃ.-২৭৫]
উত্তর : একটি আহিত বস্তুর কাছে এনে স্পর্শ না করে শুধুমাত্র এর উপস্থিতিতে কোনো অনাহিত বস্তুকে আহিত করার পদ্ধতিকে বৈদ্যুতিক আবেশ বলে। তড়িৎ আবেশ পদ্ধতিতে একটি আহিত বস্তুকে কোনো পরিবাহকের নিকটে রেখে পরিবাহকটিকেও আহিত করা যায়।
প্রশ্ন ১১। আবেশী আধান ও আবিষ্ট আধান বলতে কী বুঝ?
[বগুড়া জিলা স্কুল; পাঠ্যবই পৃ.-২৭৫]
উত্তর : যে আধান কোনো অনাহিত পরিবাহকে আবেশ সৃষ্টি করে, তাকে আবেশী আধান বলে। আবেশী আধানের প্রভাবে কোনো অনাহিত পরিবাহকে যে আধানের সঞ্চার হয়, তাকে আবিষ্ট আধান বলে।
প্রশ্ন ১২। আবেশী ও আবিষ্ট চার্জ বিপরীতধর্মী– ব্যাখ্যা করো।
[পাঠ্যবই পৃ.-২৭৫]
উত্তর : তড়িৎ আবেশের ফলে নতুন কোনো আধান উৎপন্ন হয় না। সমপরিমাণ বিপরীত জাতীয় আধান পৃথক হয়ে পরিবাহীর দুই প্রান্তে সরে যায়। যে আধান পরিবাহীতে আবেশ সৃষ্টি করে তাকে আবেশী আধান বলে। অন্য দিকে যে আধান সঞ্চয় হয় তাকে আবিষ্ট আধান বলে। সৃষ্ট ঋণাত্মক আধান দেয়ালে আবেশ সৃষ্টি করলে দেয়ালে আবিষ্ট ধনাত্মক আধান ঋণাত্মক আধানকে আকর্ষণ করে।
প্রশ্ন ১৩। চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ালে কোনটি কোন চার্জে চার্জিত হয় ব্যাখ্যা করো।
[দাউদ পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, যশোর সেনানিবাস; পাঠ্যবই পৃ.-২৭৫]
উত্তর : চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ালে চিরুনি ও চুল বিপরীতধর্মী চার্জ ধারণ করে। চুল থেকে কিছু ইলেকট্রন চিরুনিতে স্থানান্তরিত হয়। ফলে চিরুনি ইলেকট্রন বেশি পাওয়ায় ঋণাত্মক আধানে আহিত হয় এবং চুলে ইলেকট্রন কমে যাওয়ায় তা ধনাত্মক আধানে আহিত হয়।
প্রশ্ন ১৪। ঋণাত্মক আহিত দণ্ড দিয়ে ২টি ধাতব গোলক বিপরীত আধান করা যায় কী?
[সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজ, নীলফামারী; পাঠ্যবই পৃ.-২৭৭]
উত্তর : একটি ঋণাত্মক আহিত দণ্ড দ্বারা সরাসরি একটি নিরপেক্ষ বস্তুতে সমধর্মী চার্জ সৃষ্টি সম্ভব না হলেও বিপরীতধর্মী চার্জ সৃষ্টি সম্ভব। ঋণাত্মক চার্জে চার্জিত বস্তুকে নিরপেক্ষ বস্তুর নিকট আনলে ঋণাত্মক আধান দ্বারা বিকর্ষিত হয়ে মুক্ত ঋণাত্মক আধানগুলো চার্জিত বস্তুর প্রান্তের দিকে চলে যায় ফলে বস্তুটির অপর প্রান্তে ইলেকট্রন ঘাটতি সৃষ্টি হয়। অর্থাৎ অপর প্রান্ত ধনাত্মক আধানযুক্ত হয়। এ অবস্থায় ঋণাত্মক প্রান্ত ভূ-সংযোগ করলে ঋণাত্মক আধান ভূমিতে চলে যাবে। এখন চার্জিত বস্তুটি সরিয়ে নিলে আহিত ধনাত্মক আধান নিরপেক্ষ বস্তুটির সর্বত্র থাকবে এবং বস্তুটি ধনাত্মক আধানে আহিত হবে।
প্রশ্ন ১৫। “আগে আবেশ পরে আকর্ষণ” তড়িৎ আবেশের বেলায় ঘটনাটি ব্যাখ্যা করো।
[ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ, ঢাকা; পাঠ্যবই পৃ.-২৭৭]
উত্তর : কোনো অনাহিত বস্তুকে আহিত বস্তুর নিকটে আনলে আহিত বস্তুর প্রভাবে অনাহিত বস্তুটি আহিত হয় অর্থাৎ এর মধ্যে আধান আবিষ্ট হয়। আবিষ্ট হওয়ার পরই অন্য কোনো বস্তুর নিকটে নিলে তা আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল লাভ করে। অর্থাৎ তড়িৎ আবেশের বেলায় “আগে আবেশ পরে আকর্ষণ” ঘটনাটি সত্য।
১০.৩.১ ইলেকট্রোস্কোপ
▸ পাঠ্যবই, পৃষ্ঠা ২৭৮
প্রশ্ন ১৬। ইলেকট্রোস্কোপের সাহায্যে কিভাবে আহিত বস্তুর চার্জের প্রকৃতি নির্ণয় করা যায় ব্যাখ্যা করো।
[পাঠ্যবই পৃ.-২৭৮]
উত্তর : ইলেকট্রোস্কোপের সাহায্যে আহিত বস্তুর চার্জের প্রকৃতি নির্ণয় করতে প্রথমে যন্ত্রটিকে ধনাত্মক বা ঋণাত্মক আধানে আহিত করতে হবে। যন্ত্রটি ধনাত্মক আধানে আহিত হলে পাতদ্বয় ফাঁক হয়ে যাবে। এমতাবস্থায় আহিত বস্তুটিকে যন্ত্রের চাকতির সংস্পর্শে আনলে যদি পাতদুটির ফাঁক কমে তবে বুঝা যায় বস্তুটি ঋণাত্মক আধানে এবং ফাঁক বেড়ে গেলে ধনাত্মক আধানে বা চার্জে চার্জিত।
প্রশ্ন ১৭। ইলেকট্রোস্কোপের প্রয়োজনীয়তা কী?
[সিলেট ক্যাডেট কলেজ; পাঠ্যবই পৃ.-২৭৮]
উত্তর : কোনো বস্তুতে আধানের অস্তিত্ব অর্থাৎ, কোনো বস্তুতে আধান আছে কিনা নির্ণয়ের জন্য বস্তুটিকে একটি অনাহিত তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্রের চাকতির কাছে আনতে হবে। এতে যদি পাত দুটি পরস্পর থেকে দূরে সরে যায়, তাহলে বুঝতে হবে বস্তুটিতে আধানের অস্তিত্ব আছে। কিন্তু যদি পাত দুটি পরস্পর থেকে দূরে সরে না যায়, তাহলে বুঝতে হবে বস্তুটিতে আধান নেই। আবার যদি পাত দুইটি কম দূরে সরে তবে আধানের পরিমাণ কম এবং বেশি দূরে সরলে আধানের পরিমাণ বেশি। এভাবেই আধানের অস্তিত্ব ও পরিমাণ সম্পর্কে ধারণা পেতে ইলেকট্রোস্কোপ প্রয়োজনীয়।
১০.৪ বৈদ্যুতিক বল
▸ পাঠ্যবই, পৃষ্ঠা ২৭৯
প্রশ্ন ১৮। দুটি আধানের মধ্যবর্তী তড়িৎ বল কোন কোন বিষয়ের উপর নির্ভর করে?
[পাঠ্যবই পৃ.-২৭৯]
[মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ, টাঙ্গাইল; রাজশাহী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়]
উত্তর : দুটি আধানের মধ্যবর্তী তড়িৎ বল নিম্নবর্ণিত বিষয়ের উপর নির্ভর করে।
১. আধানদ্বয়ের মান,
২. আধানদ্বয়ের মধ্যবর্তী দূরত্ব এবং
৩. আধানদ্বয়ের মধ্যবর্তী মাধ্যমের প্রকৃতির উপর।
১. আধানদ্বয়ের মান,
২. আধানদ্বয়ের মধ্যবর্তী দূরত্ব এবং
৩. আধানদ্বয়ের মধ্যবর্তী মাধ্যমের প্রকৃতির উপর।
প্রশ্ন ১৯। কুলম্বের সূত্রটি বিবৃত করো।
[সফিউদ্দিন সরকার একাডেমি এন্ড কলেজ, টঙ্গী, গাজীপুর; পাঠ্যবই পৃ.-২৮০]
উত্তর : কুলম্বের সূত্রটি হলো– নির্দিষ্ট মাধ্যমে দুটি বিন্দু আধানের মধ্যে ক্রিয়াশীল আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বলের মান আধানদ্বয়ের গুণফলের সমানুপাতিক, মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক এবং এ বল এদের সংযোজক সরলরেখা বরাবর ক্রিয়া করে। দুটি গোলকের চার্জ যথাক্রমে $q_1$ ও $q_2$ এবং এদের মধ্যবর্তী দূরত্ব $d$ হলে, কুলম্বের সূত্রানুসারে,
$$F \propto \frac{q_1 q_2}{d^2}$$
বা, $F = k \cdot \frac{q_1 q_2}{d^2}$; $k$ একটি ধ্রুবক।
প্রশ্ন ২০। $10$ কুলম্ব আধান বলতে কী বোঝ?
[জামালপুর জিলা স্কুল; পাঠ্যবই পৃ.-২৮০]
উত্তর : সমপরিমাণ ও সমধর্মী দুইটি আধান শূন্য মাধ্যমে পরস্পর $10\text{ m}$ দূরত্বে থেকে পরস্পর যদি পরস্পরকে $9 \times 10^9\text{ N}$ বলে বিকর্ষণ করে তবে আধান দুইটির প্রত্যেককে $10$ কুলম্ব আধান বলে।
প্রশ্ন ২১। কুলম্বের ধ্রুবক বলতে কী বুঝ? ব্যাখ্যা করো।
[শহীদ পুলিশ স্মৃতি কলেজ, ঢাকা; পাঠ্যবই পৃ.-২৮০]
উত্তর : কুলম্বের ধ্রুবক হলো এমন একটি ধ্রুবক যা দুটি চার্জের মধ্যে স্থির তড়িৎ বলের পরিমাণ নির্ধারণ করে। কুলম্বের ধ্রুবকের মান $9 \times 10^9\text{ Nm}^2\text{ C}^{-2}$ বলতে বোঝায় শূন্য মাধ্যমে $1\text{ C}$ মানের দুটি আধান পরস্পর হতে $1\text{ m}$ দূরত্বে থাকলে তাদের মধ্যে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বলের মান হবে $9 \times 10^9\text{ N}$।
প্রশ্ন ২২। কুলম্ব ধ্রুবকের মান $9 \times 10^9\text{ Nm}^2\text{ C}^{-2}$ বলতে কী বুঝায়?
[পাঠ্যবই পৃ.-২৮০]
উত্তর : কুলম্ব ধ্রুবকের মান $9 \times 10^9\text{ Nm}^2\text{ C}^{-2}$ বলতে বুঝায় শূন্য মাধ্যমে $1\text{ C}$ মানের দুটি আধান পরস্পর হতে $1\text{ m}$ দূরত্বে থাকলে তাদের আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বলের মান হবে $9 \times 10^9\text{ N}$.
কুলম্বের সূত্রানুসারে, $$F = k \frac{q_1 q_2}{r^2}$$ বা, $k = \frac{F r^2}{q_1 q_2} = \frac{9 \times 10^9 \times 1^2}{1 \cdot 1}\text{ Nm}^2\text{ C}^{-2} = 9 \times 10^9\text{ Nm}^2\text{ C}^{-2}$
কুলম্বের সূত্রানুসারে, $$F = k \frac{q_1 q_2}{r^2}$$ বা, $k = \frac{F r^2}{q_1 q_2} = \frac{9 \times 10^9 \times 1^2}{1 \cdot 1}\text{ Nm}^2\text{ C}^{-2} = 9 \times 10^9\text{ Nm}^2\text{ C}^{-2}$
প্রশ্ন ২৩। কুলম্ব ধ্রুবকের একক নির্ণয় করো।
[পাঠ্যবই পৃ.-২৮০]
উত্তর : কুলম্ব ধ্রুবক, $k = \frac{F r^2}{q_1 q_2}$
$$\therefore k \text{ এর একক} = \frac{\text{বলের একক} \times (\text{দূরত্বের একক})^2}{(\text{চার্জের একক})^2}$$
$$= \frac{\text{N} \times \text{m}^2}{\text{C}^2} = \text{Nm}^2\text{C}^{-2}$$
প্রশ্ন ২৪। মহাকর্ষ বল ও কুলম্ব বলের মধ্যে পার্থক্য লেখো।
[পাঠ্যবই পৃ.-২৮০]
উত্তর : মহাকর্ষ বল ও কুলম্ব বলের মধ্যে পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো–
| মহাকর্ষ বল | কুলম্ব বল |
|---|---|
| ১. বস্তুদ্বয়ের ভরের উপর নির্ভর করে। | ২. বস্তুদ্বয়ের চার্জের উপর নির্ভর করে। |
| ২. এ বল আকর্ষণ ধর্মী। | ২. এ বল আকর্ষণ বা বিকর্ষণ ধর্মী। |
| ৩. মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে না। | ৩. মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে। |
প্রশ্ন ২৫। দুটি বিন্দু আধান $q_1$ ও $q_2$ এর মধ্যবর্তী দূরত্ব $1.5$ গুণ হলে তাদের মধ্যবর্তী বলের কিরূপ পরিবর্তন হবে?
[পাঠ্যবই পৃ.-২৮২]
উত্তর : এখানে, $q_1$ ও $q_2$ এর প্রাথমিক মধ্যবর্তী দূরত্ব $= r_1$
$q_1$ ও $q_2$ এর পরিবর্তিত দূরত্ব $= r_2 = 1.5\,r_1$
আধানদ্বয়ের প্রাথমিক মধ্যবর্তী বল $= F_1$
আধানদ্বয়ের পরিবর্তিত বল $= F_2$
আমরা জানি, $F \propto \frac{1}{r^2}$
বা, $\frac{F_2}{F_1} = \frac{r_1^2}{r_2^2} = \frac{r_1^2}{(1.5\,r_1)^2} = \frac{1}{2.25}$
$\therefore F_2 = \frac{1}{2.25} \times F_1 = 0.44\,F_1$
অর্থাৎ, আধানদ্বয়ের পরিবর্তিত মধ্যবর্তী বল প্রাথমিক মধ্যবর্তী বলের $0.44$ গুণ হবে।
$q_1$ ও $q_2$ এর পরিবর্তিত দূরত্ব $= r_2 = 1.5\,r_1$
আধানদ্বয়ের প্রাথমিক মধ্যবর্তী বল $= F_1$
আধানদ্বয়ের পরিবর্তিত বল $= F_2$
আমরা জানি, $F \propto \frac{1}{r^2}$
বা, $\frac{F_2}{F_1} = \frac{r_1^2}{r_2^2} = \frac{r_1^2}{(1.5\,r_1)^2} = \frac{1}{2.25}$
$\therefore F_2 = \frac{1}{2.25} \times F_1 = 0.44\,F_1$
অর্থাৎ, আধানদ্বয়ের পরিবর্তিত মধ্যবর্তী বল প্রাথমিক মধ্যবর্তী বলের $0.44$ গুণ হবে।
১০.৫ তড়িৎ ক্ষেত্র
▸ পাঠ্যবই, পৃষ্ঠা ২৮৩
প্রশ্ন ২৬। বৈদ্যুতিক বলরেখা কী? ব্যাখ্যা করো।
[কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ]
অথবা, তড়িৎ বলরেখা ব্যাখ্যা করো। [কুমিল্লা জিলা স্কুল; পাঠ্যবই পৃ.-২৮৩]
অথবা, তড়িৎ বলরেখা ব্যাখ্যা করো। [কুমিল্লা জিলা স্কুল; পাঠ্যবই পৃ.-২৮৩]
উত্তর : কোনো তড়িৎক্ষেত্রে একটি মুক্ত ধনাত্মক আধান স্থাপন করলে এটি যে পথে পরিভ্রমণ করে তাকে তড়িৎ বলরেখা বলা হয়। তড়িৎ ক্ষেত্র দেখা যায় না কিন্তু কাউকে বোঝানোর জন্য অনেক সময় তড়িৎ বলরেখা নামে পুরোপুরি কাল্পনিক এক ধরনের রেখা এঁকে দেখানো হয়। বলরেখাগুলো চার্জ থেকে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
প্রশ্ন ২৭। দুটি সমচার্জের জন্য বলরেখা অঙ্কন করো।
[আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল, ঢাকা; পাঠ্যবই পৃ.-২৮৩]
উত্তর : দুটি সমমানের ধনাত্মক চার্জের ক্ষেত্রে বলরেখা :
দুটি সমমানের ঋণাত্মক চার্জের ক্ষেত্রে বলরেখা :
প্রশ্ন ২৮। তড়িৎ ক্ষেত্রের সকল বিন্দুতে তড়িৎ তীব্রতা সমান নয় কেন?
[ঢা. বো. ’২৬]
[সরকারি প্রমথ নাথ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, রাজশাহী; পাঠ্যবই পৃ.-২৮৩]
উত্তর : আহিত বস্তুর চারদিকে যে অঞ্চল জুড়ে তড়িতের প্রভাব বিদ্যমান সেই অঞ্চলকেই উক্ত বস্তুর তড়িৎক্ষেত্র বলে। গাণিতিকভাবে,
তড়িৎক্ষেত্র, $E = \frac{F}{q} = \frac{1}{q} \cdot \frac{k \times q^2}{r^2} = \frac{kq}{r^2}$
$\therefore E \propto \frac{1}{r^2}$ [যেহেতু $k$ ও $q$ ধ্রুবক]
সুতরাং, দেখা যাচ্ছে যে, তড়িৎক্ষেত্র দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক, অর্থাৎ দূরত্ব কমলে তড়িৎক্ষেত্র বাড়ে এবং দূরত্ব বাড়লে তড়িৎক্ষেত্র কমে। সুতরাং যেহেতু তড়িৎক্ষেত্রের সকল বিন্দুতে দূরত্ব সমান নয় তাই তড়িৎক্ষেত্র বা তড়িৎ তীব্রতা সমান নয়।
তড়িৎক্ষেত্র, $E = \frac{F}{q} = \frac{1}{q} \cdot \frac{k \times q^2}{r^2} = \frac{kq}{r^2}$
$\therefore E \propto \frac{1}{r^2}$ [যেহেতু $k$ ও $q$ ধ্রুবক]
সুতরাং, দেখা যাচ্ছে যে, তড়িৎক্ষেত্র দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক, অর্থাৎ দূরত্ব কমলে তড়িৎক্ষেত্র বাড়ে এবং দূরত্ব বাড়লে তড়িৎক্ষেত্র কমে। সুতরাং যেহেতু তড়িৎক্ষেত্রের সকল বিন্দুতে দূরত্ব সমান নয় তাই তড়িৎক্ষেত্র বা তড়িৎ তীব্রতা সমান নয়।
প্রশ্ন ২৯। দুটি অসমান সমধর্মী চার্জের নিরপেক্ষ বিন্দু ক্ষুদ্রতর আধানের নিকটতর কেন?
[ধানমন্ডি গভঃ বয়েজ হাই স্কুল, ঢাকা; পাঠ্যবই পৃ.-২৮৪]
উত্তর : দুটি অসমান সমধর্মী চার্জের জন্য সৃষ্ট তড়িৎ ক্ষেত্রের মান যে বিন্দুতে সমান সেটিই নিরপেক্ষ বিন্দু। তড়িৎ ক্ষেত্রের মান $E = k \frac{q}{r^2}$. ক্ষুদ্রতম আধানের ক্ষেত্রে $q$ এর মান অপেক্ষাকৃত কম তাই $r$ এর মান কম হলেই তা বেশি আধানের জন্য তড়িৎ ক্ষেত্রের মানের সমান হতে পারবে। তাই নিরপেক্ষ বিন্দু ক্ষুদ্রতর আধানের নিকটতর হয়।
প্রশ্ন ৩০। তড়িৎ বলরেখাগুলো আঁকার সময় কী কী নিয়ম মেনে চলা হয়?
[সরকারি করোনেশন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, খুলনা; পাঠ্যবই পৃ.-২৮৫]
অথবা, তড়িৎ বলরেখার বৈশিষ্ট্যগুলো লেখো। [চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন আন্তঃবিদ্যালয়]
অথবা, তড়িৎ বলরেখার বৈশিষ্ট্যগুলো লেখো। [চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন আন্তঃবিদ্যালয়]
উত্তর : তড়িৎ বলরেখাগুলো আঁকার সময় কিছু নিয়ম মেনে চলা হয়। যেমন:
i. পজিটিভ চার্জের বেলায় বলরেখা পজিটিভ চার্জ থেকে বের হবে এবং নেগেটিভ চার্জে এসে কেন্দ্রীভূত হবে। একটা নির্দিষ্ট বিন্দুতে বলরেখার স্পর্শকের দিক হচ্ছে তড়িৎ ক্ষেত্রের দিক।
ii. চার্জের পরিমাণ যত বেশি হবে প্রতি একক আয়তন বা ক্ষেত্রফলে বলরেখার সংখ্যা তত বেশি হবে।
iii. বলরেখাগুলো যত কাছাকাছি থাকবে তড়িৎ ক্ষেত্রের মান তত বেশি হবে।
iv. একটি চার্জের বলরেখা কখনো অন্য চার্জের বলরেখাকে ছেদ করবে না।
i. পজিটিভ চার্জের বেলায় বলরেখা পজিটিভ চার্জ থেকে বের হবে এবং নেগেটিভ চার্জে এসে কেন্দ্রীভূত হবে। একটা নির্দিষ্ট বিন্দুতে বলরেখার স্পর্শকের দিক হচ্ছে তড়িৎ ক্ষেত্রের দিক।
ii. চার্জের পরিমাণ যত বেশি হবে প্রতি একক আয়তন বা ক্ষেত্রফলে বলরেখার সংখ্যা তত বেশি হবে।
iii. বলরেখাগুলো যত কাছাকাছি থাকবে তড়িৎ ক্ষেত্রের মান তত বেশি হবে।
iv. একটি চার্জের বলরেখা কখনো অন্য চার্জের বলরেখাকে ছেদ করবে না।
প্রশ্ন ৩১। সমান ও সমধর্মী ধনাত্মক চার্জের বেলায় তড়িৎ বলরেখা এঁকে ব্যাখ্যা করো।
[গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুল, ময়মনসিংহ; পাঠ্যবই পৃ.-২৮৫]
উত্তর : সমান মানের দুটি ধনাত্মক আধান পাশাপাশি স্থাপন করলে বলরেখাগুলো পরস্পরের বিপরীতমুখী হবে, কারণ এক্ষেত্রে বিভবের মান শূন্য, যার ফলে কোনো আধানের প্রবাহও হবে না।
অর্থাৎ কোনো তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি হবে না। আমরা জানি, উচ্চ বিভব থেকে নিম্ন বিভবের দিকে আধান প্রবাহিত হয়। আর এখানে যেহেতু বিভব, $V = 0$ তাই তড়িতের প্রবাহও নেই। তাই বলরেখাগুলোও বিপরীতমুখী।
অর্থাৎ কোনো তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি হবে না। আমরা জানি, উচ্চ বিভব থেকে নিম্ন বিভবের দিকে আধান প্রবাহিত হয়। আর এখানে যেহেতু বিভব, $V = 0$ তাই তড়িতের প্রবাহও নেই। তাই বলরেখাগুলোও বিপরীতমুখী।
প্রশ্ন ৩২। তড়িৎ তীব্রতা ও তড়িৎ বলের মধ্যে পার্থক্য লেখো।
[পুলিশ লাইন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, যশোর; পাঠ্যবই পৃ.-২৮৫]
উত্তর : তড়িৎ তীব্রতা ও তড়িৎ বলের পার্থক্য :
| তড়িৎ তীব্রতা | তড়িৎ বল |
|---|---|
| ১. একক ধনাত্মক চার্জের উপর অন্য কোনো চার্জের ক্ষেত্রে কোনো বিন্দুতে অনুভূত বল। | ১. দুটি চার্জের মধ্যবর্তী বল। |
| ২. একক $\text{NC}^{-1}$. | ২. একক $\text{N}$. |
| ৩. ক্ষেত্র সৃষ্টিকারী চার্জ এবং দূরত্বের উপর নির্ভর করে। | ৩. দুটি চার্জের মান এবং তাদের মধ্যবর্তী দূরত্বের উপর নির্ভর করে। |
প্রশ্ন ৩৩। $+3\text{ C}$ চার্জের একটি বস্তু $12\text{ N}$ বল অনুভব করলে, ঐ স্থানের ইলেকট্রিক ফিল্ড কত?
[ব. বো. ’২৬ | পাঠ্যবই পৃ.-২৮৬]
উত্তর : আমরা জানি,
$$E = \frac{F}{q} = \frac{12\text{ N}}{3\text{ C}} = 4\text{ N/C}$$
$$E = \frac{F}{q} = \frac{12\text{ N}}{3\text{ C}} = 4\text{ N/C}$$
এখানে, চার্জ, $q = +3\text{ C}$
বল, $F = 12\text{ N}$
ইলেকট্রনিক ফিল্ড, $E = ?$
বল, $F = 12\text{ N}$
ইলেকট্রনিক ফিল্ড, $E = ?$
প্রশ্ন ৩৪। $50\text{ C}$ চার্জ হতে $20\text{ cm}$ দূরে কোনো বিন্দুতে তড়িৎ প্রাবল্য কত?
[পাঠ্যবই পৃ.-২৮৬]
উত্তর : এখানে, চার্জ, $q = 50\text{ C}$
দূরত্ব, $d = 20\text{ cm} = 0.2\text{ m}$
তড়িৎ প্রাবল্য, $E = ?$
আমরা জানি, $E = k \cdot \frac{q}{d^2}$ $$= 9 \times 10^9 \times \frac{50}{(0.2)^2} = 1.125 \times 10^{13}\text{ NC}^{-1}$$
দূরত্ব, $d = 20\text{ cm} = 0.2\text{ m}$
তড়িৎ প্রাবল্য, $E = ?$
আমরা জানি, $E = k \cdot \frac{q}{d^2}$ $$= 9 \times 10^9 \times \frac{50}{(0.2)^2} = 1.125 \times 10^{13}\text{ NC}^{-1}$$
প্রশ্ন ৩৫। $50\text{ C}$ এর একটি আধান থেকে $60\text{ cm}$ দূরবর্তী কোনো বিন্দুতে তড়িৎ ক্ষেত্র কত?
[পাঠ্যবই পৃ.-২৮৬]
উত্তর : আমরা জানি,
$E = k \frac{q}{r^2}$
$= \frac{9 \times 10^9 \times 50}{(0.6)^2}$
$= 1.25 \times 10^{12}\text{ N/C}$
$E = k \frac{q}{r^2}$
$= \frac{9 \times 10^9 \times 50}{(0.6)^2}$
$= 1.25 \times 10^{12}\text{ N/C}$
এখানে,
চার্জ, $q = 50\text{ C}$
দূরত্ব, $r = 60\text{ cm} = 0.6\text{ m}$
কুলম্ব ধ্রুবক, $k = 9 \times 10^9\text{ Nm}^2/\text{C}^2$
তড়িৎ ক্ষেত্র, $E = ?$
চার্জ, $q = 50\text{ C}$
দূরত্ব, $r = 60\text{ cm} = 0.6\text{ m}$
কুলম্ব ধ্রুবক, $k = 9 \times 10^9\text{ Nm}^2/\text{C}^2$
তড়িৎ ক্ষেত্র, $E = ?$
প্রশ্ন ৩৬। $5$ কুলম্বের আধান থেকে $0.5\text{ m}$ দূরবর্তী কোনো বিন্দুতে তড়িৎ ক্ষেত্রের তীব্রতা কত?
[পাঠ্যবই পৃ.-২৮৬]
উত্তর : এখানে, আধান বা চার্জ, $q = 10\text{ C}$ (প্রশ্নানুসারে $5\text{ C}$)
দূরত্ব, $r = 0.5\text{ m}$
কুলম্ব ধ্রুবক, $k = 9 \times 10^9\text{ Nm}^2\text{ C}^{-2}$
তড়িৎ ক্ষেত্রের তীব্রতা, $E = ?$
আমরা জানি,
$E = k \cdot \frac{q}{r^2}$
$= 9 \times 10^9 \times \frac{5}{(0.5)^2}\text{ NC}^{-1}$
$= 1.8 \times 10^{11}\text{ NC}^{-1}$
দূরত্ব, $r = 0.5\text{ m}$
কুলম্ব ধ্রুবক, $k = 9 \times 10^9\text{ Nm}^2\text{ C}^{-2}$
তড়িৎ ক্ষেত্রের তীব্রতা, $E = ?$
আমরা জানি,
$E = k \cdot \frac{q}{r^2}$
$= 9 \times 10^9 \times \frac{5}{(0.5)^2}\text{ NC}^{-1}$
$= 1.8 \times 10^{11}\text{ NC}^{-1}$
প্রশ্ন ৩৭। $5\text{ NC}^{-1}$ এর তড়িৎক্ষেত্রে একটি $50\text{ C}$ চার্জ রাখলে সেটি কত বল অনুভব করবে?
[পাঠ্যবই পৃ.-২৮৬]
উত্তর : আমরা জানি,
$F = qE$
$= 50\text{ C} \times 5\text{ NC}^{-1}$
$= 250\text{ N}$
$F = qE$
$= 50\text{ C} \times 5\text{ NC}^{-1}$
$= 250\text{ N}$
এখানে,
তড়িৎ ক্ষেত্র, $E = 5\text{ NC}^{-1}$
চার্জ, $q = 50\text{ C}$
বল, $F = ?$
তড়িৎ ক্ষেত্র, $E = 5\text{ NC}^{-1}$
চার্জ, $q = 50\text{ C}$
বল, $F = ?$
১০.৬ তড়িৎ বিভব
▸ পাঠ্যবই, পৃষ্ঠা ২৮৭
প্রশ্ন ৩৮। দূরত্বের সাথে তড়িৎ ক্ষেত্র ও তড়িৎ বিভব বিপরীত সম্পর্ক দেখায়– ব্যাখ্যা করো।
[জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, সিলেট; পাঠ্যবই পৃ.-২৮৭]
উত্তর : একটি চার্জিত বস্তু হতে কোনো বিন্দু যত দূরে নেওয়া হবে, তড়িৎক্ষেত্র ও তড়িৎ বিভব তত কমে যাবে। আবার কাছে আনলে, তড়িৎক্ষেত্র ও তড়িৎ বিভব বাড়তে থাকে। তড়িৎক্ষেত্র দূরত্বের বর্গের বিপরীত অনুপাতে হ্রাস পায় $\left(E \propto \frac{1}{r^2}\right)$ এবং তড়িৎ বিভব দূরত্বের বিপরীত অনুপাতে হ্রাস পায় $\left(V \propto \frac{1}{r}\right)$। সুতরাং, তড়িৎক্ষেত্র ও তড়িৎ বিভব দূরত্বের সাথে ব্যস্তানুপাতিক বা বিপরীত সম্পর্ক দেখায়।
প্রশ্ন ৩৯। পৃথিবীর বিভব শূন্য ধরা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
[সরকারি সতীশ চন্দ্র বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ; ময়মনসিংহ জিলা স্কুল; পাঠ্যবই পৃ.-২৮৭]
উত্তর : কোনো একটি ছোট আকারের পরিবাহক ধনাত্মক আধান লাভ করলে এর বিভব বৃদ্ধি পায় এবং এর পরিমাণ নির্ণয় করা যায়। কিন্তু পরিবাহকটি যদি অতি বিশাল আকারের গোলক হয় তাহলে এতে ধনাত্মক আধান বৃদ্ধির কারণে বিভবান্তর পরিলক্ষিত হয় না। আমাদের পৃথিবী এমনি একটি বিশাল আকারের পরিবাহক। পৃথিবী একটি ঋণাত্মক আধানের বিশাল ভাণ্ডার। তাই এ থেকে কিছু ইলেকট্রন বের করে নিলে অথবা এতে কিছু ইলেকট্রন দিলে এর বিভবের কোনো পরিবর্তন হয় না। সেজন্য পৃথিবীর বিভবকে শূন্য ধরা হয়।
প্রশ্ন ৪০। তড়িৎ বিভব বলতে কী বুঝ?– ব্যাখ্যা করো।
[ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজ; পাঠ্যবই পৃ.-২৮৭]
উত্তর : অসীম দূরত্ব থেকে প্রতি একক ধনাত্মক আধানকে তড়িৎ ক্ষেত্রের কোনো বিন্দুতে আনতে যে পরিমাণ কাজ সম্পন্ন করতে হয় তাকে ঐ বিন্দুর তড়িৎ বিভব বলে। তড়িৎ বিভব স্কেলার রাশি। অসীম থেকে $q$ পরিমাণ চার্জকে তড়িৎ ক্ষেত্রের কোনো বিন্দুতে আনতে $W$ পরিমাণ কাজ করতে হলে তড়িৎ বিভব, $V = \frac{W}{q}$.
প্রশ্ন ৪১। তড়িৎক্ষেত্রের কোনো বিন্দুর বিভব $20\text{ V}$ বলতে কী বুঝ?
[ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, দিনাজপুর; পাঠ্যবই পৃ.-২৮৭]
উত্তর : তড়িৎ ক্ষেত্রের কোনো বিন্দুতে বিভব $20\text{ V}$ বলতে বুঝায় অসীম থেকে প্রতি কুলম্ব ধনাত্মক আধানকে তড়িৎক্ষেত্রের ঐ বিন্দুতে আনতে $20\text{ J}$ কাজ করতে হয়।
প্রশ্ন ৪২। কোনো বিন্দুতে তড়িৎ বিভব শূন্য হলেও তড়িৎ ক্ষেত্র প্রাবল্যের মান অশূন্য হতে পারে কী? ব্যাখ্যা করো।
[পাঠ্যবই পৃ.-২৮৭]
উত্তর : সমমানের এবং বিপরীত চার্জে চার্জিত দুটি বস্তুর সংযোগ সরলরেখার লম্ব দ্বিখণ্ডকের উপর যেকোনো বিন্দুতে তড়িৎ বিভবের মান শূন্য হয় কিন্তু তড়িৎ ক্ষেত্র প্রাবল্যের মান শূন্য হয় না। তাই কোনো বিন্দুতে তড়িৎ বিভব শূন্য হলেও তড়িৎ ক্ষেত্র প্রাবল্যের মান অশূন্য হতে পারে।
প্রশ্ন ৪৩। কোনো বিন্দুতে পটেনশিয়াল শূন্য কিন্তু ইলেকট্রিক ফিল্ড শূন্য নয়, এটি কি সম্ভব? ব্যাখ্যা করো।
[যশোর জিলা স্কুল; পাঠ্যবই পৃ.-২৮৭]
অথবা, কোনো বিন্দুতে তড়িৎ বিভব শূন্য কিন্তু তড়িৎক্ষেত্র শূন্য নয়, এটি কী সম্ভব? [পটুয়াখালী সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়]
অথবা, কোনো বিন্দুতে তড়িৎ বিভব শূন্য কিন্তু তড়িৎক্ষেত্র শূন্য নয়, এটি কী সম্ভব? [পটুয়াখালী সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়]
উত্তর : সমমানের এবং বিপরীত চার্জে চার্জিত দুটি বস্তুর সংযোগ সরলরেখার লম্ব সমদ্বিখণ্ডক রেখার সকল বিন্দুতে বিভব শূন্য কিন্তু সকল বিন্দুতে ইলেকট্রিক ফিল্ড শূন্য নয়। যার অর্থ কোনো বিন্দুতে পটেনশিয়াল শূন্য কিন্তু ইলেকট্রিক ফিল্ড শূন্য নয় এমনটি সম্ভব।
প্রশ্ন ৪৪। তড়িৎক্ষেত্র এবং তড়িৎ বিভব এর মধ্যে পার্থক্য লেখো।
[কাজী কমর উদ্দিন গভঃ ইনস্টিটিউশন, মুন্সীগঞ্জ; পাঠ্যবই পৃ.-২৮৭]
অথবা, তড়িৎক্ষেত্র এবং তড়িৎ বিভব একই নয় কেন? [বাংলাদেশ মহিলা সমিতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, চট্টগ্রাম]
অথবা, তড়িৎক্ষেত্র এবং তড়িৎ বিভব একই নয় কেন? [বাংলাদেশ মহিলা সমিতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, চট্টগ্রাম]
উত্তর : তড়িৎ ক্ষেত্র কোনো বিন্দুতে একক ধনাত্মক চার্জের উপর ক্রিয়াশীল বলকে নির্দেশ করে, তাই এটি একটি ভেক্টর রাশি। কিন্তু তড়িৎ বিভব হলো অসীম থেকে একক চার্জকে ওই বিন্দুতে আনতে যে কাজ করতে হয় তার পরিমাণ, তাই এটি একটি স্কেলার রাশি। তড়িৎ ক্ষেত্র বলের ধারণা দেয়, আর তড়িৎ বিভব শক্তি বা কাজের ধারণা দেয়। এদের মাঝে সম্পর্ক রয়েছে, কিন্তু কখনোই তারা একই রাশি নয়।
প্রশ্ন ৪৫। $10\text{ C}$ আধানকে তড়িৎক্ষেত্রের কোনো বিন্দুতে আনতে যদি $125\text{ J}$ কাজ সম্পন্ন হয়, তবে ঐ বিন্দুর তড়িৎ বিভব কত?
[পাঠ্যবই পৃ.-২৮৭]
উত্তর : এখানে, আধান, $q = 10\text{ C}$
কৃতকাজ, $W = 125\text{ J}$
তড়িৎ বিভব, $V = ?$
আমরা জানি, $V = \frac{W}{q} = \frac{125}{10} = 12.5\text{ V}$
কৃতকাজ, $W = 125\text{ J}$
তড়িৎ বিভব, $V = ?$
আমরা জানি, $V = \frac{W}{q} = \frac{125}{10} = 12.5\text{ V}$
প্রশ্ন ৪৬। বিদ্যুৎ কর্মীরা হেলিকপ্টার থেকে উচ্চ বিভবের তারের উপর কাজ করার সময় শক খায় না কেন?
[ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ; বরিশাল জিলা স্কুল; পাঠ্যবই পৃ.-২৮৮]
অথবা, হেলিকপ্টার দিয়ে কর্মীরা হাইভোল্টেজ ইলেকট্রিক তারে খালি হাতে কাজ করলেও ইলেকট্রিক শক খায় না কেন? [বরিশাল জিলা স্কুল]
অথবা, হেলিকপ্টার দিয়ে কর্মীরা হাইভোল্টেজ ইলেকট্রিক তারে খালি হাতে কাজ করলেও ইলেকট্রিক শক খায় না কেন? [বরিশাল জিলা স্কুল]
উত্তর : বিদ্যুৎ কর্মীরা শূন্যে থাকার কারণে উচ্চ বিভব তার স্পর্শ করলে তাদের শরীরের বিভব তারের বিভবের সমান হয়ে যায়। বিভব সমান হয়ে গেলে তার থেকে বিদ্যুৎ কর্মীর শরীরে কোনো বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় না। তাই তারা শক খায় না।
১০.৭ ধারক
▸ পাঠ্যবই, পৃষ্ঠা ২৮৯
প্রশ্ন ৪৭। ধারক বলতে কী বুঝ?
[ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজ; পাঠ্যবই পৃ.-২৮৯]
উত্তর : তড়িৎ ধারক বলতে কাছাকাছি স্থাপিত দুটি পরিবাহকের মধ্যবর্তী স্থানে অন্তরক পদার্থ রেখে তড়িৎ আধানরূপে শক্তি সঞ্চয় করে রাখার যান্ত্রিক কৌশলকে বুঝায়।
প্রশ্ন ৪৮। ধারকত্ব বলতে কী বুঝায়?
[পাঠ্যবই পৃ.-২৮৯]
উত্তর : কোনো পরিবাহীর বিভব একক পরিমাণ বাড়াতে যে পরিমাণ চার্জের প্রয়োজন হয় তাকে ঐ পরিবাহীর ধারকত্ব বলে। একটি গোলাকার পরিবাহীর ধারকত্ব $C$ এবং এতে $Q$ চার্জ দেওয়া হলে বিভব,
$$V = \frac{Q}{C}$$ বা, $C = \frac{Q}{V}$
আবার, $r$ ব্যাসার্ধের ধাতব গোলকের জন্য $C = \frac{r}{k}$.
$$V = \frac{Q}{C}$$ বা, $C = \frac{Q}{V}$
আবার, $r$ ব্যাসার্ধের ধাতব গোলকের জন্য $C = \frac{r}{k}$.
প্রশ্ন ৪৯। একটি সরল ধারক তৈরি করা হয় কীভাবে?
[গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুল, ধানমন্ডি, ঢাকা; পাঠ্যবই পৃ.-২৮৯]
উত্তর : একটি সরল ধারক তৈরি করা হয় দুটি ধাতব পাতকে কোনো অন্তরক মাধ্যমে পরস্পর সমান্তরালে রেখে। যখন একটি ব্যাটারিকে এর দুটি পাতের সাথে সংযুক্ত করা হয় তখন ব্যাটারির ঋণাত্মক প্রান্ত থেকে ইলেকট্রন একটি পাতে প্রবাহিত হয় এবং এটি ঋণাত্মক আধানে আহিত হয়। ধারকের অন্য পাত থেকে ইলেকট্রন ব্যাটারির ধনাত্মক প্রান্তে প্রবাহিত হয়। ফলে ঐ পাত ধনাত্মকভাবে আহিত হয়।
প্রশ্ন ৫০। ধারক বা Capacitor কে যদি একটা পাত্রের সাথে তুলনা করা হয় তাহলে বিভবকে কিসের সাথে তুলনা করব?
[পাঠ্যবই পৃ.-২৮৯]
উত্তর : Capacitor-কে যদি একটা পাত্রের সাথে তুলনা করা হয় তাহলে বিভবকে ঐ পাত্রের ধারণকৃত পদার্থের উচ্চতার সাথে তুলনা করা যায়। কারণ, ধারকে অল্প চার্জে পাতদ্বয়ে বিভব পার্থক্য বেশি হলে ঐ ধারকের ধারকত্ব যেমন কম তেমনি পাত্রে অল্প পদার্থ সংযোজনে যদি পদার্থের উচ্চতা দ্রুত বৃদ্ধি পায় তবে ঐ পাত্রের ধারণ ক্ষমতা কম।
প্রশ্ন ৫১। ক্যাপাসিটরকে কি ব্যাটারি হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব?
[পাঠ্যবই পৃ.-২৮৯]
উত্তর : ক্যাপাসিটর ও ব্যাটারির মধ্যে কিছু মূল পার্থক্য হলো– ক্যাপাসিটরের মধ্যে বিভবশক্তি বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে জমা থাকে কিন্তু ব্যাটারির মধ্যে বিভবশক্তি রাসায়নিক শক্তি হিসাবে জমা থাকে, ক্যাপাসিটর চার্জিত ও অচার্জিত হতে ব্যাটারি অপেক্ষা কম সময় নেয় এসব পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও উভয়ই যেহেতু চার্জ ধরে রাখে তাই ক্যাপাসিটরকে ব্যাটারি হিসাবে ব্যবহার করা সম্ভব।
প্রশ্ন ৫২। ধারক ও ব্যাটারির মধ্যে তফাৎ ব্যাখ্যা করো।
[খুলনা পাবলিক কলেজ; পাঠ্যবই পৃ.-২৮৯]
উত্তর : ধারক এবং ব্যাটারির মধ্যে তফাৎ নিচের ছকে দেওয়া হলো:
| ধারক | ব্যাটারি |
|---|---|
| ১. ধারক বৈদ্যুতিক শক্তি সঞ্চয় করে চার্জ সঞ্চয় করার মাধ্যমে। | ১. ব্যাটারি শক্তি সঞ্চয় করে রাসায়নিক শক্তির আকারে। |
| ২. ধারকের ভোল্টেজ চার্জ হওয়ার সাথে সাথে দ্রুত পরিবর্তন হয়। | ২. ব্যাটারি দীর্ঘসময় ধরে স্থিতিশীল ভোল্টেজ সরবরাহ করে। |
| ৩. ধারক খুব স্বল্প সময়ের জন্য শক্তি দিতে পারে। | ৩. ব্যাটারি দীর্ঘ সময় ধরে শক্তি সরবরাহ করতে সক্ষম। |
প্রশ্ন ৫৩। $5\text{ V}$ বিভব পার্থক্যে সংযুক্ত $10\text{ }\mu\text{F}$ ধারকত্ব সম্পন্ন ধারকে সঞ্চিত শক্তি নির্ণয় করো।
[য. বো. ’২৬ | পাঠ্যবই পৃ.-২৮৯]
উত্তর : এখানে, বিভব পার্থক্য, $V = 5\text{ V}$
ধারকত্ব, $C = 10\text{ }\mu\text{F} = 1 \times 10^{-5}\text{ F}$
আমরা জানি, সঞ্চিতশক্তি $= \frac{1}{2} CV^2 = \frac{1}{2} \times 1 \times 10^{-5} \times 5^2$
$= 1.25 \times 10^{-4}\text{ J}$
অতএব, ধারকে সঞ্চিত শক্তি $1.25 \times 10^{-4}\text{ J}$।
ধারকত্ব, $C = 10\text{ }\mu\text{F} = 1 \times 10^{-5}\text{ F}$
আমরা জানি, সঞ্চিতশক্তি $= \frac{1}{2} CV^2 = \frac{1}{2} \times 1 \times 10^{-5} \times 5^2$
$= 1.25 \times 10^{-4}\text{ J}$
অতএব, ধারকে সঞ্চিত শক্তি $1.25 \times 10^{-4}\text{ J}$।
প্রশ্ন ৫৪। দুটি গোলকের ব্যাস $40\text{ cm}, 90\text{ cm}$—কার ধারকত্ব বেশি? ব্যাখ্যা করো।
[ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ; পাঠ্যবই পৃ.-২৮৯]
উত্তর : আমরা জানি, $r$ ব্যাসার্ধের গোলকের ধারকত্ব, $C = \frac{r}{k}$
অর্থাৎ গোলকের ধারকত্ব তার ব্যাসার্ধের সমানুপাতিক। ব্যাসার্ধ বেশি হলে ধারকত্ব বেশি হবে।
এখানে, গোলক দুটির ব্যাসার্ধ যথাক্রমে, $r_1 = \frac{40\text{ cm}}{2} = 20\text{ cm}$
এবং $r_2 = \frac{90\text{ cm}}{2} = 45\text{ cm}$ অর্থাৎ, $r_1 < r_2$
অতএব, প্রথম গোলকের চেয়ে দ্বিতীয় গোলকের ধারকত্ব বেশি।
অর্থাৎ গোলকের ধারকত্ব তার ব্যাসার্ধের সমানুপাতিক। ব্যাসার্ধ বেশি হলে ধারকত্ব বেশি হবে।
এখানে, গোলক দুটির ব্যাসার্ধ যথাক্রমে, $r_1 = \frac{40\text{ cm}}{2} = 20\text{ cm}$
এবং $r_2 = \frac{90\text{ cm}}{2} = 45\text{ cm}$ অর্থাৎ, $r_1 < r_2$
অতএব, প্রথম গোলকের চেয়ে দ্বিতীয় গোলকের ধারকত্ব বেশি।
প্রশ্ন ৫৫। কোনো ধারকের গায়ে $0.025\text{ }\mu\text{F} - 220\text{ V}$ লেখা থাকলে কী বুঝায়?
[পাঠ্যবই পৃ.-২৯০]
উত্তর : কোনো ধারকের গায়ে $0.025\text{ }\mu\text{F} - 220\text{ V}$ লেখার অর্থ হলো ঐ ধারকের ধারকত্ব $0.025\text{ }\mu\text{F}$ এবং এটি সর্বোচ্চ $200\text{ V}$ বিভব পার্থক্যে ব্যবহার করা যেতে পারে। $220\text{ V}$ এর বেশি বিভব পার্থক্যে ধারকটি নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
প্রশ্ন ৫৬। একটি $10\text{ }\mu\text{F}$ ধারকে $100\text{ V}$ বৈদ্যুতিক বিভব দেওয়া হলে সঞ্চিত শক্তির পরিমাণ কত?
[পাঠ্যবই পৃ.-২৯০]
উত্তর : শক্তি $= \frac{1}{2} CV^2$
$= \frac{1}{2} \times 10 \times 10^{-6} \times (100)^2\text{ J}$
$= 50000 \times 10^{-6} = 5 \times 10^{-2}\text{ J}$
$= \frac{1}{2} \times 10 \times 10^{-6} \times (100)^2\text{ J}$
$= 50000 \times 10^{-6} = 5 \times 10^{-2}\text{ J}$
প্রশ্ন ৫৭। স্থির ধারকত্বের কোনো ধারকের বিভব তিনগুণ করা হলে এর শক্তি কতগুণ হবে?
[চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল; পাঠ্যবই পৃ.-২৯০]
উত্তর : একটি ধারকের ধারকত্ব $C$ এবং বিভব $V$ হলে ঐ ধারকের সঞ্চিত শক্তি,
$$U = \frac{1}{2} CV^2$$ এখন, বিভব তিনগুণ করা হলে নতুন বিভব, $V' = 3\,V$
$\therefore$ নতুন সঞ্চিত শক্তি,
$$U' = \frac{1}{2} CV'^2 = \frac{1}{2} C(3\,V)^2 = 9 \times \frac{1}{2} CV^2 = 9\,U$$ অতএব, স্থির ধারকত্বের কোনো ধারকের বিভব তিনগুণ করা হলে এর শক্তি $9$ গুণ হবে।
$$U = \frac{1}{2} CV^2$$ এখন, বিভব তিনগুণ করা হলে নতুন বিভব, $V' = 3\,V$
$\therefore$ নতুন সঞ্চিত শক্তি,
$$U' = \frac{1}{2} CV'^2 = \frac{1}{2} C(3\,V)^2 = 9 \times \frac{1}{2} CV^2 = 9\,U$$ অতএব, স্থির ধারকত্বের কোনো ধারকের বিভব তিনগুণ করা হলে এর শক্তি $9$ গুণ হবে।
১০.৮ স্থির বিদ্যুতের ব্যবহার
▸ পাঠ্যবই, পৃষ্ঠা ২৯১
প্রশ্ন ৫৮। বজ্রপাতের সময় কীভাবে শকওয়েভ তৈরি হয় ব্যাখ্যা করো।
[হলি ক্রস উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়, ঢাকা; পাঠ্যবই পৃ.-২৯১]
উত্তর : বজ্রপাতের সময় লক্ষ অ্যাম্পিয়ারের মতো বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে পারে। এই বিদ্যুৎ প্রবাহের জন্য বাতাসের তাপমাত্রা ২০ হাজার থেকে ৩০০০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উত্তপ্ত হয়ে যায়। এত বিশাল তাপমাত্রার কারণে বাতাস উত্তপ্ত হয়ে ফুলে ফেঁপে উঠে এবং বাইরের দিকে ছড়িয়ে পড়ে। বাতাসের এই প্রচণ্ড প্রসারণ আশপাশের স্থির বাতাসের উপর তীব্র চাপ সৃষ্টি করে। এই উচ্চ চাপের কারণে বাতাসের মধ্যে একটি শক্তিশালী চাপ তরঙ্গের সৃষ্টি হয় যা শব্দের চাইতে দ্রুত গতিতে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এভাবে বজ্রপাতের সময় শকওয়েভ তৈরি হয়।
প্রশ্ন ৫৯। স্থির তড়িতের কয়েকটি ব্যবহার উল্লেখ করো।
[পাঠ্যবই পৃ.-২৯১]
উত্তর : স্থির তড়িতের কয়েকটি ব্যবহার নিচে উল্লেখ করা হলো–
১. গাড়ি, সাইকেল, আলমারি ও অন্যান্য জিনিসের জন্য যে রং স্প্রে ব্যবহার করা হয় তাতে স্থির তড়িৎ সংযুক্ত করা হয়।
২. ইঙ্কজেট প্রিন্টারে স্থির তড়িৎ ব্যবহৃত হয়।
৩. ফটো কপিয়ার মেশিনে স্থির তড়িৎ ব্যবহার করা হয়।
এছাড়াও অনেক বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিতে স্থির তড়িতের ব্যবহার রয়েছে।
১. গাড়ি, সাইকেল, আলমারি ও অন্যান্য জিনিসের জন্য যে রং স্প্রে ব্যবহার করা হয় তাতে স্থির তড়িৎ সংযুক্ত করা হয়।
২. ইঙ্কজেট প্রিন্টারে স্থির তড়িৎ ব্যবহৃত হয়।
৩. ফটো কপিয়ার মেশিনে স্থির তড়িৎ ব্যবহার করা হয়।
এছাড়াও অনেক বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিতে স্থির তড়িতের ব্যবহার রয়েছে।
প্রশ্ন ৬০। ফটোকপিয়ার মেশিন কিভাবে কাজ করে?
[পাঠ্যবই পৃ.-২৯১]
উত্তর : ফটোকপিয়ার মেশিনে কাগজের লেখার উপর আলো ফেলে তার প্রতিচ্ছবি একটি বিশেষ ধরনের রোলারে ফেলে রোলারে কাগজের লেখাটির মতো স্থির চার্জ তৈরি করা হয়। এরপর রোলারটিকে পাউডারের মতো সূক্ষ্ম কালির সংস্পর্শে আনা হলে যেখানে যেখানে চার্জ জমা হয়েছে সেখানে কালো কালি লেগে যায়। তারপর একট সাদা কাগজের উপর ছাপ দিয়ে তাপের সাহায্যে কালিটিকে বসিয়ে দেওয়া হয়।
প্রশ্ন ৬১। পেট্রোলবাহী ট্রাকের সাথে ধাতব শিকল ঝোলানো থাকে কেন? ব্যাখ্যা করো।
[মাইলস্টোন কলেজ, ঢাকা; পাঠ্যবই পৃ.-২৯২]
অথবা, জ্বালানিবাহী ট্রাকের সাথে ধাতব শিকল ঝোলানো থাকে কেন? [ডাঃ খাস্তগীর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম; ফরিদপুর জিলা স্কুল; জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, সিলেট; শেরপুর সরকারি ভিক্টোরিয়া একাডেমী]
অথবা, জ্বালানিবাহী ট্রাকের সাথে ধাতব শিকল ঝোলানো থাকে কেন? [ডাঃ খাস্তগীর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম; ফরিদপুর জিলা স্কুল; জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, সিলেট; শেরপুর সরকারি ভিক্টোরিয়া একাডেমী]
উত্তর : পেট্রোলবাহী ট্রাকের সাথে একটি ধাতব শিকল লাগানো থাকে যা ট্রাক চলার সময় রাস্তা ছুঁয়ে ছুঁয়ে যায়। যখন রাস্তা দিয়ে ট্রাক চলে তখন পেট্রোল ট্রাকের গায়ে বারবার ধাক্কা খায় এবং এদিক ওদিক দুলতে থাকে। ট্রাকের সাথে পেট্রোলের এ ঘর্ষণের ফলে আধান সঞ্চিত হয়। যদি ট্রাকের কিনারা থেকে একটা স্ফুলিঙ্গ সৃষ্টি হয় তাহলে পেট্রোলে আগুন ধরে যেতে পারে এবং মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। পেট্রোল আধানের জন্য নিরাপদ স্থান নয়। ট্রাকের পেছনে শিকল লাগিয়ে এ তড়িৎ ভূমিতে চলে যাবার পথ তৈরি করা হয়। যেহেতু ধাতু খুব ভালো পরিবাহী, তাই তড়িৎ ধীরে ধীরে ধাতব শিকলের মধ্য দিয়ে মাটিতে চলে যায়।
প্রশ্ন ৬২। ধাতব জিনিসপত্র রং করার জন্য স্থির বৈদ্যুতিক রং স্প্রে ব্যবহার করা হয়– ব্যাখ্যা করো।
[দি. বো. ’২৬ | পাঠ্যবই পৃ.-২৯২]
উত্তর : ধাতব জিনিসপত্র রং করার ক্ষেত্রে স্থির তড়িৎ ব্যবহার করা হয়। স্প্রে করার জন্য স্প্রে গান এমনভাবে তৈরি করা হয় যে এটি রঙের অতি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আহিত কণা তৈরি করে। রঙের স্প্রে গানের সূঁচালো প্রান্তটি একটি স্থির তড়িৎ জেনারেটর এর এক প্রান্তে সংযুক্ত করা হয় এবং অপর প্রান্ত ধাতব বস্তুর সাথে সংযুক্ত করা হয় যা ভূমির সাথে যুক্ত থাকে। স্প্রে গান থেকে নির্গত আহিত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণা ধাতব বস্তুর বাইরের কাঠামো দ্বারা আকৃষ্ট হয়। এভাবে ধাতব জিনিসপত্রে স্প্রে করা হয়।
প্রশ্ন ৬৩। আকাশে বিজলি চমকায় কেন?
[গভর্নমেন্ট সায়েন্স হাই স্কুল, তেজগাঁও, ঢাকা; পাঠ্যবই পৃ.-২৯২]
উত্তর : বজ্র বৃষ্টির সময় বায়ু, ধূলিকণা ইত্যাদির ঘর্ষণের ফলে স্থির বিদ্যুৎ সৃষ্টি হয়। এ স্থির বিদ্যুৎ সৃষ্টির কারণে তখন বিশাল বিভব পার্থক্যের সৃষ্টি হয়। ফলে তখন বায়ুর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয়। এ সময় আলোর ঝলকানি সৃষ্টি হয়। এটিই বিজলি।
প্রশ্ন ৬৪। ভ্যান ডি গ্রাফ মেশিন কী কাজে ব্যবহার করা হয়? ব্যাখ্যা করো।
[নোয়াখালী জিলা স্কুল; পাঠ্যবই পৃ.-২৯২]
অথবা, ভ্যান ডি গ্রাফ মেশিন এর কাজ কী? [ব্লু বার্ড স্কুল এন্ড কলেজ, সিলেট]
অথবা, ভ্যান ডি গ্রাফ মেশিন এর কাজ কী? [ব্লু বার্ড স্কুল এন্ড কলেজ, সিলেট]
উত্তর : ভ্যান ডি গ্রাফ মেশিনের কাজ হলো উচ্চ ভোল্টেজের স্থির তড়িৎ তৈরি করা। এটি একটি চলমান বেল্টের মাধ্যমে ধীরে ধীরে বিপুল পরিমাণ চার্জ গোলাকার ধাতব গোলকে সঞ্চয় করে। গোলকে চার্জ জমা হলে সেখানে উচ্চ বিভব সৃষ্টি হয়। এই উচ্চ বিভব দিয়ে স্পার্ক তৈরি, কণার ত্বরণ এবং বিভিন্ন তড়িৎ সম্পর্কিত পরীক্ষা করা যায়। তাই এটি মূলত চার্জ সঞ্চয় ও উচ্চ ভোল্টেজ উৎপাদনকারী যন্ত্র।
প্রশ্ন ৬৫। বজ্রপাত কেন হয়? ব্যাখ্যা করো।
[রংপুর ক্যাডেট কলেজ; যশোর জিলা স্কুল; পাঠ্যবই পৃ.-২৯২]
উত্তর : জলীয় বাষ্প বায়ুমণ্ডলের আহিত আয়নগুলোর ওপর ঘনীভূত হয়ে পানি কণার সৃষ্টি করে এবং তড়িতাহিত হয়। এই ধরনের পানির কণাগুলো একত্রিত হলেই মেঘের উৎপত্তি হয়। মেঘ ধনাত্মক বা ঋণাত্মক যেকোনো ভাবেই আহিত হতে পারে। তড়িতাহিত মেঘে যদি তড়িতের পরিমাণ বেশি হয়, তাহলে তা তড়িৎক্ষরণের মাধ্যমে পৃথিবীতে চলে আসে। এভাবে বজ্রপাত সৃষ্টি হয়।
প্রশ্ন ৬৬। বজ্রপাতের সময় গাছের নিচে আশ্রয় নেওয়া বিপজ্জনক কেন? ব্যাখ্যা করো।
[সি. বো. ’২৬ | পাঠ্যবই পৃ.-২৯২]
উত্তর : আমরা জানি, বজ্রপাত সাধারণত উঁচু বস্তুর উপর বেশি ঘটে। গাছ তুলনামূলক উঁচু হওয়ায় বজ্র সহজেই গাছে আঘাত করতে পারে। তখন বিদ্যুৎ ভেজা কান্ড ও মাটির মাধ্যমে আশেপাশের মানুষের শরীরেও প্রবাহিত হতে পারে। এজন্য বজ্রপাতের সময় গাছের নিচে আশ্রয় নেওয়া বিপজ্জনক।
প্রশ্ন ৬৭। বজ্রপাত হলে শব্দ হয় কেন?– ব্যাখ্যা করো।
[আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল, ঢাকা; খুলনা জিলা স্কুল; পাঠ্যবই পৃ.-২৯২]
উত্তর : বজ্র সৃষ্টির সময় বায়ু, ধূলিকণা ইত্যাদির ঘর্ষণের ফলে স্থির বিদ্যুৎ সৃষ্টি হয়। এ স্থির বিদ্যুৎ সৃষ্টির কারণে যখন বিশাল বিভব পার্থক্যের সৃষ্টি হয় তখন বায়ুর মধ্যদিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয়। এ সময় বায়ু স্তর কম্পিত হয় ফলে শব্দ সৃষ্টি হয়। এ কারণে বজ্রপাত হলে শব্দ হয়।
প্রশ্ন ৬৮। টিভির মনিটর দ্রুত ময়লা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
[কু. বো. ’২৬ | পাঠ্যবই পৃ.-২৯২]
উত্তর : ব্যবহারের সময় টিভির মনিটর স্থির তড়িতে আহিত হয়। এ আধানগুলো অনাহিত কণা যেমন ধুলো-বালি প্রভৃতিকে আকর্ষণ করে। ফলে টিভির মনিটর দ্রুত ময়লা হয়ে যায়।
প্রশ্ন ৬৯। টেলিভিশন বা কম্পিউটারের মনিটর তাড়াতাড়ি ময়লা হয় কেন?
[চট্টগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়; সরকারি অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, সিলেট; ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ, রংপুর; রংপুর জিলা স্কুল; পাঠ্যবই পৃ.-২৯২]
উত্তর : ব্যবহারের সময় টেলিভিশনের পর্দা ও কম্পিউটারের মনিটর স্থির তড়িতে আহিত হয়। এ আধানগুলো অনাহিত কণা যেমন ধুলো-বালি প্রভৃতিকে আকর্ষণ করে। ফলে এগুলো তাড়াতাড়ি ময়লা হয়ে যায়।
